বরিশাল প্রতিনিধি

বরিশাল জেলায় ছেলেকে না পেয়ে বৃদ্ধ বাবাকে গ্রেপ্তারের অভিযোগ উঠেছে গৌরনদী উপজেলা থানা পুলিশের বিরুদ্ধে।
গত বৃহস্পতিবার গৌরনদী উপজেলার বার্থী ইউনিয়নের সাদ্দাম বাজারের একটি মুদি দোকান থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
বাজারের ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সাদ্দাম বাজারের মুদি ব্যবসায়ী শামীম হাওলাদারের দোকানে বসেছিলেন তার বাবা শাহজাহান হাওলাদার খোকন। এসময় গৌরনদী মডেল থানা পুলিশ শামীমকে গ্রেপ্তার করার জন্য দোকানে আসে। তখন শামীমকে না পেয়ে তার বৃদ্ধ বাবা শাহজাহান হাওলাদার খোকনকে আটক করে নিয়ে যায়।
তবে বিষয়টি নিয়ে গৌরনদী মডেল থানার ওসি তারিক হাসান রাসেল জানান, তাদের বিরুদ্ধে মারামারির ঘটনায় মামলা ছিল। সেই মামলায় দুজনকেই পুলিশ গ্রেপ্তার করতে গিয়েছিল। একজনকে পেয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
ব্যবসায়ীর আরেক ছেলে ফয়সাল হাওলাদার বলেন, “আমার বাবা সাদ্দাম বাজারের পুরনো ব্যবসায়ী তিনি কোন রাজনীতির সাথে জড়িত নেই। আমার ভাই শামীম হাওলাদার যুবলীগের সমর্থক ছিলেন। তবে তার কোন পদপদবী কিংবা কোন মামলা নেই। এরপরেও ভাইকে গ্রেপ্তার করতে এসে তাকে না পেয়ে অন্যায়ভাবে বৃদ্ধ বাবাকে আটক করে নিয়ে গেছে পুলিশ।”
এ ঘটনার প্রতিবাদে শুক্রবার সকালে দোকান বন্ধ রেখে প্রতিবাদ জানিয়েছে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। বিষয়টি নিয়ে ওসি তারিক হাসান রাসেল জানান, ব্যবসায়ীদের দোকানপাট বন্ধ রাখা তাদের ব্যাপার এবং অন্য আসামিকে গ্রেপ্তারের অভিযান চলছে।
আটককৃত শাহজাহান হাওলাদার খোকন সাদ্দাম বাজার ব্যবসায়ী কমিটির সভাপতি।

বরিশাল জেলায় ছেলেকে না পেয়ে বৃদ্ধ বাবাকে গ্রেপ্তারের অভিযোগ উঠেছে গৌরনদী উপজেলা থানা পুলিশের বিরুদ্ধে।
গত বৃহস্পতিবার গৌরনদী উপজেলার বার্থী ইউনিয়নের সাদ্দাম বাজারের একটি মুদি দোকান থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
বাজারের ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সাদ্দাম বাজারের মুদি ব্যবসায়ী শামীম হাওলাদারের দোকানে বসেছিলেন তার বাবা শাহজাহান হাওলাদার খোকন। এসময় গৌরনদী মডেল থানা পুলিশ শামীমকে গ্রেপ্তার করার জন্য দোকানে আসে। তখন শামীমকে না পেয়ে তার বৃদ্ধ বাবা শাহজাহান হাওলাদার খোকনকে আটক করে নিয়ে যায়।
তবে বিষয়টি নিয়ে গৌরনদী মডেল থানার ওসি তারিক হাসান রাসেল জানান, তাদের বিরুদ্ধে মারামারির ঘটনায় মামলা ছিল। সেই মামলায় দুজনকেই পুলিশ গ্রেপ্তার করতে গিয়েছিল। একজনকে পেয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
ব্যবসায়ীর আরেক ছেলে ফয়সাল হাওলাদার বলেন, “আমার বাবা সাদ্দাম বাজারের পুরনো ব্যবসায়ী তিনি কোন রাজনীতির সাথে জড়িত নেই। আমার ভাই শামীম হাওলাদার যুবলীগের সমর্থক ছিলেন। তবে তার কোন পদপদবী কিংবা কোন মামলা নেই। এরপরেও ভাইকে গ্রেপ্তার করতে এসে তাকে না পেয়ে অন্যায়ভাবে বৃদ্ধ বাবাকে আটক করে নিয়ে গেছে পুলিশ।”
এ ঘটনার প্রতিবাদে শুক্রবার সকালে দোকান বন্ধ রেখে প্রতিবাদ জানিয়েছে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। বিষয়টি নিয়ে ওসি তারিক হাসান রাসেল জানান, ব্যবসায়ীদের দোকানপাট বন্ধ রাখা তাদের ব্যাপার এবং অন্য আসামিকে গ্রেপ্তারের অভিযান চলছে।
আটককৃত শাহজাহান হাওলাদার খোকন সাদ্দাম বাজার ব্যবসায়ী কমিটির সভাপতি।

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।