চরচা প্রতিবেদক

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ৯১ আসনে প্রার্থী ঘোষণা করেছে গণসংহতি আন্দোলন। দলটির প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি নিজে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ আসন থেকে লড়বেন।
বুধবার রাজধানীতে গণসংহতি আন্দোলনের নতুন কমিটির পরিচিতি এবং আসন্ন সংসদ নির্বাচনে সম্ভাব্য প্রার্থী তালিকা প্রকাশ অনুষ্ঠানে এ তথ্য জানানো হয়।
গত ২ নভেম্বর গণসংহতি আন্দোলনের ৫৫ সদস্যের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি নির্বাচিত হয়। এই কমিটিতে প্রধান সমন্বয়কারী হয়েছেন জোনায়েদ সাকি এবং নির্বাহী সমন্বয়কারী হয়েছেন আবুল হাসান রুবেল।
অনুষ্ঠানে সাকি জানান, প্রগতিশীল, উদার মধ্যপন্থী দলগুলোকে নিয়ে জোট গঠনের চেষ্টা চলছে। তিনি বলেন, গণতন্ত্র মঞ্চ ৩০০ আসনেই প্রার্থী দেবে। বিএনপির সঙ্গেও আলোচনা চলমান।
নির্বাচনে প্রার্থীদের জামানতের পরিমাণ বাড়ানো ঠিক হয়নি মন্তব্য করে তিনি বলেন, এটি গণতান্ত্রিক পদ্ধতি নয়। তার মতে, জোটের প্রতীকে নির্বাচন করার সুযোগ থাকা উচিত ছিল।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ৯১ আসনে প্রার্থী ঘোষণা করেছে গণসংহতি আন্দোলন। দলটির প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি নিজে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ আসন থেকে লড়বেন।
বুধবার রাজধানীতে গণসংহতি আন্দোলনের নতুন কমিটির পরিচিতি এবং আসন্ন সংসদ নির্বাচনে সম্ভাব্য প্রার্থী তালিকা প্রকাশ অনুষ্ঠানে এ তথ্য জানানো হয়।
গত ২ নভেম্বর গণসংহতি আন্দোলনের ৫৫ সদস্যের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি নির্বাচিত হয়। এই কমিটিতে প্রধান সমন্বয়কারী হয়েছেন জোনায়েদ সাকি এবং নির্বাহী সমন্বয়কারী হয়েছেন আবুল হাসান রুবেল।
অনুষ্ঠানে সাকি জানান, প্রগতিশীল, উদার মধ্যপন্থী দলগুলোকে নিয়ে জোট গঠনের চেষ্টা চলছে। তিনি বলেন, গণতন্ত্র মঞ্চ ৩০০ আসনেই প্রার্থী দেবে। বিএনপির সঙ্গেও আলোচনা চলমান।
নির্বাচনে প্রার্থীদের জামানতের পরিমাণ বাড়ানো ঠিক হয়নি মন্তব্য করে তিনি বলেন, এটি গণতান্ত্রিক পদ্ধতি নয়। তার মতে, জোটের প্রতীকে নির্বাচন করার সুযোগ থাকা উচিত ছিল।

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।