চরচা ডেস্ক

ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে মারাত্মক বায়ুদূষণের কারণে সেখানকার ঐতিহাসিক দূর্গ লালকেল্লার দেয়ালে ‘কালো আস্তরণ’ পড়েছে বলে এক গবেষণায় উঠে এসেছে।
বিবিসি জানিয়েছে, গবেষকরা দেখতে পেয়েছেন, মুঘল আমলের অনন্য এই স্থাপনার লাল বেলেপাথরের দেয়ালের সঙ্গে দূষিত পদার্থের বিক্রিয়ায় জমা আস্তরণ ০ দশমিক ০৫ মিলিমিটার থেকে ০ দশমিক ৫ মিলিমিটার পর্যন্ত পুরু।
সপ্তদশ শতকে নির্মিত লালকেল্লার ওপর বায়ুদূষণের প্রভাব নিয়ে এটিই এ ধরনের প্রথম পূর্ণাঙ্গ গবেষণা বলে জানিয়েছে বিবিসি।
গবেষকরা বলছেন, দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে সম্রাট শাহজাহান নির্মিত এই কেল্লাটির সূক্ষ্ম নকশা ও খোদাই করা কাজ নষ্ট হতে পারে।
২০২১ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে ভারত ও ইতালির গবেষকরা ওই গবেষণা পরিচালনা করেন। গবেষণাটি পিয়ার-রিভিউ করে বিজ্ঞান সম্পর্কিত জার্নাল ‘হেরিটেজ’-এ প্রকাশ করা হয়েছে গত জুনে।
গবেষকরা কেল্লার দেয়ালের রঙের স্তর আলগা হয়ে যাওয়ারও প্রমাণ পেয়েছেন।

ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে মারাত্মক বায়ুদূষণের কারণে সেখানকার ঐতিহাসিক দূর্গ লালকেল্লার দেয়ালে ‘কালো আস্তরণ’ পড়েছে বলে এক গবেষণায় উঠে এসেছে।
বিবিসি জানিয়েছে, গবেষকরা দেখতে পেয়েছেন, মুঘল আমলের অনন্য এই স্থাপনার লাল বেলেপাথরের দেয়ালের সঙ্গে দূষিত পদার্থের বিক্রিয়ায় জমা আস্তরণ ০ দশমিক ০৫ মিলিমিটার থেকে ০ দশমিক ৫ মিলিমিটার পর্যন্ত পুরু।
সপ্তদশ শতকে নির্মিত লালকেল্লার ওপর বায়ুদূষণের প্রভাব নিয়ে এটিই এ ধরনের প্রথম পূর্ণাঙ্গ গবেষণা বলে জানিয়েছে বিবিসি।
গবেষকরা বলছেন, দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে সম্রাট শাহজাহান নির্মিত এই কেল্লাটির সূক্ষ্ম নকশা ও খোদাই করা কাজ নষ্ট হতে পারে।
২০২১ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে ভারত ও ইতালির গবেষকরা ওই গবেষণা পরিচালনা করেন। গবেষণাটি পিয়ার-রিভিউ করে বিজ্ঞান সম্পর্কিত জার্নাল ‘হেরিটেজ’-এ প্রকাশ করা হয়েছে গত জুনে।
গবেষকরা কেল্লার দেয়ালের রঙের স্তর আলগা হয়ে যাওয়ারও প্রমাণ পেয়েছেন।

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।