চরচা ডেস্ক

রাজধানীর বিমানবন্দর স্টেশনে বনলতা এক্সপ্রেস নামের একটি ট্রেন থেকে বিদেশি অস্ত্র ও বিস্ফোরক উদ্ধার করেছে সেনাবাহিনী।
আজ রোববার একটি বিশেষ অভিযানে এই অস্ত্র ও বিস্ফোরক উদ্ধার করা হয়।
আইএসপিআরের এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সেনাবাহিনীর ৪৬ স্বতন্ত্র পদাতিক ব্রিগেড, রাষ্ট্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা ও বিমানবন্দর রেলওয়ে পুলিশ যৌথভাবে এই অভিযান চালায়। রাজশাহী থেকে ছেড়ে আসা ট্রেনটিতে, ৮টি বিদেশি পিস্তল, ১৬টি ম্যাগাজিন, ২৬ রাউন্ড গুলি, ২.৩৮ কেজি গান পাউডার ও ২.২৮ কেজি প্লাস্টিক বিস্ফোরক পাওয়া যায়।
ঘটনায় জড়িত সন্দেহে চারজনকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশের কাছে তুলে দেওয়া হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, গোপন সূত্রে খবর পেয়ে এই অভিযান চালানো হয়েছে। কোনো রকম ক্ষয়ক্ষতি ছাড়াই অভিযানটি সফলভাবে শেষ হয়। উদ্ধার করা অস্ত্র ও বিস্ফোরক পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য কমলাপুর রেলওয়ে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

রাজধানীর বিমানবন্দর স্টেশনে বনলতা এক্সপ্রেস নামের একটি ট্রেন থেকে বিদেশি অস্ত্র ও বিস্ফোরক উদ্ধার করেছে সেনাবাহিনী।
আজ রোববার একটি বিশেষ অভিযানে এই অস্ত্র ও বিস্ফোরক উদ্ধার করা হয়।
আইএসপিআরের এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সেনাবাহিনীর ৪৬ স্বতন্ত্র পদাতিক ব্রিগেড, রাষ্ট্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা ও বিমানবন্দর রেলওয়ে পুলিশ যৌথভাবে এই অভিযান চালায়। রাজশাহী থেকে ছেড়ে আসা ট্রেনটিতে, ৮টি বিদেশি পিস্তল, ১৬টি ম্যাগাজিন, ২৬ রাউন্ড গুলি, ২.৩৮ কেজি গান পাউডার ও ২.২৮ কেজি প্লাস্টিক বিস্ফোরক পাওয়া যায়।
ঘটনায় জড়িত সন্দেহে চারজনকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশের কাছে তুলে দেওয়া হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, গোপন সূত্রে খবর পেয়ে এই অভিযান চালানো হয়েছে। কোনো রকম ক্ষয়ক্ষতি ছাড়াই অভিযানটি সফলভাবে শেষ হয়। উদ্ধার করা অস্ত্র ও বিস্ফোরক পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য কমলাপুর রেলওয়ে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।