চরচা ডেস্ক

জনগণের ‘গণতান্ত্রিক অধিকার আদায়ের সংগ্রামে’ অবদান রাখায় এ বছর শান্তিতে নোবেল পেয়েছেন ভেনেজুয়েলার বিরোধী দলীয় নেত্রী মারিয়া কোরিনা মাচাদো
নরওয়ের নোবেল ইন্সটিটিউট শুক্রবার অসলোতে এক সংবাদ সম্মেলনে ১০৬তম নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য মারিয়ার নাম ঘোষণা করে। এ পুরস্কারের অর্থমূল্য ১ কোটি ১০ লাখ সুইডিশ ক্রোনার, বা ১২ লাখ মার্কিন ডলার।
নোবেল কমিটি বলেছে, ভেনেজুয়েলার জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় মারিয়ার অক্লান্ত প্রচেষ্টা এবং স্বৈরশাসন থেকে গণতন্ত্রে ন্যায়সঙ্গত ও শান্তিপূর্ণ উত্তরণের সংগ্রামের জন্য তাকে এই পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।
নোবেল কমিটির ভাষ্য, গত এক বছরে মারিয়া কোরিনাকে আত্মগোপনে থাকতে হয়েছে। জীবনের ওপর গুরুতর হুমকি থাকা সত্ত্বেও তিনি দেশ ছেড়ে যাননি—এই সিদ্ধান্ত কোটি মানুষকে অনুপ্রাণিত করেছে। তিনি দেশের বিরোধী শক্তিগুলিকে একত্রিত করেছেন।
ভেনেজুয়েলায় সামরিকীকরণের বিরোধিতায় মারিয়া কখনো পিছু হটেননি। শান্তিপূর্ণভাবে গণতন্ত্রে উত্তরণের পক্ষে তার অবস্থান অটল ও দৃঢ় ছিল।

জনগণের ‘গণতান্ত্রিক অধিকার আদায়ের সংগ্রামে’ অবদান রাখায় এ বছর শান্তিতে নোবেল পেয়েছেন ভেনেজুয়েলার বিরোধী দলীয় নেত্রী মারিয়া কোরিনা মাচাদো
নরওয়ের নোবেল ইন্সটিটিউট শুক্রবার অসলোতে এক সংবাদ সম্মেলনে ১০৬তম নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য মারিয়ার নাম ঘোষণা করে। এ পুরস্কারের অর্থমূল্য ১ কোটি ১০ লাখ সুইডিশ ক্রোনার, বা ১২ লাখ মার্কিন ডলার।
নোবেল কমিটি বলেছে, ভেনেজুয়েলার জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় মারিয়ার অক্লান্ত প্রচেষ্টা এবং স্বৈরশাসন থেকে গণতন্ত্রে ন্যায়সঙ্গত ও শান্তিপূর্ণ উত্তরণের সংগ্রামের জন্য তাকে এই পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।
নোবেল কমিটির ভাষ্য, গত এক বছরে মারিয়া কোরিনাকে আত্মগোপনে থাকতে হয়েছে। জীবনের ওপর গুরুতর হুমকি থাকা সত্ত্বেও তিনি দেশ ছেড়ে যাননি—এই সিদ্ধান্ত কোটি মানুষকে অনুপ্রাণিত করেছে। তিনি দেশের বিরোধী শক্তিগুলিকে একত্রিত করেছেন।
ভেনেজুয়েলায় সামরিকীকরণের বিরোধিতায় মারিয়া কখনো পিছু হটেননি। শান্তিপূর্ণভাবে গণতন্ত্রে উত্তরণের পক্ষে তার অবস্থান অটল ও দৃঢ় ছিল।

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।