
জুলাই সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে বিতর্ক তুঙ্গে। বিএনপি ও বিরোধী জোট পরস্পরকে দুষছে? আসলে কে জালিয়াতি করেছে? এ নিয়ে চরচার সঙ্গে কথা বলেছেন বিএনপি নেতা মোশাররফ আহমেদ ঠাকুর।

জুলাই সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে বিতর্ক তুঙ্গে। বিএনপি ও বিরোধী জোট পরস্পরকে দুষছে? আসলে কে জালিয়াতি করেছে? এ নিয়ে চরচার সঙ্গে কথা বলেছেন এনসিপির যুগ্ম সদস্যসচিব হুমায়রা নূর।

জামায়াত আমির বলেন, “নিঃসন্দেহে আন্দোলন ছাড়া আমাদের আর কী করার আছে? আন্দোলন আমরা করব, জনগণকে সাথে নিয়েই করব। আন্দোলনের বিষয়ে ১১টি দল আমরা দ্রুত বসে সিদ্ধান্ত নেব এবং আপনাদের মাধ্যমে সিদ্ধান্ত জানানো হবে।”

আজ বুধবার বিকেলে বিরোধী দলীয় নেতা শফিকুর রহমান ওয়াক আউটের ঘোষণা দিয়ে বিরোধী জোটের সংসদ সদস্যদের নিয়ে সংসদ কক্ষ থেকে বের হয়ে যান।

কমিটিতে সরকারি দল, বিরোধী দল, অন্যান্য দল এবং স্বতন্ত্র সদস্যদেরও রাখা হবে। আগামী রোববারের মধ্যেই কমিটি গঠনের অগ্রগতি দেখা যেতে পারে বলেও জানান তিনি।

বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন ডাকার বিষয়ে আলোচনার জন্য জাতীয় সংসদে মুলতবি প্রস্তাব এনেছেন। গতকাল তার এ প্রস্তাব নিয়ে জাতীয় সংসদে সরকারি দল ও বিরোধী দলের সদস্যদের মধ্যে কয়েক দফায় বিতর্ক, হইচই ও হট্টগোল হয়। কিছু সময়ের জন্য সংসদে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

সংবিধানের নিয়ম অনুযায়ী, কোনো সংসদের শুরুর বৈঠক এবং বছরের প্রথম অধিবেশনে রাষ্ট্রপতি ভাষণ দেন। পরে সেই ভাষণের ওপর সংসদে আলোচনা হয়। এই ভাষণ সরকার নির্ধারণ করে দেয়।

দেশ ও জাতির কল্যাণে সরকার যে সিদ্ধান্ত ও পদক্ষেপ গ্রহণ করবে, সে সব ক্ষেত্রে আমাদের সমর্থন ও সহযোগিতা থাকবে উল্লেখ করে এই নেতা বলেন, “তবে দেশ ও জাতির ক্ষতি হয়–এমন কোনো সিদ্ধান্ত বা পদক্ষেপ নেওয়া হলে আমরা আমাদের দায়িত্ব অনুযায়ী ভূমিকা পালন করব।”

জামায়াত আমিরের ওই চিঠি নিয়ে সংবাদমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশ হওয়ার পর বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়।

প্রধান বিরোধী দল হিসেবে জামায়াতে ইসলামী শ্যাডো ক্যাবিনেট বা ছায়া মন্ত্রিসভা গঠন করতে চলেছে। অথচ নির্বাচনের ফল প্রকাশের আগ পর্যন্ত অনেকেই ধরে নিয়েছিলেন জামায়াত ক্ষমতায় আসতে চলেছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তেমন হলো না। কেন? তারই তথ্যানুগ বিশ্লেষণ করেছেন চরচার সম্পাদক সোহরাব হাসান।

বিভিন্ন মহলের সমালোচনার জবাবে রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন ১১ ডিসেম্বর রয়টার্সের সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, “আমি বিদায় নিতে আগ্রহী। আমি এখান থেকে চলে যেতে চাই। নির্বাচন না হওয়া পর্যন্ত আমাকে দায়িত্ব পালন করতে হবে। সাংবিধানিকভাবে রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব রয়েছে বলেই আমি এ অবস্থানে আছি।”

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে যখন নতুন সমীকরণ ও প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে, তখন ছায়া মন্ত্রিসভা নিয়ে আলোচনা নতুন মাত্রা পেয়েছে।বিরোধী দল নিজেদের বিকল্প সরকার হিসেবে গড়ে তুলতে এই কাঠামো ব্যবহার করে। এটি শুধু সমালোচনার প্ল্যাটফর্ম নয়, বরং বিকল্প শাসন ভাবনার পরীক্ষাগার।

শুরু থেকেই বাংলাদেশের নির্বাচন যেন অনিয়মের ইতিহাস। একেকটি নির্বাচন হয়েছে, আর কারচুপি, অনিয়মের নতুন নতুন পদ্ধতির সঙ্গে পরিচয় ঘটেছে দেশের মানুষের। এদেশের নির্বাচনী ইতিহাস ‘সূক্ষ্ম’ থেকে ‘স্থূল’ কারচুপি, ‘আমি–ডামি’, ‘রাতের ভোট’ আর গৃহপালিত বিরোধী দল তৈরির ইতিহাসই যেন।

৭৬টি দল নিয়ে বাংলাদেশে গঠিত হয়েছিল একটি নির্বাচনী জোট, সম্ভবত এটিই বিশ্বের সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক জোট। সেই জোটে কারা ছিলেন? জোট উদ্বোধন করেছিলেন দেশের রাষ্ট্রপতি! দেশের কোন নির্বাচনের মধ্য দিয়ে তৈরি হয়েছিল ‘গৃহপালিত বিরোধী দলের’ কৌতুক-ইতিহাস?

৭৬টি দল নিয়ে বাংলাদেশে গঠিত হয়েছিল একটি নির্বাচনী জোট, সম্ভবত এটিই বিশ্বের সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক জোট। সেই জোটে কারা ছিলেন? জোট উদ্বোধন করেছিলেন দেশের রাষ্ট্রপতি! দেশের কোন নির্বাচনের মধ্য দিয়ে তৈরি হয়েছিল ‘গৃহপালিত বিরোধী দলের’ কৌতুক-ইতিহাস?