চরচা প্রতিবেদক

ময়মনসিংহে নাশকতার পরিকল্পনা ও আইনশৃঙ্খলার অবনতি ঠেকাতে গত ২৪ ঘণ্টায় আওয়ামী লীগের ২০ নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
আজ বৃহস্পতিবার জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) কাজী আখতার উল আলম জানান, জেলার বিভিন্ন এলাকায় বুধবার রাত থেকে আজ সকাল পর্যন্ত এ অভিযান পরিচালিত হয়।
পুলিশ জানায়, সিটি কর্পোরেশন এলাকা ছাড়াও জেলার কয়েকটি উপজেলায় অভিযান চালিয়ে এই গ্রেপ্তার করা হয়। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ২৭টি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে চেকপোস্ট বসানো হয়েছে এবং যানবাহন ও পথচারীদের তল্লাশি চলছে।
পুলিশ সুপার আরও বলেন, “পুরো জেলায় বাড়ানো হয়েছে নজরদারি। প্রতিটি উপজেলায় পর্যাপ্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। এখন পর্যন্ত কোথাও বড় ধরনের বিশৃঙ্খলার ঘটনা ঘটেনি।”
তিনি আরও বলেন, “গত রাতে কিছু স্থানে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা মিছিলের চেষ্টা করেছিল। পুলিশ এগিয়ে গেলে তারা ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়।”

ময়মনসিংহে নাশকতার পরিকল্পনা ও আইনশৃঙ্খলার অবনতি ঠেকাতে গত ২৪ ঘণ্টায় আওয়ামী লীগের ২০ নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
আজ বৃহস্পতিবার জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) কাজী আখতার উল আলম জানান, জেলার বিভিন্ন এলাকায় বুধবার রাত থেকে আজ সকাল পর্যন্ত এ অভিযান পরিচালিত হয়।
পুলিশ জানায়, সিটি কর্পোরেশন এলাকা ছাড়াও জেলার কয়েকটি উপজেলায় অভিযান চালিয়ে এই গ্রেপ্তার করা হয়। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ২৭টি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে চেকপোস্ট বসানো হয়েছে এবং যানবাহন ও পথচারীদের তল্লাশি চলছে।
পুলিশ সুপার আরও বলেন, “পুরো জেলায় বাড়ানো হয়েছে নজরদারি। প্রতিটি উপজেলায় পর্যাপ্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। এখন পর্যন্ত কোথাও বড় ধরনের বিশৃঙ্খলার ঘটনা ঘটেনি।”
তিনি আরও বলেন, “গত রাতে কিছু স্থানে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা মিছিলের চেষ্টা করেছিল। পুলিশ এগিয়ে গেলে তারা ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়।”

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।