চরচা প্রতিবেদক

রাজধানীর মোহাম্মদপুর জেনেভা ক্যাম্পে প্রতিপক্ষের হামলায় গুরুতর আহত হয়েছেন ক্যাম্পের শীর্ষ সন্ত্রাসী হিসেবে পরিচিত ভূঁইয়া সোহেল ওরফে বুনিয়া সোহেল।
আজ শনিবার সন্ধ্যায় তার ওপর এই হামলার ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন মোহাম্মদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কাজী রফিকুল আহম্মেদ।
ক্যাম্পের ভেতরে সাত নম্বর ব্লকে তার ওপর এই হামলার ঘটনা ঘটে। পরে সেনাবাহিনী ও পুলিশ তাকে গুরুতর অবস্থায় উদ্ধার করে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে।
কাজী রফিকুল আহম্মেদ বলেন, “শনিবার সন্ধ্যায় ক্যাম্পের ভেতরে প্রতিপক্ষের হামলায় বুনিয়া সোহেল গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। বর্তমানে তিনি চিকিৎসাধীন। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে। অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলমান।”
স্থানীয় সূত্র জানায়, দীর্ঘদিন ধরে মাদক কারবার ও এলাকাভিত্তিক আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বুনিয়া সোহেলের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বী একটি গ্রুপের দ্বন্দ্ব চলছিল।আজ সেই বিরোধের জের ধরে চুয়া সেলিম, পিচ্ছি রাজা, পারমনু ও শাহ আলমসহ কয়েকজন তাকে ঘিরে ধরে ধারালো অস্ত্র দিয়ে হামলা চালায়। এতে তার মাথা, হাত ও শরীরের বিভিন্ন অংশে গুরুতর জখম হয়।
পরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছালে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়।

রাজধানীর মোহাম্মদপুর জেনেভা ক্যাম্পে প্রতিপক্ষের হামলায় গুরুতর আহত হয়েছেন ক্যাম্পের শীর্ষ সন্ত্রাসী হিসেবে পরিচিত ভূঁইয়া সোহেল ওরফে বুনিয়া সোহেল।
আজ শনিবার সন্ধ্যায় তার ওপর এই হামলার ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন মোহাম্মদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কাজী রফিকুল আহম্মেদ।
ক্যাম্পের ভেতরে সাত নম্বর ব্লকে তার ওপর এই হামলার ঘটনা ঘটে। পরে সেনাবাহিনী ও পুলিশ তাকে গুরুতর অবস্থায় উদ্ধার করে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে।
কাজী রফিকুল আহম্মেদ বলেন, “শনিবার সন্ধ্যায় ক্যাম্পের ভেতরে প্রতিপক্ষের হামলায় বুনিয়া সোহেল গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। বর্তমানে তিনি চিকিৎসাধীন। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে। অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলমান।”
স্থানীয় সূত্র জানায়, দীর্ঘদিন ধরে মাদক কারবার ও এলাকাভিত্তিক আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বুনিয়া সোহেলের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বী একটি গ্রুপের দ্বন্দ্ব চলছিল।আজ সেই বিরোধের জের ধরে চুয়া সেলিম, পিচ্ছি রাজা, পারমনু ও শাহ আলমসহ কয়েকজন তাকে ঘিরে ধরে ধারালো অস্ত্র দিয়ে হামলা চালায়। এতে তার মাথা, হাত ও শরীরের বিভিন্ন অংশে গুরুতর জখম হয়।
পরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছালে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়।

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।