বরিশাল প্রতিনিধি

ইসলামের পক্ষে বাংলাদেশে এখন একটাই বাক্স। সেই বাক্সই ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হাতপাখার বলে মন্তব্য করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির চরমোনাই পির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম।
আজ সোমবার বরিশাল-৪ আসনের মেহেন্দিগঞ্জের পাতারহাটের মুক্তিযোদ্ধা পার্কের বালুর মাঠে নির্বাচনী জনসভায় এসব কথা বলেন তিনি।
চরমোনাই পীর রেজাউল করীম বলেন, “যদি ক্ষমতাবান, এমপি মন্ত্রী হওয়ার জন্য রাজনীতি করতাম, তাহলে বাংলাদেশে অনেক আগেই আমরা এমপি-মন্ত্রী থাকতাম। আমরা শুধুমাত্র রাজনীতি করি। সন্তানহারা মায়ের চিৎকার, আমার ভাইয়েররা ধুকে ধুকে জেলের মধ্যে মারা যায়- তা সহ্য করতে পারি না, বিদেশি আগ্রাসন সহ্য করতে পারি না। এই পরিবর্তনের জন্যই আমরা রাজনীতি করি; সোনার দেশ বানানোর জন্য রাজনীতি করি।”
রেজাউল করীম আরও বলেন, “আর কারও ইসলামের পক্ষের বাক্স দাবি করার অধিকার নেই। তাই সবাইকে বলব নীতির সেরা, কালজয়ী আদর্শ ইসলামের পক্ষে হবে নতুনসহ সকলের ভোট, এটা আমার দাবি।”
ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী বিজয়ী হলে আপনাদের মুখে হাসি ফুটবে বলে জানান রেজাউল করীম।
এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন, ইসলামী আন্দোলনের সিনিয়র নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম, বরিশাল-৪ আসনের মনোনীত প্রার্থী মুফতি সৈয়দ এছহাক মুহাম্মদ আবুল খায়েরসহ স্থানীয় নেতাকর্মীরা।

ইসলামের পক্ষে বাংলাদেশে এখন একটাই বাক্স। সেই বাক্সই ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হাতপাখার বলে মন্তব্য করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির চরমোনাই পির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম।
আজ সোমবার বরিশাল-৪ আসনের মেহেন্দিগঞ্জের পাতারহাটের মুক্তিযোদ্ধা পার্কের বালুর মাঠে নির্বাচনী জনসভায় এসব কথা বলেন তিনি।
চরমোনাই পীর রেজাউল করীম বলেন, “যদি ক্ষমতাবান, এমপি মন্ত্রী হওয়ার জন্য রাজনীতি করতাম, তাহলে বাংলাদেশে অনেক আগেই আমরা এমপি-মন্ত্রী থাকতাম। আমরা শুধুমাত্র রাজনীতি করি। সন্তানহারা মায়ের চিৎকার, আমার ভাইয়েররা ধুকে ধুকে জেলের মধ্যে মারা যায়- তা সহ্য করতে পারি না, বিদেশি আগ্রাসন সহ্য করতে পারি না। এই পরিবর্তনের জন্যই আমরা রাজনীতি করি; সোনার দেশ বানানোর জন্য রাজনীতি করি।”
রেজাউল করীম আরও বলেন, “আর কারও ইসলামের পক্ষের বাক্স দাবি করার অধিকার নেই। তাই সবাইকে বলব নীতির সেরা, কালজয়ী আদর্শ ইসলামের পক্ষে হবে নতুনসহ সকলের ভোট, এটা আমার দাবি।”
ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী বিজয়ী হলে আপনাদের মুখে হাসি ফুটবে বলে জানান রেজাউল করীম।
এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন, ইসলামী আন্দোলনের সিনিয়র নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম, বরিশাল-৪ আসনের মনোনীত প্রার্থী মুফতি সৈয়দ এছহাক মুহাম্মদ আবুল খায়েরসহ স্থানীয় নেতাকর্মীরা।

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।