চরচা প্রতিবেদক

শরীয়তপুরের জাজিরায় ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় নবীন হোসেন নয়ন (২২) নামের আরও এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। এ নিয়ে এই ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল দুজনে।
সকাল সাড়ে ৭টার দিকে জাজিরা থানার চেরাগ আলী বেপারী কান্দি গ্রামের নাসির বেপারীর বাড়ির সামনে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
আহত অবস্থায় নয়নকে প্রথমে স্থানীয়ভাবে উদ্ধার করে পরে সকাল পৌনে ১২টার দিকে ঢামেকের জরুরি বিভাগে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে তিনি মারা যান।
নিহত নয়ন চেরাগ আলী বেপারী কান্দি এলাকার বাসিন্দা এবং রহিম সরদারের ছেলে। তিনি পেশায় একজন ওয়েল্ডিং মিস্ত্রি ছিলেন। একই ঘটনায় মো. আতিক (২৮) নামে আরও একজন আহত হন, যিনি বর্তমানে ঢামেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। আতিকের বাড়িও একই এলাকায়।
নয়নকে হাসপাতালে নিয়ে আসা মো. সুমন আহমেদ জানান, এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে নাসির বেপারী ও মান্নান বেপারী গ্রুপের মধ্যে প্রথমে মারামারি শুরু হয়। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে একপর্যায়ে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটে। এতে নয়নের মাথা ও মুখে গুরুতর আঘাত লাগে। পরে তাকে দ্রুত ঢাকায় পাঠানো হলেও শেষ পর্যন্ত তার মৃত্যু হয়।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. ফারুক নয়নের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট থানাকে বিষয়টি জানানো হয়েছে।
ভোরে জাজিরা উপজেলার বিলাসপুর ইউনিয়নের মুলাই বেপারী কান্দি এলাকায় সংঘর্ষ চলাকালে ককটেল বিস্ফোরণে ঘটনাস্থলেই সোহান বেপারী (৩২) নামে এক যুবক নিহত হন।

শরীয়তপুরের জাজিরায় ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় নবীন হোসেন নয়ন (২২) নামের আরও এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। এ নিয়ে এই ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল দুজনে।
সকাল সাড়ে ৭টার দিকে জাজিরা থানার চেরাগ আলী বেপারী কান্দি গ্রামের নাসির বেপারীর বাড়ির সামনে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
আহত অবস্থায় নয়নকে প্রথমে স্থানীয়ভাবে উদ্ধার করে পরে সকাল পৌনে ১২টার দিকে ঢামেকের জরুরি বিভাগে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে তিনি মারা যান।
নিহত নয়ন চেরাগ আলী বেপারী কান্দি এলাকার বাসিন্দা এবং রহিম সরদারের ছেলে। তিনি পেশায় একজন ওয়েল্ডিং মিস্ত্রি ছিলেন। একই ঘটনায় মো. আতিক (২৮) নামে আরও একজন আহত হন, যিনি বর্তমানে ঢামেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। আতিকের বাড়িও একই এলাকায়।
নয়নকে হাসপাতালে নিয়ে আসা মো. সুমন আহমেদ জানান, এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে নাসির বেপারী ও মান্নান বেপারী গ্রুপের মধ্যে প্রথমে মারামারি শুরু হয়। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে একপর্যায়ে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটে। এতে নয়নের মাথা ও মুখে গুরুতর আঘাত লাগে। পরে তাকে দ্রুত ঢাকায় পাঠানো হলেও শেষ পর্যন্ত তার মৃত্যু হয়।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. ফারুক নয়নের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট থানাকে বিষয়টি জানানো হয়েছে।
ভোরে জাজিরা উপজেলার বিলাসপুর ইউনিয়নের মুলাই বেপারী কান্দি এলাকায় সংঘর্ষ চলাকালে ককটেল বিস্ফোরণে ঘটনাস্থলেই সোহান বেপারী (৩২) নামে এক যুবক নিহত হন।

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।