চরচা ডেস্ক

যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে আটক বাগেরহাট সদর উপজেলা ছাত্রলীগের (নিষিদ্ধঘোষিত) সভাপতি জুয়েল হাসান সাদ্দামের স্ত্রী ও সন্তানের মৃত্যুর ঘটনায় তীব্র নিন্দা, ক্ষোভ ও গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে মানবাধিকার সংস্কৃতি ফাউন্ডেশন (এমএসএফ)। আজ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই নিন্দা জানানো হয়।
এমএসএফ বলছে, বাগেরহাটে এক মর্মান্তিক ঘটনায় এক গৃহবধূ ও তার নয় মাস বয়সী শিশুপুত্রের মৃত্যুর ঘটনা গভীর উদ্বেগ ও শোকের সৃষ্টি করেছে। নিহত গৃহবধূ কানিজ সুবর্ণা (২২) নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের বাগেরহাট সদর উপজেলা সভাপতি জুয়েল হাসানের স্ত্রী। জুয়েল হাসান বর্তমানে যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দী।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ জানুয়ারি বাগেরহাট সদর উপজেলার সাবেকডাঙ্গা গ্রাম থেকে কানিজ সুবর্ণার ঝুলন্ত মরদেহ এবং তার শিশুপুত্র সেজাদ হাসানের নিথর দেহ উদ্ধার করে পুলিশ। আজ ২৫ জানুয়ারি ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ দুটি পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। কারা কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয় প্রশাসন জুয়েলকে তার মৃত স্ত্রী ও শিশুপুত্রকে দেখার ব্যবস্থা না করা কি অপরাধ নয়? এ প্রশ্ন কিন্তু উঠছে সর্বস্তরে।
এমএসএফ বলছে, পরবর্তীতে মানবিক বিবেচনায় বিকেল সোয়া চারটার দিকে লাশবাহী অ্যাম্বুলেন্সে করে মরদেহ দুটি যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে নেওয়া হয়। সেখানে কারাফটকে দাঁড়িয়ে বন্দী জুয়েল হাসান শেষবারের মতো তার স্ত্রী ও সন্তানকে দেখেন। কারা কর্তৃপক্ষ জানায়, প্যারোলে মুক্তির জন্য জেলা প্রশাসকের অনুমোদন না থাকলেও মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে কারাফটকে এই সুযোগ দেওয়া হয়।
পরিবারের সদস্যরা জানান, দীর্ঘদিন ধরে স্বামী কারাবন্দী থাকায় কানিজ সুবর্ণা মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন। তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এখনও স্পষ্ট নয়। নিহতের বাবা আজ সদর মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন, যেখানে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর ঘটনার প্রকৃত কারণ সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
এমএসএফ বলছে, এই মর্মান্তিক ঘটনা আবারও কারাবন্দী ব্যক্তিদের পরিবার, বিশেষ করে নারী ও শিশুদের মানসিক স্বাস্থ্য, নিরাপত্তা এবং সামাজিক সহায়তার বিষয়টি সামনে নিয়ে এসেছে। একটি শিশুর জন্মের পর বাবার কোলে ওঠার সুযোগ না পাওয়া এবং শেষ পর্যন্ত এমন করুণ পরিণতি আমাদের সমাজ ও রাষ্ট্রীয় দায়িত্বের বিষয়ে গভীরভাবে ভাবতে বাধ্য করে ।
মানবাধিকার সংস্কৃতি ফাউন্ডেশন (এমএসএফ) এই ঘটনার নিরপেক্ষ, স্বচ্ছ ও দ্রুত তদন্ত দাবি করছে এবং একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট পরিবারকে প্রয়োজনীয় মানসিক, সামাজিক ও আইনি সহায়তা প্রদানের আহ্বান জানাচ্ছে।

যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে আটক বাগেরহাট সদর উপজেলা ছাত্রলীগের (নিষিদ্ধঘোষিত) সভাপতি জুয়েল হাসান সাদ্দামের স্ত্রী ও সন্তানের মৃত্যুর ঘটনায় তীব্র নিন্দা, ক্ষোভ ও গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে মানবাধিকার সংস্কৃতি ফাউন্ডেশন (এমএসএফ)। আজ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই নিন্দা জানানো হয়।
এমএসএফ বলছে, বাগেরহাটে এক মর্মান্তিক ঘটনায় এক গৃহবধূ ও তার নয় মাস বয়সী শিশুপুত্রের মৃত্যুর ঘটনা গভীর উদ্বেগ ও শোকের সৃষ্টি করেছে। নিহত গৃহবধূ কানিজ সুবর্ণা (২২) নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের বাগেরহাট সদর উপজেলা সভাপতি জুয়েল হাসানের স্ত্রী। জুয়েল হাসান বর্তমানে যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দী।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ জানুয়ারি বাগেরহাট সদর উপজেলার সাবেকডাঙ্গা গ্রাম থেকে কানিজ সুবর্ণার ঝুলন্ত মরদেহ এবং তার শিশুপুত্র সেজাদ হাসানের নিথর দেহ উদ্ধার করে পুলিশ। আজ ২৫ জানুয়ারি ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ দুটি পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। কারা কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয় প্রশাসন জুয়েলকে তার মৃত স্ত্রী ও শিশুপুত্রকে দেখার ব্যবস্থা না করা কি অপরাধ নয়? এ প্রশ্ন কিন্তু উঠছে সর্বস্তরে।
এমএসএফ বলছে, পরবর্তীতে মানবিক বিবেচনায় বিকেল সোয়া চারটার দিকে লাশবাহী অ্যাম্বুলেন্সে করে মরদেহ দুটি যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে নেওয়া হয়। সেখানে কারাফটকে দাঁড়িয়ে বন্দী জুয়েল হাসান শেষবারের মতো তার স্ত্রী ও সন্তানকে দেখেন। কারা কর্তৃপক্ষ জানায়, প্যারোলে মুক্তির জন্য জেলা প্রশাসকের অনুমোদন না থাকলেও মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে কারাফটকে এই সুযোগ দেওয়া হয়।
পরিবারের সদস্যরা জানান, দীর্ঘদিন ধরে স্বামী কারাবন্দী থাকায় কানিজ সুবর্ণা মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন। তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এখনও স্পষ্ট নয়। নিহতের বাবা আজ সদর মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন, যেখানে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর ঘটনার প্রকৃত কারণ সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
এমএসএফ বলছে, এই মর্মান্তিক ঘটনা আবারও কারাবন্দী ব্যক্তিদের পরিবার, বিশেষ করে নারী ও শিশুদের মানসিক স্বাস্থ্য, নিরাপত্তা এবং সামাজিক সহায়তার বিষয়টি সামনে নিয়ে এসেছে। একটি শিশুর জন্মের পর বাবার কোলে ওঠার সুযোগ না পাওয়া এবং শেষ পর্যন্ত এমন করুণ পরিণতি আমাদের সমাজ ও রাষ্ট্রীয় দায়িত্বের বিষয়ে গভীরভাবে ভাবতে বাধ্য করে ।
মানবাধিকার সংস্কৃতি ফাউন্ডেশন (এমএসএফ) এই ঘটনার নিরপেক্ষ, স্বচ্ছ ও দ্রুত তদন্ত দাবি করছে এবং একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট পরিবারকে প্রয়োজনীয় মানসিক, সামাজিক ও আইনি সহায়তা প্রদানের আহ্বান জানাচ্ছে।

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।