চরচা প্রতিবেদক

রাজধানীর কারওয়ান বাজারে চাঁদাবাজি ও দখল বাণিজ্যকে কেন্দ্র করেই স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মো. আজিজুর রহমান মোসাব্বিরকে হত্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি)।
এই হত্যাকান্ডের নির্দেশদাতা ‘আন্ডারওয়ার্ল্ড সন্ত্রাসী’ দিলীপ ওরফে বিনাশ বলেও জানানো হয়েছে।
আজ শনিবার মিন্টো রোডে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে এক ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান ডিবি প্রধান অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম।
এই পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, মোসাব্বির হত্যার পর পরই ঘটনাস্থল থেকে সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করা হয়। ডিবির একাধিক টিম রাজধানীর ঢাকা, মানিকগঞ্জ, ময়মনসিংহ, নেত্রকোনো জেলায় ধারাবাহিক অভিযান পরিচালনা করে শ্যুটার জিন্নাত, সমন্বয়কারী বিল্লাল, আত্মগোপনে সহায়তাকারী আব্দুল কাদের, ঘটনাস্থল রেকি করা রিয়াজকে গ্রেপ্তার করেছে। পাশাপাশি হত্যায় ব্যবহার হওয়া অস্ত্র উদ্ধারে তৎপরাতা অব্যহত রাখে।
শফিকুল ইসলাম আরও বলেন, এরই ধারাবাহিকতায় শুক্রবার নরসিংদীর মাধবদী পৌরসভার মোনহরদী থানা এলাকার জনৈক শাহজাহান খলিফার ভাড়া বাড়ি থেকে দুইটি বিদেশি পিস্তল, দুইটি ম্যাগাজিন, ১২ রাউন্ড গুলিসহ হত্যাকান্ডে অংশগ্রহণকারী অন্যতম শ্যুটার মো. রহিমকে গ্রেপ্তার করা হয়। এই বিষয়ে মাধবদী থানায় অস্ত্র আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
ব্রিফিংয়ে হত্যাকান্ডের কারণ সম্পর্কে জানতে চাইলে ডিবি প্রধান বলেন, “কারওয়ান বাজার একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও কাঁচাবাজারের বড় জায়গা। সেখানের দখল বাণিজ্য এবং চাঁদাবাজিকে কেন্দ্র করে এই হত্যাকাণ্ড হয়েছে বলে আমরা প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছি।”
দলীয় লোকজনের সঙ্গে চাঁদাবাজি নিয়ে বিরোধ ছিল কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, “চাঁদাবাজদের কোনো দল নেই। কারওয়ান বাজারে বিভিন্ন নামে ৮-৯টি গ্রুপ চাঁদা তোলে। এই সিন্ডিকেটটি আমরা ভেঙ্গে দেওয়ার চেষ্টা করছি। আমরা অচিরেই এটা নিয়ে অপারেশন করব।”
বিনাশের অর্থায়নে মোসাব্বির হত্যাকাণ্ড হয়েছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, “দিলীপ ওরফে বিনাশ এমন একটি নাম এসেছে। আমরা প্রাথমিকভাবে তার সংশ্লিষ্টতা পেয়েছি। যেই আসামিগুলো ধরা হয়েছে, তাদের প্রত্যেকের সঙ্গে তার সংশ্লিষ্টতা ছিল। একজন আসামি ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিও দিয়েছে। ওদের কথায়ও উঠে এসেছে, দাদা আছে, দাদা দেখবে। আমরা প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছি, তার নির্দেশেই এই হত্যাকাণ্ড হয়েছে।”
বিনাশের পরিচয় জানতে চাইলে এই কর্মকর্তা বলেন, “বিনাশ আন্ডারওয়ার্ল্ডের একজন সন্ত্রাসী। তিনি দেশের বাইরে আছেন। তবে তার রাজনৈতিক পরিচয় জানতে পারিনি।”
অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার শফিকুল আরও বলেন, “সামনে নির্বাচন। এই মুহূর্তে দেশকে অস্থিতিশীল করার জন্য অনেকে তৎপর আছে। এই মাসে আমরা সর্বাধিক সংখ্যক প্রায় ১৩টির মতো আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করেছি। অন্যান্য সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে আমরা আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করছি।”
গত ৭ জানুয়ারি রাতে পশ্চিম তেজতুরী বাজার এলাকায় বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা শেষে মোসাব্বির বাসায় ফিরছিলেন। রাত ৮টা ১০ মিনিটের দিকে আহসানউল্লাহ ইনস্টিটিউটের সামনে অজ্ঞাত ৪-৫ জন তাকে গতিরোধ করে গুলি করে। তাকে বাঁচাতে গেলে সঙ্গে থাকা সুফিয়ান বেপারী মাসুদকেও গুলি করা হয়। পরে স্থানীয়রা তাদের হাসপাতালে নিলে মুসাব্বিরকে মৃত ঘোষণা করা হয় এবং মাসুদকে ঢাকা মেডিকেলে ভর্তি করা হয়।

রাজধানীর কারওয়ান বাজারে চাঁদাবাজি ও দখল বাণিজ্যকে কেন্দ্র করেই স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মো. আজিজুর রহমান মোসাব্বিরকে হত্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি)।
এই হত্যাকান্ডের নির্দেশদাতা ‘আন্ডারওয়ার্ল্ড সন্ত্রাসী’ দিলীপ ওরফে বিনাশ বলেও জানানো হয়েছে।
আজ শনিবার মিন্টো রোডে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে এক ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান ডিবি প্রধান অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম।
এই পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, মোসাব্বির হত্যার পর পরই ঘটনাস্থল থেকে সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করা হয়। ডিবির একাধিক টিম রাজধানীর ঢাকা, মানিকগঞ্জ, ময়মনসিংহ, নেত্রকোনো জেলায় ধারাবাহিক অভিযান পরিচালনা করে শ্যুটার জিন্নাত, সমন্বয়কারী বিল্লাল, আত্মগোপনে সহায়তাকারী আব্দুল কাদের, ঘটনাস্থল রেকি করা রিয়াজকে গ্রেপ্তার করেছে। পাশাপাশি হত্যায় ব্যবহার হওয়া অস্ত্র উদ্ধারে তৎপরাতা অব্যহত রাখে।
শফিকুল ইসলাম আরও বলেন, এরই ধারাবাহিকতায় শুক্রবার নরসিংদীর মাধবদী পৌরসভার মোনহরদী থানা এলাকার জনৈক শাহজাহান খলিফার ভাড়া বাড়ি থেকে দুইটি বিদেশি পিস্তল, দুইটি ম্যাগাজিন, ১২ রাউন্ড গুলিসহ হত্যাকান্ডে অংশগ্রহণকারী অন্যতম শ্যুটার মো. রহিমকে গ্রেপ্তার করা হয়। এই বিষয়ে মাধবদী থানায় অস্ত্র আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
ব্রিফিংয়ে হত্যাকান্ডের কারণ সম্পর্কে জানতে চাইলে ডিবি প্রধান বলেন, “কারওয়ান বাজার একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও কাঁচাবাজারের বড় জায়গা। সেখানের দখল বাণিজ্য এবং চাঁদাবাজিকে কেন্দ্র করে এই হত্যাকাণ্ড হয়েছে বলে আমরা প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছি।”
দলীয় লোকজনের সঙ্গে চাঁদাবাজি নিয়ে বিরোধ ছিল কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, “চাঁদাবাজদের কোনো দল নেই। কারওয়ান বাজারে বিভিন্ন নামে ৮-৯টি গ্রুপ চাঁদা তোলে। এই সিন্ডিকেটটি আমরা ভেঙ্গে দেওয়ার চেষ্টা করছি। আমরা অচিরেই এটা নিয়ে অপারেশন করব।”
বিনাশের অর্থায়নে মোসাব্বির হত্যাকাণ্ড হয়েছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, “দিলীপ ওরফে বিনাশ এমন একটি নাম এসেছে। আমরা প্রাথমিকভাবে তার সংশ্লিষ্টতা পেয়েছি। যেই আসামিগুলো ধরা হয়েছে, তাদের প্রত্যেকের সঙ্গে তার সংশ্লিষ্টতা ছিল। একজন আসামি ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিও দিয়েছে। ওদের কথায়ও উঠে এসেছে, দাদা আছে, দাদা দেখবে। আমরা প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছি, তার নির্দেশেই এই হত্যাকাণ্ড হয়েছে।”
বিনাশের পরিচয় জানতে চাইলে এই কর্মকর্তা বলেন, “বিনাশ আন্ডারওয়ার্ল্ডের একজন সন্ত্রাসী। তিনি দেশের বাইরে আছেন। তবে তার রাজনৈতিক পরিচয় জানতে পারিনি।”
অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার শফিকুল আরও বলেন, “সামনে নির্বাচন। এই মুহূর্তে দেশকে অস্থিতিশীল করার জন্য অনেকে তৎপর আছে। এই মাসে আমরা সর্বাধিক সংখ্যক প্রায় ১৩টির মতো আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করেছি। অন্যান্য সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে আমরা আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করছি।”
গত ৭ জানুয়ারি রাতে পশ্চিম তেজতুরী বাজার এলাকায় বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা শেষে মোসাব্বির বাসায় ফিরছিলেন। রাত ৮টা ১০ মিনিটের দিকে আহসানউল্লাহ ইনস্টিটিউটের সামনে অজ্ঞাত ৪-৫ জন তাকে গতিরোধ করে গুলি করে। তাকে বাঁচাতে গেলে সঙ্গে থাকা সুফিয়ান বেপারী মাসুদকেও গুলি করা হয়। পরে স্থানীয়রা তাদের হাসপাতালে নিলে মুসাব্বিরকে মৃত ঘোষণা করা হয় এবং মাসুদকে ঢাকা মেডিকেলে ভর্তি করা হয়।

প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর গণমাধ্যমকে জানান, আগের সরকারের সময়ে নেওয়া ১ হাজার ৩০০টির অধিক উন্নয়ন ও অবকাঠামো প্রকল্প রয়েছে, যেগুলোর অনিয়ম ও যৌক্তিকতা খতিয়ে দেখতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে কমিটি করা হয়েছে।