চরচা ডেস্ক

বেতন কাঠামোর ১১তম গ্রেড বাস্তবায়নের আশ্বাস পাওয়ার পর সব ধরনের আন্দোলন কর্মসূচি প্রত্যাহার করেছেন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকরা।
সোমবার রাতে সচিবালয়ে অর্থ সচিব মো. খায়েরুজ্জামান মজুমদার এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আবু তাহের মো. মাসুদ রানার সঙ্গে শিক্ষক নেতাদের বৈঠক শেষে এসব তথ্য জানা যায়।
প্রাথমিক শিক্ষক দাবি বাস্তবায়ন পরিষদের আহ্বায়ক খায়রুন নাহার লিপি সাংবাদিকদের বলেন, “আমাদের মূল দাবি ছিল ১০ম গ্রেডে বেতন কাঠামো, তবে অর্থ মন্ত্রণালয় আমাদের জন্য ১১তম গ্রেড বাস্তবায়নের নিশ্চয়তা দিয়েছে এবং প্রেস বিজ্ঞপ্তিও প্রকাশ করেছে। আমরা সরকারের প্রতি আস্থা রেখে আগামীকাল থেকে সব আন্দোলন ও কর্মসূচি প্রত্যাহার করছি।”
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকেরা দীর্ঘদিন ধরে তাদের বেতন ১০ম গ্রেডে উন্নীত করার দাবিতে আন্দোলন করে আসছিলেন। আন্দোলনের অংশ হিসেবে তারা রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে লাগাতার অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন এবং সারা দেশে কর্মবিরতি ঘোষণা দেন।
বর্তমানে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকরা জাতীয় বেতন স্কেলের ১৩তম গ্রেডে বেতন পান। অন্যদিকে প্রধান শিক্ষকদের বেতন ১১তম গ্রেডে। দীর্ঘদিনের এই বৈষম্য দূর করতে সহকারী শিক্ষকরা দাবি জানিয়ে আসছিলেন।
সরকারের সর্বশেষ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সহকারী শিক্ষকদের বেতন ১১তম গ্রেডে উন্নীত করার প্রক্রিয়া দ্রুত শুরু হবে বলে জানানো হয়েছে। শিক্ষক নেতারা আশা প্রকাশ করেছেন, সরকারের এই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়িত হলে প্রাথমিক শিক্ষকদের দীর্ঘদিনের ক্ষোভ ও হতাশা দূর হবে এবং শিক্ষাক্ষেত্রে স্থিতিশীলতা ফিরে আসবে।

বেতন কাঠামোর ১১তম গ্রেড বাস্তবায়নের আশ্বাস পাওয়ার পর সব ধরনের আন্দোলন কর্মসূচি প্রত্যাহার করেছেন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকরা।
সোমবার রাতে সচিবালয়ে অর্থ সচিব মো. খায়েরুজ্জামান মজুমদার এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আবু তাহের মো. মাসুদ রানার সঙ্গে শিক্ষক নেতাদের বৈঠক শেষে এসব তথ্য জানা যায়।
প্রাথমিক শিক্ষক দাবি বাস্তবায়ন পরিষদের আহ্বায়ক খায়রুন নাহার লিপি সাংবাদিকদের বলেন, “আমাদের মূল দাবি ছিল ১০ম গ্রেডে বেতন কাঠামো, তবে অর্থ মন্ত্রণালয় আমাদের জন্য ১১তম গ্রেড বাস্তবায়নের নিশ্চয়তা দিয়েছে এবং প্রেস বিজ্ঞপ্তিও প্রকাশ করেছে। আমরা সরকারের প্রতি আস্থা রেখে আগামীকাল থেকে সব আন্দোলন ও কর্মসূচি প্রত্যাহার করছি।”
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকেরা দীর্ঘদিন ধরে তাদের বেতন ১০ম গ্রেডে উন্নীত করার দাবিতে আন্দোলন করে আসছিলেন। আন্দোলনের অংশ হিসেবে তারা রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে লাগাতার অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন এবং সারা দেশে কর্মবিরতি ঘোষণা দেন।
বর্তমানে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকরা জাতীয় বেতন স্কেলের ১৩তম গ্রেডে বেতন পান। অন্যদিকে প্রধান শিক্ষকদের বেতন ১১তম গ্রেডে। দীর্ঘদিনের এই বৈষম্য দূর করতে সহকারী শিক্ষকরা দাবি জানিয়ে আসছিলেন।
সরকারের সর্বশেষ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সহকারী শিক্ষকদের বেতন ১১তম গ্রেডে উন্নীত করার প্রক্রিয়া দ্রুত শুরু হবে বলে জানানো হয়েছে। শিক্ষক নেতারা আশা প্রকাশ করেছেন, সরকারের এই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়িত হলে প্রাথমিক শিক্ষকদের দীর্ঘদিনের ক্ষোভ ও হতাশা দূর হবে এবং শিক্ষাক্ষেত্রে স্থিতিশীলতা ফিরে আসবে।

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।