আশুলিয়ার শ্রীপুরের মাদরাসা ট্রাস্টের নিয়ন্ত্রণ ও মার্কেট দখলে নিতে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় মাদরাসায় থাকা নগদ অর্থ লুটপাট, সিসিটিভি কন্ট্রোল ইউনিট, মোবাইল ফোন ও একটি ল্যাপটপ নিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা।
গতকাল রোববার বিকেলে আসরের নামাজের পর শ্রীপুর এলাকার তাহফিজুল কুরআনিল কারিম ফাজিল (স্নাতক) মাদরাসা ও আছিয়া আশরাফ মহিলা মাদরাসা এ হামলা ঘটে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তারিকুল ইসলাম। খবর ইউএনবির।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, হেলমেট ও মুখোশ পরা এবং দেশীয় অস্ত্র ও লাঠি হাতে শতাধিক ব্যক্তি পেছন দিক দিয়ে মাদরাসা প্রাঙ্গণে ঢুকে প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন স্থানে ভাঙচুর চালায়। পুলিশকে খবর দেওয়া হলে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর পর হামলাকারীরা নগদ টাকা ও অন্যান্য মূল্যবান জিনিসপত্র নিয়ে পালিয়ে যায়।
প্রতিষ্ঠানটির সহকারী প্রশাসনিক কর্মকর্তা লিটন গাজী বলেন, ট্রাস্টের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা থেকে দুর্বৃত্তরা মাদরাসায় হামলা চালায়।
লিটন গাজী অভিযোগ করেন, হামলাকারীরা কার্যালয় থেকে নগদ টাকা লুট করে এবং সিসিটিভির নিয়ন্ত্রণ ইউনিট, মোবাইল ফোন ও একটি ল্যাপটপ নিয়ে যায়। তারা কয়েকটি কক্ষে থাকা আসবাবপত্র, কম্পিউটার ও কাচের জিনিসপত্রও ভাঙচুর করে।
লিটন অভিযোগ করেন, হাসান, হুমায়ুন ও ‘ছোট’ জাকির হামলা ও লুটপাটের ঘটনার নেতৃত্ব দেন। তিনি আরও বলেন, ট্রাস্টি বোর্ডের গঠন নিয়ে কোনো বিরোধ নেই। এ বিষয়ে বর্তমানে আদালতের নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।
পুলিশ কর্মকর্তা তারিকুল ইসলাম বলেন, তিনি ঢাকায় একটি বৈঠকে ছিলেন। দারুল ইহসান ট্রাস্টের অধীনে থাকা মাদরাসায় সংঘর্ষের ঘটনার খবর তিনি পেয়েছেন।
তারিকুল ইসলাম বলেন, ট্রাস্টি বোর্ডের ব্যবস্থাপনা অথবা মাদরাসার সামনে থাকা দোকানের দখল নিয়ে বিরোধ থেকে এ ঘটনা ঘটে থাকতে পারে।