চরচা প্রতিবেদক

রাজধানীর পল্লবীর ওয়াপদা বিহারী ক্যাম্প এলাকার একটি বাসা থেকে স্বামী-স্ত্রীসহ দুই সন্তানের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে প্রাথমিকভাবে নিহতদের পরিচয় জানাতে পারেনি পুলিশ।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহগুলো উদ্ধার করা হয়। পল্লবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম আলমগীর জাহান মরদেহ উদ্ধারের তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
আলমগীর জাহান জানান, খবর পাওয়ার পর পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে চারজনের মরদেহ উদ্ধার করে। এ ঘটনায় সিআইডির ক্রাইম সিন ইউনিটও ঘটনাস্থলে উপস্থিত রয়েছে। সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত শেষে মরদেহগুলো ময়নাতদন্তের জন্য সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে।
পুলিশ জানায়, তাৎক্ষণিকভাবে নিহতদের নাম-পরিচয় জানা যায়নি। তবে প্রতিবেশীদের সঙ্গে কথা বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, পরিবারটি দীর্ঘদিন আর্থিক সংকটে ভুগছিল এবং ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়েছিল।
আলমগীর জাহান জানান, প্রাথমিকভাবে পুলিশের ধারণা, আর্থিক হতাশা থেকেই এ পরিবারের সদস্যরা আত্মহত্যা করতে পারে। তবে ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।

রাজধানীর পল্লবীর ওয়াপদা বিহারী ক্যাম্প এলাকার একটি বাসা থেকে স্বামী-স্ত্রীসহ দুই সন্তানের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে প্রাথমিকভাবে নিহতদের পরিচয় জানাতে পারেনি পুলিশ।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহগুলো উদ্ধার করা হয়। পল্লবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম আলমগীর জাহান মরদেহ উদ্ধারের তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
আলমগীর জাহান জানান, খবর পাওয়ার পর পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে চারজনের মরদেহ উদ্ধার করে। এ ঘটনায় সিআইডির ক্রাইম সিন ইউনিটও ঘটনাস্থলে উপস্থিত রয়েছে। সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত শেষে মরদেহগুলো ময়নাতদন্তের জন্য সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে।
পুলিশ জানায়, তাৎক্ষণিকভাবে নিহতদের নাম-পরিচয় জানা যায়নি। তবে প্রতিবেশীদের সঙ্গে কথা বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, পরিবারটি দীর্ঘদিন আর্থিক সংকটে ভুগছিল এবং ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়েছিল।
আলমগীর জাহান জানান, প্রাথমিকভাবে পুলিশের ধারণা, আর্থিক হতাশা থেকেই এ পরিবারের সদস্যরা আত্মহত্যা করতে পারে। তবে ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।