সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম খাতুনের মরদেহ বাড়িতে নিতে টাকা ধার করছে তার পরিবার। অ্যাম্বুলেন্সের ভাড়া জোগাড় করতে ১৭ হাজার টাকা ধার করতে হয়েছে স্বজনদের। এমনটি জানিয়েছেন মরিয়মের বাবা মাসুম বিল্লাহ।
মাসুম বিল্লাহ চরচাকে বলেন, “আমার কাছে টাকা পয়সা যা ছিলো সব খরচ হয়ে গেছে এখন কয়েকজনকে বলছি। তাদের টাকা পাঠানোর কথা।”
সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজে হাসপাতালের গিয়ে দেখা যায়, নিহত মরিয়মের ফুফা সিকান্দার এবং মরিয়মের বাবা ফোন করে কয়েকজনকে টাকার জন্য বলছে। এই বিষয়ে মরিয়মের ফুফা সিকান্দার চরচাকে বলেন, “এমপির পরিবারের পক্ষ থেকে কেউ যোগাযোগ করেনি আমাদের সাথে। তাদের ঘরের বউ ছিলো কিন্তু এই ঘটনার পর তাদের কোন খবর নেই।”
সোমবার দুপুর আড়াইটাই ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহটি পরিবারের কাছে হস্তান্তর করে প্রশাসন। এসময় এই মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শেরে বাংলা নগর থানার সাব ইন্সপেক্টর জাহাঙ্গীর উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে দ্বিতীয় স্ত্রীকে আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলায় সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য
গাজী নজরুল ইসলামের চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। একই মামলায় তার প্রথম স্ত্রী মাকছুদা বেগমের এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর হয়েছে।
শেরে বাংলা নগর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শামসুদ্দোহা সরকার আদালতে এ রিমান্ড আবেদন করেন।
এর আগে, রোববার রাতে রাজধানীর শেরে বাংলা নগর থানাধীন ন্যাম ভবনের ৫ নম্বর বিল্ডিংয়ের তৃতীয়তলায় ২০৩ নম্বর ফ্ল্যাট থেকে মরিয়মের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
খবর পেয়ে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে। তখন বাসায় থাকা নজরুল ও তার প্রথম স্ত্রীকে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ। একই সময়ে নিহত মরিয়মের বাবাও উপস্থিত ছিলেন। তিনি মামলা করার পর এমপি ও তার প্রথম স্ত্রীকে গ্রেপ্তার দেখায় পুলিশ।