চরচা ডেস্ক

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলার আমতলি এলাকায় গ্রামীণ ব্যাংকের একটি শাখায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।
বুধবার রাতে দুর্বৃত্তরা শাখা কার্যালয়ে আগুন দেয় বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা ইউএনবি।
বিজয়নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুল ইসলাম জানান, রাত আনুমানিক ২টার দিকে ব্যাংকের নিরাপত্তাকর্মীরা আগুনের ধোঁয়া দেখে বিষয়টি টের পান। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় তারা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। ফায়ার সার্ভিসের আগেই আগুন বেশিরভাগ নিভে যায়, ফলে বড় কোনো দুর্ঘটনা ঘটেনি।
গ্রামীণ ব্যাংকের ব্যবস্থাপক মো. কালিম উদ্দিন জানান, আগুন নেভানোর পর দেখা যায় ব্যাংকের একটি জানালার কাঁচ ভাঙা ছিল। ভেতরে কাঠের টুকরো ও দুটি বোতলের ঢাকনা পাওয়া যায়। তার ধারণা, দুর্বৃত্তরা ভাঙা জানালা দিয়ে দাহ্য পদার্থ নিক্ষেপ করে আগুন ধরিয়ে দেয়।
অগ্নিকাণ্ডে অফিসের তিনটি সিলিং ফ্যান, একটি শেলফ এবং বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র পুড়ে গেছে। প্রাথমিকভাবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ করা যায়নি।
এ ঘটনায় বিজয়নগর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে। ওসি শহিদুল ইসলাম বলেন, “আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। প্রাথমিকভাবে এটি নাশকতা বলে মনে হচ্ছে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।”

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলার আমতলি এলাকায় গ্রামীণ ব্যাংকের একটি শাখায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।
বুধবার রাতে দুর্বৃত্তরা শাখা কার্যালয়ে আগুন দেয় বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা ইউএনবি।
বিজয়নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুল ইসলাম জানান, রাত আনুমানিক ২টার দিকে ব্যাংকের নিরাপত্তাকর্মীরা আগুনের ধোঁয়া দেখে বিষয়টি টের পান। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় তারা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। ফায়ার সার্ভিসের আগেই আগুন বেশিরভাগ নিভে যায়, ফলে বড় কোনো দুর্ঘটনা ঘটেনি।
গ্রামীণ ব্যাংকের ব্যবস্থাপক মো. কালিম উদ্দিন জানান, আগুন নেভানোর পর দেখা যায় ব্যাংকের একটি জানালার কাঁচ ভাঙা ছিল। ভেতরে কাঠের টুকরো ও দুটি বোতলের ঢাকনা পাওয়া যায়। তার ধারণা, দুর্বৃত্তরা ভাঙা জানালা দিয়ে দাহ্য পদার্থ নিক্ষেপ করে আগুন ধরিয়ে দেয়।
অগ্নিকাণ্ডে অফিসের তিনটি সিলিং ফ্যান, একটি শেলফ এবং বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র পুড়ে গেছে। প্রাথমিকভাবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ করা যায়নি।
এ ঘটনায় বিজয়নগর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে। ওসি শহিদুল ইসলাম বলেন, “আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। প্রাথমিকভাবে এটি নাশকতা বলে মনে হচ্ছে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।”

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।