চরচা ডেস্ক

কাপ্তাই হ্রদে নৌকাডুবির ঘটনায় সেনাবাহিনী ও ফায়ার সার্ভিস যৌথ অভিযান চালিয়ে দুইজনকে জীবিত এবং এক শিশুসহ তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করেছে।
৩০ সেপ্টেম্বর রাতের আকস্মিক ঝড়ো হাওয়ায় রাঙামাটির লংগদু অঞ্চলের বিএফডিসি ঘাট, ভাইবোনছড়া, লংগদু লঞ্চঘাট, গুইলশাখালি বিল ও ভাসান্যাদম এলাকায় একাধিক নৌকা ডুবে যায়।
আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) আজ বৃহস্পতিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায়।
একই রাতে (৩০ সেপ্টেম্বর) নানিয়ারচর উপজেলার মহাজনপাড়ায় আরও একটি নৌকা ডুবে যায়। এ ঘটনায় ছয়জন যাত্রীর মধ্যে চারজন সাঁতরে তীরে উঠতে সক্ষম হলেও ডেনিজেন চাকমা ও জিতেশ চাকমা নামে দু’জন নিখোঁজ রয়েছেন।
সেনাবাহিনী, পুলিশ ও স্থানীয়রা নৌকাটি উদ্ধার করলেও ওই দু’জন যুবকের সন্ধান মেলেনি। বর্তমানে সেনাবাহিনীর ডুবুরি দল স্থানীয় প্রশাসন ও ফায়ার সার্ভিসের সাথে সমন্বয় করে নিখোঁজদের উদ্ধার অভিযান কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।
সেনাবাহিনীর পাশাপাশি ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় প্রশাসনের তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ, সাহসিকতা ও নিরলস প্রচেষ্টার ফলে দুর্ঘটনার পরপরই কার্যকর উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করা সম্ভব হয়।

কাপ্তাই হ্রদে নৌকাডুবির ঘটনায় সেনাবাহিনী ও ফায়ার সার্ভিস যৌথ অভিযান চালিয়ে দুইজনকে জীবিত এবং এক শিশুসহ তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করেছে।
৩০ সেপ্টেম্বর রাতের আকস্মিক ঝড়ো হাওয়ায় রাঙামাটির লংগদু অঞ্চলের বিএফডিসি ঘাট, ভাইবোনছড়া, লংগদু লঞ্চঘাট, গুইলশাখালি বিল ও ভাসান্যাদম এলাকায় একাধিক নৌকা ডুবে যায়।
আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) আজ বৃহস্পতিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায়।
একই রাতে (৩০ সেপ্টেম্বর) নানিয়ারচর উপজেলার মহাজনপাড়ায় আরও একটি নৌকা ডুবে যায়। এ ঘটনায় ছয়জন যাত্রীর মধ্যে চারজন সাঁতরে তীরে উঠতে সক্ষম হলেও ডেনিজেন চাকমা ও জিতেশ চাকমা নামে দু’জন নিখোঁজ রয়েছেন।
সেনাবাহিনী, পুলিশ ও স্থানীয়রা নৌকাটি উদ্ধার করলেও ওই দু’জন যুবকের সন্ধান মেলেনি। বর্তমানে সেনাবাহিনীর ডুবুরি দল স্থানীয় প্রশাসন ও ফায়ার সার্ভিসের সাথে সমন্বয় করে নিখোঁজদের উদ্ধার অভিযান কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।
সেনাবাহিনীর পাশাপাশি ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় প্রশাসনের তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ, সাহসিকতা ও নিরলস প্রচেষ্টার ফলে দুর্ঘটনার পরপরই কার্যকর উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করা সম্ভব হয়।

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।