চরচা ডেস্ক

নতুন উন্নত প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ব্যবহার করে যুক্তরাষ্ট্রের একটি যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ইরান। রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন শুক্রবার দেওয়া এক ভাষণে দেশটির খাতাম আল-আনবিয়া কেন্দ্রীয় সদর দপ্তরের মুখপাত্র ইব্রাহিম জুলফাগারি এ কথা বলেন।
ইব্রাহিম জুলফাগারি বলেন, ইরানের নিজস্ব ‘নতুন উন্নত প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা’ ব্যবহার করে বিমানটি ভূপাতিত করা হয়েছে।
ইরানের এ কর্মকর্তা বলেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরানের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে। তার এ দাবি মিথ্যা। মার্কিন বিমান ভূপাতিত হওয়ার ঘটনাটি তার প্রমাণ।
ইব্রাহিম জুলফাগারি বলেন, ‘কেশম দ্বীপের দক্ষিণে একটি উন্নত শত্রু যুদ্ধবিমান লক্ষ্য করে এ হামলা চালানো হয়েছে। সেটি কেশম ও হেনগাম দ্বীপের মাঝামাঝি জলসীমায় বিধ্বস্ত হয়েছে।’
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়, শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের দুটি যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করার দাবি করে ইরান। প্রথমটি এফ-১৫ই মডেলের মার্কিন যুদ্ধবিমান। এটি ইরানের মধ্যাঞ্চলে ভূপাতিত হয়।
দ্বিতীয়টি এ-১০ মডেলের একটি মার্কিন যুদ্ধবিমান। এটি হরমুজ প্রণালির কাছে বিধ্বস্ত হয়।

নতুন উন্নত প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ব্যবহার করে যুক্তরাষ্ট্রের একটি যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ইরান। রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন শুক্রবার দেওয়া এক ভাষণে দেশটির খাতাম আল-আনবিয়া কেন্দ্রীয় সদর দপ্তরের মুখপাত্র ইব্রাহিম জুলফাগারি এ কথা বলেন।
ইব্রাহিম জুলফাগারি বলেন, ইরানের নিজস্ব ‘নতুন উন্নত প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা’ ব্যবহার করে বিমানটি ভূপাতিত করা হয়েছে।
ইরানের এ কর্মকর্তা বলেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরানের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে। তার এ দাবি মিথ্যা। মার্কিন বিমান ভূপাতিত হওয়ার ঘটনাটি তার প্রমাণ।
ইব্রাহিম জুলফাগারি বলেন, ‘কেশম দ্বীপের দক্ষিণে একটি উন্নত শত্রু যুদ্ধবিমান লক্ষ্য করে এ হামলা চালানো হয়েছে। সেটি কেশম ও হেনগাম দ্বীপের মাঝামাঝি জলসীমায় বিধ্বস্ত হয়েছে।’
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়, শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের দুটি যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করার দাবি করে ইরান। প্রথমটি এফ-১৫ই মডেলের মার্কিন যুদ্ধবিমান। এটি ইরানের মধ্যাঞ্চলে ভূপাতিত হয়।
দ্বিতীয়টি এ-১০ মডেলের একটি মার্কিন যুদ্ধবিমান। এটি হরমুজ প্রণালির কাছে বিধ্বস্ত হয়।

ইরান যুদ্ধের প্রভাবে জ্বালানি তেলের দাম বাড়িয়েছিল পাকিস্তান সরকার। এরপর রাজধানী ইসলামাবাদ এবং দেশটির জনবহুল প্রদেশে আগামী এক মাস সরকারি গণপরিবহন সম্পূর্ণ বিনামূল্যে ব্যবহার করা যাবে ঘোষণা দেয় দেশটি। কিন্তু জনগণের প্রতিবাদের মুখে পেট্রলের দাম কমাতে বাধ্য হয়েছে পাকিস্তান সরকার।