চরচা ডেস্ক

রাজধানীর মিরপুরের শিয়ালবাড়ীতে পোশাক কারখানা ও কসমিক ফার্মা নামে একটি কেমিক্যাল গোডাউনে লাগা আগুনে দগ্ধ হয়ে ৯ জন নিহত হয়েছেন। আজ মঙ্গলবার সকাল ১১টা ৪০ মিনিটের দিকে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন কর্মকর্তা খায়রুল ইসলাম জানান, এখন পর্যন্ত ৯ জনের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য কাজ করছে ১২টি ইউনিট। তবে আগুন এখনো পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়নি।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, হঠাৎ করে পোশাক কারখানায় বিস্ফোরণ ঘটে। পরবর্তীতে আগুন ছড়িয়ে পরে পাশে থাকা রাসায়নিকের গোডাউনেও। খবর পেয়ে একে একে ঘটনাস্থলে পৌঁছে অগ্নিনির্বাপণে কাজ শুরু করে ফায়ার সার্ভিস।
ঘটনাস্থলে উৎসুক জনতার ভিড় সামলাতে মোতায়েন করা হয়েছে সেনাবাহিনী। এরপরে তাদের সাথে সহায়তায় যোগ দেন পাশে থাকা বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, স্বেচ্ছাসেবক, পুলিশ, র্যাব ও বিজিবি।

রাজধানীর মিরপুরের শিয়ালবাড়ীতে পোশাক কারখানা ও কসমিক ফার্মা নামে একটি কেমিক্যাল গোডাউনে লাগা আগুনে দগ্ধ হয়ে ৯ জন নিহত হয়েছেন। আজ মঙ্গলবার সকাল ১১টা ৪০ মিনিটের দিকে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন কর্মকর্তা খায়রুল ইসলাম জানান, এখন পর্যন্ত ৯ জনের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য কাজ করছে ১২টি ইউনিট। তবে আগুন এখনো পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়নি।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, হঠাৎ করে পোশাক কারখানায় বিস্ফোরণ ঘটে। পরবর্তীতে আগুন ছড়িয়ে পরে পাশে থাকা রাসায়নিকের গোডাউনেও। খবর পেয়ে একে একে ঘটনাস্থলে পৌঁছে অগ্নিনির্বাপণে কাজ শুরু করে ফায়ার সার্ভিস।
ঘটনাস্থলে উৎসুক জনতার ভিড় সামলাতে মোতায়েন করা হয়েছে সেনাবাহিনী। এরপরে তাদের সাথে সহায়তায় যোগ দেন পাশে থাকা বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, স্বেচ্ছাসেবক, পুলিশ, র্যাব ও বিজিবি।

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।