চরচা ডেস্ক

আফগানিস্তানের উত্তরাঞ্চলে ৬ দশমিক ৩ মাত্রার একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। রোববার দিবাগত রাতে দেশটির হিন্দুকুশ অঞ্চলে মাজার-ই-শরিফ শহরের কাছে আঘাত হানে ভূমিকম্পটি।
মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) এসব তথ্য জানিয়েছে। দুই মাস আগেও দেশটিতে এক ভূমিকম্পে কয়েক হাজার মানুষ মারা গিয়েছিল।
ইউএসজিএস জানিয়েছে, রোববার স্থানীয় সময় রাত ১২টা ৫৯ মিনিটে আঘাত হানা এই ভূমিকম্পের গভীরতা ছিল ২৮ কিলোমিটার। তবে প্রথমে ভূমিকম্পের গভীরতা প্রথমে ১০ কিলোমিটার বলেছিল সংস্থাটি।
আল-জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাজধানী কাবুলে অবস্থিত সংবাদ সংস্থা এএফপির সংবাদদাতারাও ভূমিকম্প অনুভব করেছেন।
স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জরুরি একটি টেলিফোন নম্বর চালু করেছেন। তবে প্রাথমিকভাবে হতাহত ও ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
ব্রিটিশ ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থার ভূমিকম্পবিদ ব্রায়ান ব্যাপটির মতে, ১৯০০ সাল থেকে উত্তর-পূর্ব আফগানিস্তানে ৭ মাত্রার বেশি ১২টি ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে।

আফগানিস্তানের উত্তরাঞ্চলে ৬ দশমিক ৩ মাত্রার একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। রোববার দিবাগত রাতে দেশটির হিন্দুকুশ অঞ্চলে মাজার-ই-শরিফ শহরের কাছে আঘাত হানে ভূমিকম্পটি।
মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) এসব তথ্য জানিয়েছে। দুই মাস আগেও দেশটিতে এক ভূমিকম্পে কয়েক হাজার মানুষ মারা গিয়েছিল।
ইউএসজিএস জানিয়েছে, রোববার স্থানীয় সময় রাত ১২টা ৫৯ মিনিটে আঘাত হানা এই ভূমিকম্পের গভীরতা ছিল ২৮ কিলোমিটার। তবে প্রথমে ভূমিকম্পের গভীরতা প্রথমে ১০ কিলোমিটার বলেছিল সংস্থাটি।
আল-জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাজধানী কাবুলে অবস্থিত সংবাদ সংস্থা এএফপির সংবাদদাতারাও ভূমিকম্প অনুভব করেছেন।
স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জরুরি একটি টেলিফোন নম্বর চালু করেছেন। তবে প্রাথমিকভাবে হতাহত ও ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
ব্রিটিশ ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থার ভূমিকম্পবিদ ব্রায়ান ব্যাপটির মতে, ১৯০০ সাল থেকে উত্তর-পূর্ব আফগানিস্তানে ৭ মাত্রার বেশি ১২টি ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে।

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।