চরচা প্রতিবেদক

রাজধানীর শাহজাহানপুর থানাধীন গুলবাগ এলাকায় চোর সন্দেহে অজ্ঞাতনামা এক ব্যক্তির ধাক্কায় মাথায় গুরুতর আঘাত পেয়ে এবি এম শফিউল হক নামের বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে। আজ শনিবার দুপুরে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত শফিউল গুলবাগের ৩৫০ নম্বর এলাকার স্থায়ী বাসিন্দা এবং মৃত ইমদাদুল হকের ছেলে।
জানা গেছে, আজ দুপুরে নিজ বাসায় চুরির ঘটনা টের পেয়ে শফিউল চোরকে ধরতে এগিয়ে যান। এ সময় ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে চোর তাকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে পালিয়ে যায়। এতে তিনি মাটিতে পড়ে মাথায় গুরুতর আঘাত পান। পরে হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহতের ছেলে সামিউল হক জানান, তার বাবা অবসর জীবনযাপন করতেন। ঘটনার পর গুরুতর আহত অবস্থায় প্রথমে তাকে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নেওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিকেল সাড়ে চারটার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক চিকিৎসকের বরাতে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নিতে শাহজাহানপুর থানা পুলিশকে অবহিত করা হয়েছে।

রাজধানীর শাহজাহানপুর থানাধীন গুলবাগ এলাকায় চোর সন্দেহে অজ্ঞাতনামা এক ব্যক্তির ধাক্কায় মাথায় গুরুতর আঘাত পেয়ে এবি এম শফিউল হক নামের বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে। আজ শনিবার দুপুরে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত শফিউল গুলবাগের ৩৫০ নম্বর এলাকার স্থায়ী বাসিন্দা এবং মৃত ইমদাদুল হকের ছেলে।
জানা গেছে, আজ দুপুরে নিজ বাসায় চুরির ঘটনা টের পেয়ে শফিউল চোরকে ধরতে এগিয়ে যান। এ সময় ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে চোর তাকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে পালিয়ে যায়। এতে তিনি মাটিতে পড়ে মাথায় গুরুতর আঘাত পান। পরে হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহতের ছেলে সামিউল হক জানান, তার বাবা অবসর জীবনযাপন করতেন। ঘটনার পর গুরুতর আহত অবস্থায় প্রথমে তাকে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নেওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিকেল সাড়ে চারটার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক চিকিৎসকের বরাতে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নিতে শাহজাহানপুর থানা পুলিশকে অবহিত করা হয়েছে।

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।