চরচা প্রতিবেদক

র্যাবের সাবেক মহাপরিচালক হারুন অর রশীদ ও তার স্ত্রী ফাতেহা ফারভীন লুনার ১০ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ করেছে আদালত। যা হিসাবে মোট ৭৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা। আজ মঙ্গলবার দুদকের আবেদনের ভিত্তিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ সাব্বির ফয়েজ এ আদেশ দেন।
দুদকের উপ-সহকারী পরিচালক মো. ইমরান আকন ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধের আবেদন করেন।
আবেদনে উল্লেখ করা হয়, হারুনের বিরুদ্ধে এক হাজার কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন ও পাচারের অভিযোগে অনুসন্ধান চলছে। অনুসন্ধানে তার ও তার স্ত্রীর নামে বিপুল সম্পদের সন্ধান মিলেছে, যার বৈধ উৎস দেখাতে পারেননি তারা।
অভিযোগ রয়েছে, সম্পদগুলো অন্যত্র সরিয়ে ফেলার চেষ্টা করা হচ্ছে, যা রাষ্ট্রের ক্ষতির কারণ হতে পারে। এই পরিস্থিতিতে তাদের ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে দুদক।

র্যাবের সাবেক মহাপরিচালক হারুন অর রশীদ ও তার স্ত্রী ফাতেহা ফারভীন লুনার ১০ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ করেছে আদালত। যা হিসাবে মোট ৭৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা। আজ মঙ্গলবার দুদকের আবেদনের ভিত্তিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ সাব্বির ফয়েজ এ আদেশ দেন।
দুদকের উপ-সহকারী পরিচালক মো. ইমরান আকন ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধের আবেদন করেন।
আবেদনে উল্লেখ করা হয়, হারুনের বিরুদ্ধে এক হাজার কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন ও পাচারের অভিযোগে অনুসন্ধান চলছে। অনুসন্ধানে তার ও তার স্ত্রীর নামে বিপুল সম্পদের সন্ধান মিলেছে, যার বৈধ উৎস দেখাতে পারেননি তারা।
অভিযোগ রয়েছে, সম্পদগুলো অন্যত্র সরিয়ে ফেলার চেষ্টা করা হচ্ছে, যা রাষ্ট্রের ক্ষতির কারণ হতে পারে। এই পরিস্থিতিতে তাদের ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে দুদক।

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।