চরচা ডেস্ক

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে লন্ডনে নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের উপদেষ্টা মাহদী আমিন। আজ শনিবার মাহদী আমিনের ভেরিফায়েড ফেসবুক একাউন্টের এক পোস্টে এ কথা জানান তিনি।
মাহদী আমিন বলেন, “আমরা যতটুকু শুনেছি, দেশবাসীর দোয়া ও ভালোবাসায় সিক্ত আপসহীন নেত্রীর শারীরিক অবস্থার কিছুটা উন্নতি হলে, তাকে লন্ডনে নিয়ে উন্নত চিকিৎসার পরিকল্পনা করছে জিয়া পরিবার।”
মাহদী আমিন আরও বলেন, ‘‘অনেকেই হয়তো জানেন না, ম্যাডামের চিকিৎসায় গঠিত মেডিকেল বোর্ডের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য হিসেবে দেশ-বিদেশে সমন্বয়ের মূল দায়িত্ব পালন করছেন ডা. জুবাইদা রহমান।”
মাহদী আমিন আরও জানান, মায়ের চিকিৎসায় তারেক রহমান সর্বোচ্চ গুরুত্ব এবং প্রতিটি পদক্ষেপ তদারকি ও পরিচালনা করছেন।
এ বছর লন্ডনের একটি হাসপাতালে চার মাস চিকিৎসাধীন ছিলেন খালেদা জিয়া। সেখানে তিনি অনেকটা সুস্থ হয়ে উঠেছিলেন। তারেক রহমান এবং তার স্ত্রী ইতোমধ্যে হাসপাতালটির সঙ্গে যোগাযোগ এবং বিশেষ এয়ার অ্যাম্বুলেন্স ব্যবস্থার উদ্যোগও নিয়েছে বলে জানান মাহদী আমিন।
খালেদা জিয়ার সুস্থ হয়ে ওঠার বিষয়ে আশা প্রকাশ করে মাহদী আমিন বলেন, “বাংলাদেশের মা, দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যের ইনশাআল্লাহ দ্রুত উন্নতি হবে, তিনি আধুনিক চিকিৎসা শেষে সন্তান-স্বজনসহ মুক্ত মাতৃভূমির মানুষকে বরাবরের মতোই অনুপ্রাণিত করবেন।”
গত ২৩ নভেম্বর খালেদা জিয়াকে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। পরবর্তীতে খালেদা জিয়ার বুকে সংক্রমণ ধরা পড়ে। আগের হৃদরোগের সঙ্গে এই সংক্রমণ ফুসফুস পর্যন্ত ছড়িয়ে যায়। ফলে শ্বাসকষ্ট বৃদ্ধি পায়। বর্তমানে খালেদা জিয়া দেশি-বিদেশি চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রয়েছেন।

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে লন্ডনে নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের উপদেষ্টা মাহদী আমিন। আজ শনিবার মাহদী আমিনের ভেরিফায়েড ফেসবুক একাউন্টের এক পোস্টে এ কথা জানান তিনি।
মাহদী আমিন বলেন, “আমরা যতটুকু শুনেছি, দেশবাসীর দোয়া ও ভালোবাসায় সিক্ত আপসহীন নেত্রীর শারীরিক অবস্থার কিছুটা উন্নতি হলে, তাকে লন্ডনে নিয়ে উন্নত চিকিৎসার পরিকল্পনা করছে জিয়া পরিবার।”
মাহদী আমিন আরও বলেন, ‘‘অনেকেই হয়তো জানেন না, ম্যাডামের চিকিৎসায় গঠিত মেডিকেল বোর্ডের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য হিসেবে দেশ-বিদেশে সমন্বয়ের মূল দায়িত্ব পালন করছেন ডা. জুবাইদা রহমান।”
মাহদী আমিন আরও জানান, মায়ের চিকিৎসায় তারেক রহমান সর্বোচ্চ গুরুত্ব এবং প্রতিটি পদক্ষেপ তদারকি ও পরিচালনা করছেন।
এ বছর লন্ডনের একটি হাসপাতালে চার মাস চিকিৎসাধীন ছিলেন খালেদা জিয়া। সেখানে তিনি অনেকটা সুস্থ হয়ে উঠেছিলেন। তারেক রহমান এবং তার স্ত্রী ইতোমধ্যে হাসপাতালটির সঙ্গে যোগাযোগ এবং বিশেষ এয়ার অ্যাম্বুলেন্স ব্যবস্থার উদ্যোগও নিয়েছে বলে জানান মাহদী আমিন।
খালেদা জিয়ার সুস্থ হয়ে ওঠার বিষয়ে আশা প্রকাশ করে মাহদী আমিন বলেন, “বাংলাদেশের মা, দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যের ইনশাআল্লাহ দ্রুত উন্নতি হবে, তিনি আধুনিক চিকিৎসা শেষে সন্তান-স্বজনসহ মুক্ত মাতৃভূমির মানুষকে বরাবরের মতোই অনুপ্রাণিত করবেন।”
গত ২৩ নভেম্বর খালেদা জিয়াকে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। পরবর্তীতে খালেদা জিয়ার বুকে সংক্রমণ ধরা পড়ে। আগের হৃদরোগের সঙ্গে এই সংক্রমণ ফুসফুস পর্যন্ত ছড়িয়ে যায়। ফলে শ্বাসকষ্ট বৃদ্ধি পায়। বর্তমানে খালেদা জিয়া দেশি-বিদেশি চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রয়েছেন।

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।