চরচা প্রতিবেদক

৪৭তম বিসিএস লিখিত পরীক্ষার সময়সূচীকে ‘অবাস্তব’ আর ‘বৈষম্যমূলক’ বলে ফের ঢাকা-ময়মনসিংহ রেলপথ অবরোধ করেছেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) শিক্ষার্থীরা।
আজ রোববার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে শহরের জব্বারের মোড় এলাকায় এ কর্মসূচি শুরু করেন শিক্ষার্থীরা। শনিবার বিকেল ৫টা থেকে রাত ৮টা— টানা তিন ঘণ্টা স্থবির হয়ে ছিল আব্দুল জব্বার মোড়ের রেলপথ। শনিবার রাতের অবরোধ শেষে পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হলেও উত্তাপ থামেনি।
অবরোধে থাকা শিক্ষার্থী রাকিবুল হাসান বলেন, “আমরা অযৌক্তিক কিছু চাই না। সময়সূচি বদলাতে হবে। দেশের অন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের দাবির সঙ্গেও আমরা একমত। পিএসসি যদি না শোনে, আরও কঠোর হবো আমরা।”
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মো. আব্দুল আলীম ঘটনাস্থলে এসে বলেন, “বিসিএসের সিদ্ধান্ত সরকারের। বিশ্ববিদ্যালয় এতে হস্তক্ষেপ করতে পারে না। আলোচনার পথই ভালো পথ। শিক্ষার্থীদের বলছি, কারও ভোগান্তি যেন না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখুন।”

৪৭তম বিসিএস লিখিত পরীক্ষার সময়সূচীকে ‘অবাস্তব’ আর ‘বৈষম্যমূলক’ বলে ফের ঢাকা-ময়মনসিংহ রেলপথ অবরোধ করেছেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) শিক্ষার্থীরা।
আজ রোববার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে শহরের জব্বারের মোড় এলাকায় এ কর্মসূচি শুরু করেন শিক্ষার্থীরা। শনিবার বিকেল ৫টা থেকে রাত ৮টা— টানা তিন ঘণ্টা স্থবির হয়ে ছিল আব্দুল জব্বার মোড়ের রেলপথ। শনিবার রাতের অবরোধ শেষে পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হলেও উত্তাপ থামেনি।
অবরোধে থাকা শিক্ষার্থী রাকিবুল হাসান বলেন, “আমরা অযৌক্তিক কিছু চাই না। সময়সূচি বদলাতে হবে। দেশের অন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের দাবির সঙ্গেও আমরা একমত। পিএসসি যদি না শোনে, আরও কঠোর হবো আমরা।”
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মো. আব্দুল আলীম ঘটনাস্থলে এসে বলেন, “বিসিএসের সিদ্ধান্ত সরকারের। বিশ্ববিদ্যালয় এতে হস্তক্ষেপ করতে পারে না। আলোচনার পথই ভালো পথ। শিক্ষার্থীদের বলছি, কারও ভোগান্তি যেন না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখুন।”

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।