চরচা প্রতিবেদক

মিয়ানমার থেকে ছোড়া গুলিতে কক্সবাজারের টেকনাফে এক শিশু নিহত হয়েছে। আজ রোববার সকাল ৭টার দিকে এই ঘটনা ঘটে।
উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নের লম্বাবিল সীমান্তের ওপারে মিয়ানমারের বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মি ও রোহিঙ্গা সশস্ত্র গোষ্ঠীর মধ্যে ব্যাপক গোলাগুলি হয়েছে। এই সময়ই ছুটে আসে গুলিটি।
নিহত শিশুর নাম তানজিনা আফরিন (১৩)। লম্বাবিল এলাকার জসীমউদ্দীনের মেয়ে সে। পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, গুলিটি আফরিনের মাথায় লাগে।
টেকনাফ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাইফুল ইসলাম জানান, হোয়াইক্যয়ে গুলিতে এক শিশু নিহত হয়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।
এ ঘটনায় হোয়াইক্যং লম্বাবিল এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। শিশু নিহতের খবরে উত্তেজিত জনতা মহাসড়ক অবরোধ করে রাখে। খবর পেয়ে বিজিবি, সেনাবাহিনী ও পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ সময় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা স্থানীয় বাসিন্দাদের শান্ত থাকার জন্য আহ্বান জানান।

মিয়ানমার থেকে ছোড়া গুলিতে কক্সবাজারের টেকনাফে এক শিশু নিহত হয়েছে। আজ রোববার সকাল ৭টার দিকে এই ঘটনা ঘটে।
উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নের লম্বাবিল সীমান্তের ওপারে মিয়ানমারের বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মি ও রোহিঙ্গা সশস্ত্র গোষ্ঠীর মধ্যে ব্যাপক গোলাগুলি হয়েছে। এই সময়ই ছুটে আসে গুলিটি।
নিহত শিশুর নাম তানজিনা আফরিন (১৩)। লম্বাবিল এলাকার জসীমউদ্দীনের মেয়ে সে। পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, গুলিটি আফরিনের মাথায় লাগে।
টেকনাফ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাইফুল ইসলাম জানান, হোয়াইক্যয়ে গুলিতে এক শিশু নিহত হয়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।
এ ঘটনায় হোয়াইক্যং লম্বাবিল এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। শিশু নিহতের খবরে উত্তেজিত জনতা মহাসড়ক অবরোধ করে রাখে। খবর পেয়ে বিজিবি, সেনাবাহিনী ও পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ সময় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা স্থানীয় বাসিন্দাদের শান্ত থাকার জন্য আহ্বান জানান।

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।