চরচা ডেস্ক

আগামীকাল শনিবার সারাদেশ উদযাপিত হতে যাচ্ছে ঈদুল ফিতর। ঈদের আনন্দ ভাগ করে নিতে অনেকেই কর্মস্থল ছেড়ে নাড়ির টানে বাড়ির পথে ছুটছেন। তবে ঈদযাত্রায় এমনকি ঈদের দিনও বাড়তি ভোগান্তি সৃষ্টি করতে পারে বৃষ্টি।
আজ শুক্রবার এক পূর্বাভাসে আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, ঈদের দিন সারা দেশে কালবৈশাখীসহ বজ্রবৃষ্টি হতে পারে।
আবহাওয়াবিদ শাহানাজ সুলতানা জানান, ঈদের দিন থেকে পরবর্তী ২৪ ঘন্টায় ঢাকাসহ রাজশাহী, রংপুর, খুলনা বরিশাল, চট্টগ্রামের বেশ কিছু এলাকায় সকাল থেকেই বজ্রসহ বৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে। তবে টানা বৃষ্টি না হলেও গত কয়েকদিনের তুলনায় বেশি বৃষ্টি হবে ঈদের দিন।
এই আবহাওয়াবিদ আরও জানান, ঈদের দিনের পাশাপাশি তার পরদিনও বৃষ্টি হবে। সেই সঙ্গে দিনের তাপমাত্রা কিছুটা কমবে। তবে ২৩ তারিখ থেকে বৃষ্টিপাত কমে আসার সম্ভাবনা রয়েছে।
এ ছাড়া এক সতর্কবার্তায় আবহাওয়া অফিস বলছে, ঢাকা, ফরিদপুর, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ ও সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে পশ্চিম অথবা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৬০ থেকে ৮০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। সেই সঙ্গে বজ্রসহ বৃষ্টির প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে। এসব এলাকার নদীবন্দরকে ২ নম্বর নৌ হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

আগামীকাল শনিবার সারাদেশ উদযাপিত হতে যাচ্ছে ঈদুল ফিতর। ঈদের আনন্দ ভাগ করে নিতে অনেকেই কর্মস্থল ছেড়ে নাড়ির টানে বাড়ির পথে ছুটছেন। তবে ঈদযাত্রায় এমনকি ঈদের দিনও বাড়তি ভোগান্তি সৃষ্টি করতে পারে বৃষ্টি।
আজ শুক্রবার এক পূর্বাভাসে আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, ঈদের দিন সারা দেশে কালবৈশাখীসহ বজ্রবৃষ্টি হতে পারে।
আবহাওয়াবিদ শাহানাজ সুলতানা জানান, ঈদের দিন থেকে পরবর্তী ২৪ ঘন্টায় ঢাকাসহ রাজশাহী, রংপুর, খুলনা বরিশাল, চট্টগ্রামের বেশ কিছু এলাকায় সকাল থেকেই বজ্রসহ বৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে। তবে টানা বৃষ্টি না হলেও গত কয়েকদিনের তুলনায় বেশি বৃষ্টি হবে ঈদের দিন।
এই আবহাওয়াবিদ আরও জানান, ঈদের দিনের পাশাপাশি তার পরদিনও বৃষ্টি হবে। সেই সঙ্গে দিনের তাপমাত্রা কিছুটা কমবে। তবে ২৩ তারিখ থেকে বৃষ্টিপাত কমে আসার সম্ভাবনা রয়েছে।
এ ছাড়া এক সতর্কবার্তায় আবহাওয়া অফিস বলছে, ঢাকা, ফরিদপুর, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ ও সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে পশ্চিম অথবা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৬০ থেকে ৮০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। সেই সঙ্গে বজ্রসহ বৃষ্টির প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে। এসব এলাকার নদীবন্দরকে ২ নম্বর নৌ হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।