চরচা ডেস্ক

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিসংখ্যান বিভাগের ছাত্র এবং বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য জুবায়েদ হোসাইন হত্যার ঘটনায় মাহির রহমানকে গ্রেপ্তার করেছে বংশাল থানা পুলিশ।
আজ সোমবার মাহিরের মা নিজেই তাকে পুলিশের হাতে তুলে দেন। পুলিশ মাহিরকে প্রধান আসামি করে মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে।
রাজধানীর আরমানিটোলার নুরবক্স লেনে টিউশনি করাতে গিয়ে ছাত্রীর বাসার নিচে হত্যার শিকার হন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৫তম ব্যাচের ছাত্র জুবায়েদ হোসাইন। ঘটনার পর পুলিশ ছাত্রীকে জিজ্ঞাসাবাদ করে এবং সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজে হত্যাকারীদের মধ্যে মাহির রহমানকে শনাক্ত করে।
নিহত জুবায়েদ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিসংখ্যান বিভাগের স্নাতকোত্তর পর্যায়ের শিক্ষার্থী ছিলেন। এ ছাড়া ছাত্রদলের রাজনীতিতেও সক্রিয় ছিলেন তিনি।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিসংখ্যান বিভাগের ছাত্র এবং বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য জুবায়েদ হোসাইন হত্যার ঘটনায় মাহির রহমানকে গ্রেপ্তার করেছে বংশাল থানা পুলিশ।
আজ সোমবার মাহিরের মা নিজেই তাকে পুলিশের হাতে তুলে দেন। পুলিশ মাহিরকে প্রধান আসামি করে মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে।
রাজধানীর আরমানিটোলার নুরবক্স লেনে টিউশনি করাতে গিয়ে ছাত্রীর বাসার নিচে হত্যার শিকার হন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৫তম ব্যাচের ছাত্র জুবায়েদ হোসাইন। ঘটনার পর পুলিশ ছাত্রীকে জিজ্ঞাসাবাদ করে এবং সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজে হত্যাকারীদের মধ্যে মাহির রহমানকে শনাক্ত করে।
নিহত জুবায়েদ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিসংখ্যান বিভাগের স্নাতকোত্তর পর্যায়ের শিক্ষার্থী ছিলেন। এ ছাড়া ছাত্রদলের রাজনীতিতেও সক্রিয় ছিলেন তিনি।

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।