Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০১ নভেম্বর, ২০২৬
০১ নভেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০১ নভেম্বর, ২০২৬
০১ নভেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
> এক্সপ্লেইনার

ছায়া মন্ত্রিসভা কী? অন্যান্য দেশে কীভাবে কাজ করে?

ইয়াসিন আরাফাত

ইয়াসিন আরাফাত

প্রকাশ : ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৩: ১০
ছায়া মন্ত্রিসভা কী? অন্যান্য দেশে কীভাবে কাজ করে?

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয়ের পর সরকার গঠন করতে যাচ্ছে বিএনপি। এরই মধ্যে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান ও দলটির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া জানিয়েছেন, তারা ছায়া মন্ত্রিসভা গঠনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। আজ রোববার সকালে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এই সংক্রান্ত একটা পোস্ট দেন।

Advertisement

সংসদীয় গণতন্ত্রের চর্চায় ছায়া মন্ত্রিসভা একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও পরিচিত ধারণা। বিশেষ করে যুক্তরাজ্যের ওয়েস্টমিনিস্টার ধাঁচের শাসন ব্যবস্থায়, যেখানে বিরোধী দল কেবল সরকারের সমালোচনায় সীমাবদ্ধ থাকে না, বরং নিজেকে একটি বিকল্প সরকার হিসেবে প্রস্তুত রাখে। সেখানেই এই ব্যবস্থার সার্থকতা ফুটে ওঠে।

সম্প্রতি বাংলাদেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে ক্ষমতার পালাবদল ও সংসদীয় সংস্কারের আলোচনায় এই বিষয়টি পুনরায় সামনে এসেছে।

ছায়া মন্ত্রিসভা কী?

Advertisement
Advertisement
Advertisement

সহজ কথায়, ছায়া মন্ত্রিসভা হলো সংসদের প্রধান বিরোধী দলের এমন একটি মনোনীত সদস্য দল, যারা সরকারের প্রতিটি মন্ত্রণালয়ের কর্মকাণ্ড নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করে। সরকারের একজন মন্ত্রী যে দপ্তরের দায়িত্বে থাকেন, বিরোধী দলের একজন সদস্য সেই নির্দিষ্ট দপ্তরের শ্যাডো মিনিস্টার বা ছায়া মন্ত্রী হিসেবে নিযুক্ত হন। যেমন- সরকারের একজন অর্থমন্ত্রী থাকলে বিরোধী দলেও একজন ছায়া অর্থমন্ত্রী থাকেন। এই ব্যবস্থার মূল উদ্দেশ্য হলো সরকারকে জবাবদিহির আওতায় আনা এবং যেকোনো সময় রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণের জন্য প্রস্তুত থাকা।

ছায়া মন্ত্রিসভার কার্যক্রম

তদারকি ও সমালোচনা: ছায়া মন্ত্রীরা সংশ্লিষ্ট সরকারি মন্ত্রণালয়ের নীতি, ব্যয় এবং কার্যক্রমের ভুলত্রুটি জনসমক্ষে তুলে ধরেন। সংসদে প্রশ্নোত্তরের সময় তারা সরকারের মন্ত্রীদের নির্দিষ্ট বিষয়ে চ্যালেঞ্জ করেন।

বিকল্প নীতি প্রণয়ন: সরকার কোনো আইন বা বাজেট পেশ করলে ছায়া মন্ত্রিসভা তার একটি বিকল্প প্রস্তাব বা রূপরেখা জনগণের সামনে পেশ করে। এতে ভোটাররা বুঝতে পারেন যে বিরোধী দল ক্ষমতায় থাকলে বিষয়টি কীভাবে পরিচালনা করত।

প্রস্তুতি ও প্রশিক্ষণ: যদি কোনো কারণে সরকার পতন ঘটে বা পরবর্তী নির্বাচনে বিরোধী দল জয়ী হয়, তবে ছায়া মন্ত্রীরা আগে থেকেই তাদের দপ্তর সম্পর্কে অভিজ্ঞ থাকেন। ফলে নতুন সরকার গঠনের পর তাদের কাজ শুরু করতে কোনো বেগ পেতে হয় না।

ছায়া মন্ত্রিসভার ধারণাটি মূলত যুক্তরাজ্য থেকে উদ্ভূত। বর্তমানে বিশ্বের অনেক দেশেই এই চর্চা রয়েছে:

যুক্তরাজ্য: ব্রিটিশ পার্লামেন্টে আনুষ্ঠানিকভাবে ছায়া মন্ত্রিসভাকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। সেখানে বিরোধী দলীয় নেতাকে হার ম্যাজেস্টিস লয়াল অপজিশন-এর নেতা বলা হয় এবং তিনি নির্দিষ্ট বেতন-ভাতা পান।

কানাডা, অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড: ব্রিটিশ কমনওয়েলথভুক্ত এই দেশগুলোতে ছায়া মন্ত্রিসভা অত্যন্ত শক্তিশালী। প্রতিটি সরকারি দপ্তরের বিপরীতে সেখানে একজন করে দক্ষ ছায়া মন্ত্রী নিযুক্ত থাকেন।

ভারত: ভারতে আনুষ্ঠানিকভাবে ব্রিটিশ স্টাইলে ছায়া মন্ত্রিসভা না থাকলেও, বিভিন্ন সময়ে বড় বিরোধী দলগুলো নির্দিষ্ট বিষয়ে পর্যবেক্ষণের জন্য অভ্যন্তরীণ কমিটি গঠন করে, যা ছায়া মন্ত্রিসভার মতোই কাজ করে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ছায়া মন্ত্রিসভা এটি গণতন্ত্রের ভারসাম্য রক্ষার কবচ। যদিও ছায়া মন্ত্রীদের কোনো নির্বাহী ক্ষমতা নেই, তবুও তারা রাজনৈতিক ফলাফলের ওপর ব্যাপক প্রভাব ফেলতে পারেন।

কেন ছায়া মন্ত্রিসভা দরকার

সরকারি সিদ্ধান্তের একটি সুশৃঙ্খল তদারকি নিশ্চিত করে।

নির্বাচনের মধ্যবর্তী সময়ে নিরবচ্ছিন্ন রাজনৈতিক চর্চা বজায় রাখে।

একটি নির্ভরযোগ্য ‘বিকল্প সরকার’ হিসেবে নিজেকে গড়ে তোলে।

জনগণের কাছে রাজনৈতিক বিতর্কগুলোকে সহজ ও স্পষ্ট করে তোলে।

ছায়া মন্ত্রিসভার দুর্বলতা

অনেক সময় তারা সুদূরপ্রসারী চিন্তার চেয়ে কেবল তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ার ওপর বেশি জোর দেন। যদি দলের মধ্যে ঐক্য না থাকে, তবে ছায়া মন্ত্রিসভাকে জনবিচ্ছিন্ন মনে হতে পারে। ছায়া মন্ত্রিসভার রদবদল অনেক সময় অস্থিতিশীলতা তৈরি করে অথবা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে করা হয়।

তথ্যসূত্র: ব্রিটিশ পার্লামেন্টের অফিশিয়াল ওয়েবসাইট , ইনস্টিটিউট ফর গভর্নমেন্ট (ইউকে), অক্সফোর্ড ডিকশনারি অফ পলিটিক্স, দ্য ডেইজি চেইন

বিষয়: রাজনীতিবিদনির্বাচনফেসবুকভোটরাজনীতি
Advertisement
সর্বশেষ
  • ১

    তাহসিফ ও দীপকে ‘ধাওয়া’ দিয়েছিল কারা?

  • ২

    সাংবাদিক নিধি রাজদানের সঙ্গে বিয়ে সারলেন কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর

  • ৩

    মিরপুরে ৩ মেট্রোস্টেশন বন্ধ, পুলিশের গাড়িতে আগুন

  • ৪

    ‘মাদরাসার সভাপতি-সেক্রেটারিও জানে না সেখানে কী পড়ানো হয়’

  • ৫

    ‘শিক্ষার্থীদের শিখন ঘাটতি পূরণে কোনো সরকারই দায়িত্ব পালন করেনি’

সম্পর্কিত
  • তাহসিফ ও দীপকে ‘ধাওয়া’ দিয়েছিল কারা?

    তাহসিফ ও দীপকে ‘ধাওয়া’ দিয়েছিল কারা?

    ঢাকার তুরাগ নদ থেকে বিমানবাহিনীর সাবেক ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট তাহসিফ সাউরির মরদেহ উদ্ধারের তিন দিন পরও মৃত্যুরহস্যের কূলকিনারা করতে পারেনি পুলিশ। এর মধ্যে তাহসিফের বন্ধু শাহরিয়ার রেজা দীপের বক্তব্য নতুন প্রশ্ন তৈরি করেছে। পিবিআইকে দেওয়া তথ্যে দীপ জানিয়েছেন, টঙ্গীর মাজার বস্তিতে তাদের কয়েক

  • সাকিব-তামিমরা নেই, তবুও কেন স্পিন উইকেটে আস্থা বাংলাদেশের?

    সাকিব-তামিমরা নেই, তবুও কেন স্পিন উইকেটে আস্থা বাংলাদেশের?

    বাংলাদেশের ক্রিকেটে মিরপুরের উইকেট বরাবরই এক ধাঁধাঁর বিষয়। বিশেষ করে স্পিন নির্ভর কন্ডিশনে প্রতিপক্ষকে ফাঁদে ফেলার কৌশল হিসেবে ধীরগতির ও অতিরিক্ত টার্নিং উইকেট ব্যবহারের প্রবণতা প্রায় এক যুগ ধরে চলে আসছে। তবে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে মিরপুর টেস্টে সেই কৌশলই বাংলাদেশের জন্য বুমেরাং হয়ে দাঁড়ি

  • মানব মস্তিষ্ক বিকাশের এক জটিল রহস্যের দরজা খুলেছে

    মানব মস্তিষ্ক বিকাশের এক জটিল রহস্যের দরজা খুলেছে

    মানবমস্তিষ্কের বিকাশের একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে বিপুলসংখ্যক জিনগত ত্রুটিযুক্ত স্নায়ুকোষ বা নিউরন অপসারিত হয়। জন্মের সময়ের কাছাকাছি এই প্রক্রিয়ায় মস্তিষ্ক যেন নিজের কোষগুলোর গুণগত মান যাচাই করে অপ্রয়োজনীয় বা ত্রুটিপূর্ণ কোষ সরিয়ে দেয়। নেচার সাময়িকীতে গত ২৮ অক্টোবর প্রকাশিত একটি গবেষণায় মানুষের

  • মঙ্গলের ৪১০ কোটি বছরের পুরনো উল্কাপিণ্ডে প্রাচীন জলময় পরিবেশের সন্ধান

    মঙ্গলের ৪১০ কোটি বছরের পুরনো উল্কাপিণ্ডে প্রাচীন জলময় পরিবেশের সন্ধান

    টেঘাজা ০০১-এর আবিষ্কার মঙ্গল সম্পর্কে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক ধারণাকে আরও শক্তিশালী করেছে—গ্রহটি সব সময় বর্তমানের মতো শীতল ও শুষ্ক ছিল না। তার জন্মলগ্নে সেখানে পানি, আগ্নেয়গিরির কার্যকলাপ এবং তুলনামূলক ঘন বায়ুমণ্ডলসহ ভিন্ন এক পরিবেশ থাকতে পারে।