Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০১ নভেম্বর, ২০২৬
০১ নভেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০১ নভেম্বর, ২০২৬
০১ নভেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
> এক্সপ্লেইনার

অস্থিরতা থেকে ফের অস্থিরতায় বাংলাদেশ?

চরচা প্রতিবেদক

চরচা প্রতিবেদক

প্রকাশ : ১৯ ডিসেম্বর ২০২৫, ২১: ৪০
অস্থিরতা থেকে ফের অস্থিরতায় বাংলাদেশ?

কোটা সংস্কার আন্দোলন থেকে শুরু হওয়া গণবিস্ফোরণের জেরে আজ এক নতুন সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশ। শেখ হাসিনার পতন এবং অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পর দেশ পুনর্গঠনের স্বপ্ন দেখা দিলেও সাম্প্রতিক হত্যাকাণ্ড এবং সংস্কারের ধীরগতি নতুন করে অস্থিরতা তৈরি করছে।

Advertisement

বাংলাদেশের সাম্প্রতিক ঘটনাবলী নিয়ে এক এক্সপ্লেইনারে এমন কথাই বলছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা। গত ১২ ডিসেম্বর গুলির ঘটনায় গতকাল বৃহস্পতিবার ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি মারা যাওয়ার পর ফের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে হামলার জেরে এই প্রতিবেদন প্রকাশ করে আল জাজিরা।

আল জাজিরা বলছে, ২০২৪ সালের জুলাই মাসে সরকারি চাকরিতে কোটা পদ্ধতির সংস্কারের দাবিতে সাধারণ শিক্ষার্থীরা রাজপথে নামে। কিন্তু তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের কঠোর দমন-পীড়ন এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর গুলিতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়।

জাতিসংঘের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই আন্দোলনে প্রায় ১ হাজার ৪০০ মানুষ প্রাণ হারায় এবং হাজার হাজার মানুষ আহত হয়। এই রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষই শেষ পর্যন্ত শেখ হাসিনা সরকারের পতনের প্রধান কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

Advertisement
Advertisement
Advertisement
আতঙ্কের আগুনে যে শহরে আলো নিখোঁজFire

৫ আগস্ট শেখ হাসিনা ভারতে আশ্রয় নেন। এর মাধ্যমে তার দীর্ঘ ১৫ বছরের শাসনের অবসান ঘটে। পরে ঢাকার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল জুলাই হত্যাকাণ্ডের জন্য তাকে মানবতাবিরোধী অপরাধে দোষী সাব্যস্ত করে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করে। বর্তমানে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে একটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দেশ পরিচালনা করছে, যাদের মূল লক্ষ্য হলো রাষ্ট্রীয় সংস্কার এবং ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে একটি সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করা।

এরই মধ্যে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম পরিচিত মুখ এবং তরুণ নেতা শরীফ ওসমান হাদি সম্প্রতি আততায়ীর গুলিত নিহত হন। এই হত্যাকাণ্ড দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে দিয়েছে। একজন সম্ভাব্য সংসদ সদস্য প্রার্থী হিসেবে হাদির মৃত্যু তরুণ প্রজন্মের মধ্যে ক্ষোভ ও নিরাপত্তাহীনতার জন্ম দিয়েছে। আন্দোলনকারীরা মনে করছেন, এই হত্যাকাণ্ড বিপ্লবের অর্জনকে নস্যাৎ করার একটি গভীর ষড়যন্ত্র।

এদিকে, ওসমান হাদি হত্যার বিচার এবং ভারতবিরোধী স্লোগান দিয়ে প্রথমে কারওয়ান বাজারের প্রথম আলো কার্যালয়ে এবং পরে কাছের ডেইলি স্টারের কার্যালয়ে হামলা চালায় একদল। শাহবাগ থেকে মিছিল নিয়ে তারা গতকাল রাত ১২টার দিকে প্রথমে হামলা চালায় প্রথম আলো কার্যালয়ে।

প্রথম আলোর চারতলা ভবনের নিচতলার শার্টার ভেঙে প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান প্রথমার কার্যালয়ে হামলা চালানো হয়। এরপর ধারাবাহিকভাবে দ্বিতীয়, তৃতীয়, চতুর্থ তলার প্রথম আলোর হিসাব বিভাগ, বিজ্ঞাপন ও বিপণন বিভাগ এবং ওটিটি প্ল্যাটফর্ম চরকির কার্যালয়ে লুটপাটের পর আগুন দেওয়া হয়।

ভয়ংকর অভিজ্ঞতার পর নিজেকে সামলাবেন যেভাবেmental trauma

এক ঘণ্টার বেশি সময় ধরে প্রথম আলোতে হামলার পর তারা দ্য ডেইলি স্টার কার্যালয়ে যান। প্রথমে সড়ক থেকে ইংরেজি পত্রিকাটির প্রধান কার্যালয়ে ঢিল ছোড়া হয়। এরপর ভবনের গেট ভেঙে ডেইলি স্টার কার্যালয়ে ঢুকে ভাঙচুর চালায় তারা।

ফেব্রুয়ারিতে নির্ধারিত সংসদীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে বাংলাদেশ এখন এক চরম অনিশ্চয়তার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। একদিকে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর সংস্কারের দাবি, অন্যদিকে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি—এই দুইয়ের চাপে রয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। সংস্কারে বিলম্ব এবং তরুণ নেতাদের ওপর আক্রমণ নির্বাচনের পরিবেশকে ঘোলাটে করে তুলছে।

বাংলাদেশ বর্তমানে একটি রূপান্তরকালীন সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। জুলাইয়ের বিপ্লব যে গণতন্ত্র ও ন্যায়বিচারের স্বপ্ন দেখিয়েছিল, শরিফ ওসমান হাদির মতো নেতাদের হত্যাকাণ্ড এবং বর্তমান অস্থিতিশীলতা সেই স্বপ্নকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছে। ফেব্রুয়ারির নির্বাচন সফলভাবে সম্পন্ন করা এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করাই এখন ইউনূস সরকারের সবচেয়ে বড় পরীক্ষা।

বিষয়: বাংলাদেশসংবাদপত্রসাংবাদিকতাত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনঅন্তর্বর্তী সরকারওসমান হাদিজুলাই-আগস্ট হত্যাকাণ্ড
Advertisement
সর্বশেষ
  • ১

    তাহসিফ ও দীপকে ‘ধাওয়া’ দিয়েছিল কারা?

  • ২

    সাংবাদিক নিধি রাজদানের সঙ্গে বিয়ে সারলেন কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর

  • ৩

    মিরপুরে ৩ মেট্রোস্টেশন বন্ধ, পুলিশের গাড়িতে আগুন

  • ৪

    ‘মাদরাসার সভাপতি-সেক্রেটারিও জানে না সেখানে কী পড়ানো হয়’

  • ৫

    ‘শিক্ষার্থীদের শিখন ঘাটতি পূরণে কোনো সরকারই দায়িত্ব পালন করেনি’

সম্পর্কিত
  • তাহসিফ ও দীপকে ‘ধাওয়া’ দিয়েছিল কারা?

    তাহসিফ ও দীপকে ‘ধাওয়া’ দিয়েছিল কারা?

    ঢাকার তুরাগ নদ থেকে বিমানবাহিনীর সাবেক ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট তাহসিফ সাউরির মরদেহ উদ্ধারের তিন দিন পরও মৃত্যুরহস্যের কূলকিনারা করতে পারেনি পুলিশ। এর মধ্যে তাহসিফের বন্ধু শাহরিয়ার রেজা দীপের বক্তব্য নতুন প্রশ্ন তৈরি করেছে। পিবিআইকে দেওয়া তথ্যে দীপ জানিয়েছেন, টঙ্গীর মাজার বস্তিতে তাদের কয়েক

  • সাকিব-তামিমরা নেই, তবুও কেন স্পিন উইকেটে আস্থা বাংলাদেশের?

    সাকিব-তামিমরা নেই, তবুও কেন স্পিন উইকেটে আস্থা বাংলাদেশের?

    বাংলাদেশের ক্রিকেটে মিরপুরের উইকেট বরাবরই এক ধাঁধাঁর বিষয়। বিশেষ করে স্পিন নির্ভর কন্ডিশনে প্রতিপক্ষকে ফাঁদে ফেলার কৌশল হিসেবে ধীরগতির ও অতিরিক্ত টার্নিং উইকেট ব্যবহারের প্রবণতা প্রায় এক যুগ ধরে চলে আসছে। তবে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে মিরপুর টেস্টে সেই কৌশলই বাংলাদেশের জন্য বুমেরাং হয়ে দাঁড়ি

  • মানব মস্তিষ্ক বিকাশের এক জটিল রহস্যের দরজা খুলেছে

    মানব মস্তিষ্ক বিকাশের এক জটিল রহস্যের দরজা খুলেছে

    মানবমস্তিষ্কের বিকাশের একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে বিপুলসংখ্যক জিনগত ত্রুটিযুক্ত স্নায়ুকোষ বা নিউরন অপসারিত হয়। জন্মের সময়ের কাছাকাছি এই প্রক্রিয়ায় মস্তিষ্ক যেন নিজের কোষগুলোর গুণগত মান যাচাই করে অপ্রয়োজনীয় বা ত্রুটিপূর্ণ কোষ সরিয়ে দেয়। নেচার সাময়িকীতে গত ২৮ অক্টোবর প্রকাশিত একটি গবেষণায় মানুষের

  • মঙ্গলের ৪১০ কোটি বছরের পুরনো উল্কাপিণ্ডে প্রাচীন জলময় পরিবেশের সন্ধান

    মঙ্গলের ৪১০ কোটি বছরের পুরনো উল্কাপিণ্ডে প্রাচীন জলময় পরিবেশের সন্ধান

    টেঘাজা ০০১-এর আবিষ্কার মঙ্গল সম্পর্কে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক ধারণাকে আরও শক্তিশালী করেছে—গ্রহটি সব সময় বর্তমানের মতো শীতল ও শুষ্ক ছিল না। তার জন্মলগ্নে সেখানে পানি, আগ্নেয়গিরির কার্যকলাপ এবং তুলনামূলক ঘন বায়ুমণ্ডলসহ ভিন্ন এক পরিবেশ থাকতে পারে।