Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০১ নভেম্বর, ২০২৬
০১ নভেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০১ নভেম্বর, ২০২৬
০১ নভেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
> এক্সপ্লেইনার

বাংলাদেশের শীর্ষ ঝুঁকিগুলো কী কী

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১২: ১০
বাংলাদেশের শীর্ষ ঝুঁকিগুলো কী কী

ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের বৈশ্বিক ঝুঁকি প্রতিবেদনে চলতি বছরে ‘অপরাধ এবং অবৈধ অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড’কে বাংলাদেশের প্রধানতম ঝুঁকি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

Advertisement

সম্প্রতি ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম (ডব্লিউইএফ) জেনেভা থেকে ‘গ্লোবাল রিস্ক রিপোর্ট-২০২৬’ প্রকাশ করেছে। এতে বিশ্বের জন্য প্রধান ঝুঁকি হিসেবে উঠে এসেছে ভূ-অর্থনৈতিক বিরোধ। বাংলাদেশের ক্ষেত্রে এটি দ্বিতীয় প্রধান ঝুঁকি।

এবারের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বাংলাদেশের অন্য তিনটি ঝুঁকি হলো– মূল্যস্ফীতি, অর্থনৈতিক নিম্নগতি ও ঋণ। প্রতিবেদনে ঝুঁকির কারণ নিয়ে দেশভিত্তিক আলাদা ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি।

বার্ষিক সভা সামনে রেখে প্রতিবছর জানুয়ারিতে গ্লোবাল রিস্ক রিপোর্ট বা বৈশ্বিক ঝুঁকি প্রতিবেদন প্রকাশ করে ডব্লিউইএফ। এতে জরিপের ভিত্তিতে সামগ্রিকভাবে বিশ্বের পাশাপাশি নিকট মেয়াদে দেশভিত্তিক ঝুঁকির তালিকা বিষয়গুলো তুলে ধরে সতর্ক করা হয়।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

দেশভিত্তিক প্রধান ঝুঁকিগুলো চিহ্নিত করতে নির্বাহী মতামত জরিপ (ইওএস) চালায় ডব্লিউইএফ। এটি মূলত ধারণাভিত্তিক জরিপ। জরিপে অংশগ্রহণকারীদের জিজ্ঞেস করা হয়, ‘আগামী দুই বছরে আপনার দেশের জন্য প্রধান পাঁচটি ঝুঁকি কী কী, যা দেশের জন্য বড় হুমকি?’ অংশগ্রহণকারীদের ৩৪টি ঝুঁকির তালিকা দেওয়া হয়। সেখান থেকে তারা পাঁচটি প্রধান ঝুঁকি চিহ্নিত করেন।

ডব্লিউইএফ গত বছরের মার্চ থেকে জুন সময়কালে ‘জাতীয় ঝুঁকি ধারণা’ জরিপ করে। বিভিন্ন খাতের প্রধান নির্বাহীরা এতে অংশ নেন।

ভূ-অর্থনৈতিক বিরোধ বলতে ডব্লিউইএফ নিষেধাজ্ঞা, বাড়তি শুল্ক এবং বিনিয়োগ পর্যালোচনার মতো বিষয় বুঝিয়েছে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, সাম্প্রতিক সময়ে বিশ্বব্যাপী ভূরাজনীতির ভূমিকা অনেক বড়, যা অর্থনৈতিক কার্যক্রমকে আগের যে কোনো সময়ের তুলনায় প্রভাবিত করছে। বাংলাদেশের ক্ষেত্রেও এর প্রভাব অনেক বেড়েছে। বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান এবং বিশ্বের সঙ্গে সংযুক্ততা বৃদ্ধি যার অন্যতম কারণ। ভূ-অর্থনৈতিক বিরোধ বাড়লে বাংলাদেশের অর্থনীতি বিশেষত রপ্তানি বাণিজ্য ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

বিশ্লেষকরা আরও বলছেন, বাংলাদেশ ভূরাজনীতির ক্ষেত্রে বড় প্রভাব বিস্তার করতে পারে না, তবে অনেক ক্ষেত্রে প্রভাবিত হয়ে থাকে। বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ নীতি প্রণয়নে অনেক সময় ভূরাজনীতির প্রভাব থাকে। এ ধরনের বিষয়ে জাতীয় স্বার্থ সমুন্নত রেখে সিদ্ধান্ত নেওয়া খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আগামী নির্বাচিত সরকারের জন্য ভূরাজনৈতিক ইস্যু বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে আসছে।

বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ সমস্যাও গুরুত্বপূর্ণ। মূল্যস্ফীতি একটু কমলেও তা এখন অনেক উচ্চ পর্যায়ে। বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানে যথেষ্ট ধীরগতি রয়েছে।

চাপ কাটিয়ে বাংলাদেশের অর্থনীতি ধীরে ধীরে পুনরুদ্ধারের পথে। ধীরগতি হলেও মূল্যস্ফীতি কমছে। জাতিসংঘের অর্থনীতি এবং সামাজিকবিষয়ক বিভাগের ‘বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি এবং সম্ভাবনা ২০২৬’ প্রতিবেদনে বাংলাদেশ বিষয়ে এমন বলা হয়েছে। 

প্রতিবেদনে বাংলাদেশ বিষয়ে বলা হয়েছে, ২০২৪ ও ২০২৫ সালের তুলনামূলক কম প্রবৃদ্ধির পর ২০২৬ সালে বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৫ দশমিক ১ শতাংশে উন্নীত হতে পারে। তবে উচ্চ সুদের হার, বৈদেশিক মুদ্রার চাপ এবং সরকারি ঋণের পরিমাণ বাড়তে থাকায় মধ্য মেয়াদে অর্থনীতিতে ঝুঁকি রয়েছে।

সম্প্রতি অর্থ মন্ত্রণালয়ের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর শেষে দেশের মোট বিদেশি ঋণ ৯২ শতাংশ বেড়ে ৯ লাখ ৫১ হাজার কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে।

এছাড়া প্রতিবছর নিয়মিত দেশি-বিদেশি ঋণ পরিশোধ করা হলেও বাজেট বাস্তবায়নে সরকারের ঋণ বাড়ছেই। অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে গত প্রায় ১৫ মাসে (জুলাই ২০২৫-সেপ্টেম্বর ২০২৬) দেশি-বিদেশি মিলিয়ে সরকারের মোট ঋণ বেড়েছে ২ লাখ ৬০ হাজার ২৫৭ কোটি টাকা।

ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের প্রতিবেদনে বাংলাদেশের গণঅভ্যুত্থানের প্রসঙ্গ এসেছে। এক জায়গায় বলা হয়েছে, যেহেতু অনেক বেশি মানুষ রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া থেকে নিজেদের বঞ্চিত মনে করছে এবং জীবনমান উন্নতির আশা হারাচ্ছে, তাই প্রতিবাদ ও বিক্ষোভের মাধ্যমে সাম্প্রতিক সময়ে রাজনৈতিক পরিবর্তন ঘটেছে। যেমন– বাংলাদেশ ও নেপালে ২০২৪ সালে এবং শ্রীলঙ্কায় ২০২২ সালে।

‘গ্লোবাল রিস্ক রিপোর্ট-২০২৫’-এ বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ঝুঁকি ছিল মূল্যস্ফীতি। কেননা, এর আগের বছরে বাংলাদেশে গড় মূল্যস্ফীতি ১০ শতাংশের বেশি ছিল। অন্য চার ঝুঁকির মধ্যে ছিল যথাক্রমে চরমভাবাপন্ন আবহাওয়া, পরিবেশদূষণ, বেকারত্ব ও অর্থনৈতিক নিম্নগতি।

বিষয়: বাংলাদেশঝুঁকিসরকারঅর্থ মন্ত্রণালয়অন্তর্বর্তী সরকার
Advertisement
সর্বশেষ
  • ১

    তাহসিফ ও দীপকে ‘ধাওয়া’ দিয়েছিল কারা?

  • ২

    সাংবাদিক নিধি রাজদানের সঙ্গে বিয়ে সারলেন কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর

  • ৩

    মিরপুরে ৩ মেট্রোস্টেশন বন্ধ, পুলিশের গাড়িতে আগুন

  • ৪

    ‘মাদরাসার সভাপতি-সেক্রেটারিও জানে না সেখানে কী পড়ানো হয়’

  • ৫

    ‘শিক্ষার্থীদের শিখন ঘাটতি পূরণে কোনো সরকারই দায়িত্ব পালন করেনি’

সম্পর্কিত
  • তাহসিফ ও দীপকে ‘ধাওয়া’ দিয়েছিল কারা?

    তাহসিফ ও দীপকে ‘ধাওয়া’ দিয়েছিল কারা?

    ঢাকার তুরাগ নদ থেকে বিমানবাহিনীর সাবেক ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট তাহসিফ সাউরির মরদেহ উদ্ধারের তিন দিন পরও মৃত্যুরহস্যের কূলকিনারা করতে পারেনি পুলিশ। এর মধ্যে তাহসিফের বন্ধু শাহরিয়ার রেজা দীপের বক্তব্য নতুন প্রশ্ন তৈরি করেছে। পিবিআইকে দেওয়া তথ্যে দীপ জানিয়েছেন, টঙ্গীর মাজার বস্তিতে তাদের কয়েক

  • সাকিব-তামিমরা নেই, তবুও কেন স্পিন উইকেটে আস্থা বাংলাদেশের?

    সাকিব-তামিমরা নেই, তবুও কেন স্পিন উইকেটে আস্থা বাংলাদেশের?

    বাংলাদেশের ক্রিকেটে মিরপুরের উইকেট বরাবরই এক ধাঁধাঁর বিষয়। বিশেষ করে স্পিন নির্ভর কন্ডিশনে প্রতিপক্ষকে ফাঁদে ফেলার কৌশল হিসেবে ধীরগতির ও অতিরিক্ত টার্নিং উইকেট ব্যবহারের প্রবণতা প্রায় এক যুগ ধরে চলে আসছে। তবে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে মিরপুর টেস্টে সেই কৌশলই বাংলাদেশের জন্য বুমেরাং হয়ে দাঁড়ি

  • মানব মস্তিষ্ক বিকাশের এক জটিল রহস্যের দরজা খুলেছে

    মানব মস্তিষ্ক বিকাশের এক জটিল রহস্যের দরজা খুলেছে

    মানবমস্তিষ্কের বিকাশের একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে বিপুলসংখ্যক জিনগত ত্রুটিযুক্ত স্নায়ুকোষ বা নিউরন অপসারিত হয়। জন্মের সময়ের কাছাকাছি এই প্রক্রিয়ায় মস্তিষ্ক যেন নিজের কোষগুলোর গুণগত মান যাচাই করে অপ্রয়োজনীয় বা ত্রুটিপূর্ণ কোষ সরিয়ে দেয়। নেচার সাময়িকীতে গত ২৮ অক্টোবর প্রকাশিত একটি গবেষণায় মানুষের

  • মঙ্গলের ৪১০ কোটি বছরের পুরনো উল্কাপিণ্ডে প্রাচীন জলময় পরিবেশের সন্ধান

    মঙ্গলের ৪১০ কোটি বছরের পুরনো উল্কাপিণ্ডে প্রাচীন জলময় পরিবেশের সন্ধান

    টেঘাজা ০০১-এর আবিষ্কার মঙ্গল সম্পর্কে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক ধারণাকে আরও শক্তিশালী করেছে—গ্রহটি সব সময় বর্তমানের মতো শীতল ও শুষ্ক ছিল না। তার জন্মলগ্নে সেখানে পানি, আগ্নেয়গিরির কার্যকলাপ এবং তুলনামূলক ঘন বায়ুমণ্ডলসহ ভিন্ন এক পরিবেশ থাকতে পারে।