Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০১ নভেম্বর, ২০২৬
০১ নভেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০১ নভেম্বর, ২০২৬
০১ নভেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
> এক্সপ্লেইনার

ইরানের সঙ্গে চুক্তি নিয়ে ভ্যান্সের দাবি কতটা সত্য?

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ১৯ জুন ২০২৬, ১১: ১৫
ইরানের সঙ্গে চুক্তি নিয়ে ভ্যান্সের দাবি কতটা সত্য?

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ বন্ধে স্বাক্ষরিত সাম্প্রতিক সমঝোতা স্মারক বা প্রাথমিক চুক্তিটিকে আমেরিকান জনগণের বিজয় হিসেবে উল্লেখ করেছেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স। হোয়াইট হাউসে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি ট্রাম্প প্রশাসনের এই চুক্তির পক্ষে সাফাই গেয়ে বলেন, আমেরিকার সব শর্ত না মানলে ইরান কোনো সুবিধাই পাবে না।

Advertisement

তবে মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়, চুক্তিটির সপক্ষে সাফাই গাইতে গিয়ে জেডি ভ্যান্সের বেশ কিছু দাবি স্পষ্টতই অস্পষ্ট, বিভ্রান্তিকর এবং বাস্তবতার সঙ্গে সাংঘর্ষিক।

ভ্যান্সের দাবি, মার্কিন নিষেধাজ্ঞা ও নৌ-অবরোধ তুলে নেওয়া হলেও ইরান তেল বিক্রি থেকে ‘নতুন কোনো আর্থিক সুবিধা’ পাচ্ছে না। রপ্তানি কেবল যুদ্ধপূর্ব অবস্থায় ফিরবে। এই দাবিটি পুরোপুরি বিভ্রান্তিকর।

যুদ্ধের আগে মার্কিন নিষেধাজ্ঞার ভয়ে ইরানকে বাধ্য হয়ে আন্তর্জাতিক বাজারের চেয়ে অনেক কম মূল্যে এবং লুকিয়ে-চুরিয়ে চীনের কাছে তেল বিক্রি করতে হতো। এখন চুক্তি অনুযায়ী মার্কিন অবরোধ উঠে যাওয়ায় ইরান বিশ্ববাজারে চড়া দামে এবং আন্তর্জাতিক কারেন্সিতে তেল বিক্রি করতে পারবে। ফলে ইরান এখান থেকে প্রতি মাসে প্রায় ৪ দশমিক ৫ থেকে ৬ বিলিয়ন ডলারের নতুন রাজস্ব আয় করবে, যা তাদের জন্য বিরাট অর্থনৈতিক সুবিধা।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

ভ্যান্সের দাবি, এই চুক্তির মাধ্যমে ইরান ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ পুরোপুরি বন্ধ করতে এবং তাদের মজুত ধ্বংস করতে সম্মত হয়েছে। এটি ওবামা আমলের চেয়েও শক্তিশালী চুক্তি।

চুক্তির খসড়া অনুযায়ী, ইরান কেবল তার পরমাণু বোমার কাছাকাছি মানের (৬০ শতাংশ সমৃদ্ধ) ইউরেনিয়াম পাতলা করতে রাজি হয়েছে। কিন্তু ওবামা আমলের চুক্তির মতো এই ইউরেনিয়াম দেশ থেকে বের করে দেওয়ার কোনো শর্ত এবার রাখা হয়নি। তাছাড়া ইরান প্রকাশ্যে দাবি করছে যে, নিজেদের বেসামরিক প্রয়োজনে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করার অধিকার তাদের রয়েছে, যা ভ্যান্সের দাবির বিপরীত।

ভ্যান্সের দাবি, ইরান পুনর্গঠনে ৩০০ বিলিয়ন ডলারের একটি তহবিল গঠনের কথা বলা হলেও সেখানে মার্কিন জনগণের এক সেন্টও দেওয়া হবে না। ইরান ভালো আচরণ করলেই কেবল এই সুবিধা পাবে।

তবে সমালোচকদের অভিযোগ, এতে ইরান অনেক বড় আর্থিক সুবিধা পাচ্ছে, কিন্তু বিনিময়ে যুক্তরাষ্ট্র কী পাবে তা স্পষ্ট নয়।

যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ইরান তখনই এসব সুবিধা পাবে, যখন তারা চূড়ান্ত চুক্তির সব শর্ত পুরোপুরি মেনে চলবে এবং তাদের আচরণে পরিবর্তন আনবে।

কিন্তু সমঝোতা স্মারকের ভাষা অনুযায়ী, এটি কার্যকর হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই যুক্তরাষ্ট্র ইরানের অবরুদ্ধ সম্পদ ও আটকে থাকা অর্থ ছাড় করে দেবে। এ কারণেই সমালোচকেরা বলছেন, ইরান হয়তো আগেভাগেই বড় সুবিধা পেয়ে যাবে।

ভ্যান্সের দাবি, মার্কিন সামরিক অভিযানে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থার একটি উল্লেখযোগ্য অংশ ধ্বংস হয়েছে, তাই মিসাইল নিয়ে আপাতত চিন্তার কারণ নেই।

মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থার সর্বশেষ ক্লাসিফাইড রিপোর্ট বলছে, যুদ্ধের পরও ইরানের প্রায় ৭০ শতাংশ মিসাইল বা ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত অক্ষত রয়েছে। এই চুক্তিতে ইরানের ব্যালিস্টিক মিসাইল কর্মসূচি বন্ধের কোনো উল্লেখই নেই, যা যুদ্ধ শুরুর আগে ট্রাম্প প্রশাসনের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য ছিল।

মিসাইল ও পারমাণবিক সক্ষমতা পুরোপুরি ধ্বংস না করেই এই চুক্তি করায় আমেরিকার দীর্ঘদিনের মিত্র ইসরায়েল তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছে। ইসরায়েলি ক্যাবিনেটের এই সমালোচনায় ক্ষিপ্ত হয়ে জেডি ভ্যান্স সরাসরি পাল্টা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, এই মুহূর্তে বিশ্বে ডোনাল্ড ট্রাম্পই একমাত্র রাষ্ট্রপ্রধান যিনি ইসরায়েলের পাশে আছেন। ইসরায়েলি সরকারের উচিত হবে না তাদের একমাত্র শক্তিশালী মিত্রকে এভাবে আক্রমণ করা।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, জেডি ভ্যান্স ২০২৮ সালের মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনকে সামনে রেখে নিজেকে যুদ্ধের বিরোধী এবং শান্তি প্রতিষ্ঠাকারী হিসেবে জাহির করতে চাইছেন। তবে চুক্তির ফাঁকফোকর ও অস্পষ্টতা প্রমাণ করে যে, যুদ্ধ থামানোর তাগিদে ট্রাম্প প্রশাসন ইরানকে অনেক বড় বড় ছাড় দিতে বাধ্য হয়েছে, যা ভ্যান্স তার বক্তব্যে আড়াল করার চেষ্টা করছেন।

বিষয়: আমেরিকাচুক্তিইরানযুদ্ধইসরায়েল
Advertisement
সর্বশেষ
  • ১

    তাহসিফ ও দীপকে ‘ধাওয়া’ দিয়েছিল কারা?

  • ২

    সাংবাদিক নিধি রাজদানের সঙ্গে বিয়ে সারলেন কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর

  • ৩

    মিরপুরে ৩ মেট্রোস্টেশন বন্ধ, পুলিশের গাড়িতে আগুন

  • ৪

    ‘মাদরাসার সভাপতি-সেক্রেটারিও জানে না সেখানে কী পড়ানো হয়’

  • ৫

    ‘শিক্ষার্থীদের শিখন ঘাটতি পূরণে কোনো সরকারই দায়িত্ব পালন করেনি’

সম্পর্কিত
  • তাহসিফ ও দীপকে ‘ধাওয়া’ দিয়েছিল কারা?

    তাহসিফ ও দীপকে ‘ধাওয়া’ দিয়েছিল কারা?

    ঢাকার তুরাগ নদ থেকে বিমানবাহিনীর সাবেক ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট তাহসিফ সাউরির মরদেহ উদ্ধারের তিন দিন পরও মৃত্যুরহস্যের কূলকিনারা করতে পারেনি পুলিশ। এর মধ্যে তাহসিফের বন্ধু শাহরিয়ার রেজা দীপের বক্তব্য নতুন প্রশ্ন তৈরি করেছে। পিবিআইকে দেওয়া তথ্যে দীপ জানিয়েছেন, টঙ্গীর মাজার বস্তিতে তাদের কয়েক

  • সাকিব-তামিমরা নেই, তবুও কেন স্পিন উইকেটে আস্থা বাংলাদেশের?

    সাকিব-তামিমরা নেই, তবুও কেন স্পিন উইকেটে আস্থা বাংলাদেশের?

    বাংলাদেশের ক্রিকেটে মিরপুরের উইকেট বরাবরই এক ধাঁধাঁর বিষয়। বিশেষ করে স্পিন নির্ভর কন্ডিশনে প্রতিপক্ষকে ফাঁদে ফেলার কৌশল হিসেবে ধীরগতির ও অতিরিক্ত টার্নিং উইকেট ব্যবহারের প্রবণতা প্রায় এক যুগ ধরে চলে আসছে। তবে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে মিরপুর টেস্টে সেই কৌশলই বাংলাদেশের জন্য বুমেরাং হয়ে দাঁড়ি

  • মানব মস্তিষ্ক বিকাশের এক জটিল রহস্যের দরজা খুলেছে

    মানব মস্তিষ্ক বিকাশের এক জটিল রহস্যের দরজা খুলেছে

    মানবমস্তিষ্কের বিকাশের একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে বিপুলসংখ্যক জিনগত ত্রুটিযুক্ত স্নায়ুকোষ বা নিউরন অপসারিত হয়। জন্মের সময়ের কাছাকাছি এই প্রক্রিয়ায় মস্তিষ্ক যেন নিজের কোষগুলোর গুণগত মান যাচাই করে অপ্রয়োজনীয় বা ত্রুটিপূর্ণ কোষ সরিয়ে দেয়। নেচার সাময়িকীতে গত ২৮ অক্টোবর প্রকাশিত একটি গবেষণায় মানুষের

  • মঙ্গলের ৪১০ কোটি বছরের পুরনো উল্কাপিণ্ডে প্রাচীন জলময় পরিবেশের সন্ধান

    মঙ্গলের ৪১০ কোটি বছরের পুরনো উল্কাপিণ্ডে প্রাচীন জলময় পরিবেশের সন্ধান

    টেঘাজা ০০১-এর আবিষ্কার মঙ্গল সম্পর্কে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক ধারণাকে আরও শক্তিশালী করেছে—গ্রহটি সব সময় বর্তমানের মতো শীতল ও শুষ্ক ছিল না। তার জন্মলগ্নে সেখানে পানি, আগ্নেয়গিরির কার্যকলাপ এবং তুলনামূলক ঘন বায়ুমণ্ডলসহ ভিন্ন এক পরিবেশ থাকতে পারে।