Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০১ নভেম্বর, ২০২৬
০১ নভেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০১ নভেম্বর, ২০২৬
০১ নভেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
> এক্সপ্লেইনার

জাপানের ‘সূর্যের ডিম’ কেন এত দামি?

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ১৯ জুন ২০২৬, ১৫: ৩৩
জাপানের ‘সূর্যের ডিম’ কেন এত দামি?

জাপানের কিউশু অঞ্চলের মনোরম পরিবেশে উৎপাদিত মিয়াজাকি আম শুধু তার চমৎকার স্বাদের জন্যই নয়, বরং আকাশচুম্বী দামের কারণেও বিশ্বজুড়ে ব্যাপক পরিচিত। টকটকে লাল রঙের এই ফলটিকে ভালোবেসে ‘এগস অব দ্য সান’ বা ‘সূর্যের ডিম’ বলা হয়, যা বিশ্বজুড়ে আমপ্রেমীদের নজর ও মন—দুই-ই কেড়ে নিয়েছে।

Advertisement

মিয়াজাকি অ্যাগ্রিকালচারাল ইকোনমিক ফেডারেশনের হিসাব অনুযায়ী, জাপানের সূর্যডিম বা মিয়াজাকি বিশ্বের সবচেয়ে দামি আম। জাপানে ২০১৯ সালে এক জোড়া মিয়াজাকির দাম উঠেছিল প্রায় পাঁচ হাজার ডলার, অর্থাৎ চার লাখ টাকার বেশি। যেখানে বাংলাদেশের জনপ্রিয় আম্রপালি বা হিমসাগর আমের দাম প্রতি কেজি মাত্র ১০০ টাকা বা তার কম, সেখানে এই মিয়াজাকি আমের বিশেষত্ব কী, যার কারণে এর দাম এত বেশি?

একটি মিয়াজাকি আমের গাছ থেকে বাজারে পৌঁছানোর প্রক্রিয়াটি সাধারণ কোনো ফলের মতো নয়। এগুলোকে অত্যন্ত যত্ন সহকারে চাষ করা হয়।

প্রতিটি আমের জন্য আলাদাভাবে যত্ন নেওয়া হয়। এগুলোকে ছোট ছোট জালে ঢেকে রাখা হয়, যা ফলকে পোকামাকড় থেকে রক্ষা করে। একইসাথে আম পাকার পর গাছ থেকে ঝরে যাতে মাটিতে পড়ে কোনো আঘাত না পায়, বরং জালের ভেতরেই আলতোভাবে আটকে থাকে, তা নিশ্চিত করে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement
বদরুদ্দোজা আম খেয়েছেন কখনো?Mango

মার্কিন গণমাধ্যম বিজনেস ইনসাইডারের এক প্রতিবেদনে জানা যায়, এই আমগুলো গ্রিনহাউসে চাষ করা হয়। সেখানে এর নিখুঁত ফলনের জন্য তাপমাত্রা, আর্দ্রতা এবং সূর্যালোক কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হয়।

চাষিরা প্রায়ই নিজের হাত দিয়ে আমের মুকুলের পরাগায়ন ঘটান। এটি অত্যন্ত শ্রমসাধ্য ও সময়সাপেক্ষ প্রক্রিয়া হলেও, ফলের চমৎকার গঠন ও গুণগত মান নিশ্চিত করতে দারুণ ভূমিকা রাখে।

মিয়াজাকি আম মালাইয়ের মতো ক্রিমি টেক্সচারের জন্য বিখ্যাত। ছবি: সংগৃহীত
মিয়াজাকি আম মালাইয়ের মতো ক্রিমি টেক্সচারের জন্য বিখ্যাত। ছবি: সংগৃহীত

মিয়াজাকি আম চাষের এই কঠোর পদ্ধতির কারণে স্বাভাবিকভাবেই এর উৎপাদন ও সরবরাহ বেশ সীমিত থাকে। তা ছাড়া, উৎপাদনের পর অত্যন্ত কড়া বাছাই প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হয় বলে, উৎপাদিত সব আমের মধ্যে কেবল একটি ছোট অংশই প্রিমিয়াম বা অভিজাত বাজারে জায়গা পায়। বিশ্বজুড়ে বিলাসবহুল ও দুর্লভ ফলের চাহিদা বাড়ার বিপরীতে এই সীমিত সরবরাহ এর দামকে আকাশচুম্বী করে তোলে।

মিয়াজাকি আমের এই চড়া দামের আসল রহস্য লুকিয়ে আছে এর গুণমানের মধ্যে। এই আমগুলো তাদের অতুলনীয় মিষ্টি স্বাদ এবং মুখে দিলেই মিলিয়ে যাওয়া মালাইয়ের মতো ক্রিমি টেক্সচারের জন্য বিখ্যাত, যা একে অন্য সব জাতের আম থেকে সম্পূর্ণ আলাদা করেছে।

আম খেলে শরীরে কী কী উপকার পাওয়া যায়?Mango

স্বাদের পাশাপাশি এই আমের বাহ্যিক সৌন্দর্যও এর মূল্য বাড়াতে বড় ভূমিকা রাখে। আমগুলোকে অত্যন্ত যত্ন সহকারে দৃষ্টিনন্দন ও প্রিমিয়াম লেভেল বক্সে প্যাকেট করা হয়। এই চমৎকার উপস্থাপনা আমটিকে একটি বিলাসবহুল পণ্যের মর্যাদায় নিয়ে গিয়েছে।

গত কয়েক বছর ধরে বাংলাদেশসহ ভারতীয় উপমহাদেশে মিয়াজাকি আমের চাষ হচ্ছে। শুরুতে শখের বশে হলেও এখন বাণিজ্যিকভাবে চাষ হচ্ছে। দেশের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম থেকে জানা যায়, দিনাজপুর, নাটোর, পার্বত্য চট্টগ্রাম মিয়াজাকি আমের চাষ হয়। এছাড়া রাজধানীর আসাদগেট এলাকায় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের ফলের বাগানেও ছোট কয়েকটি মিয়াজাকি আমগাছ রয়েছে। সেখানেও ভালো ফলন হয়।

তবে পার্বত্য চট্টগ্রামে মিয়াজাকি আমের চাষ বেশি হয়। কারণ আবহাওয়া। পাহাড়ের উঁচু স্থানে দিনে গরম বেশি থাকলেও রাতে তা কমে আসে। এই কম তাপমাত্রা আমের মিষ্টতা তৈরির প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করে। পাহাড়ে এই প্রক্রিয়া দ্রুত হয়।

বিষয়: আমস্বাদকাহননাটোরপার্বত্য চট্টগ্রামজাপানবাংলাদেশদিনাজপুর
Advertisement
সর্বশেষ
  • ১

    তাহসিফ ও দীপকে ‘ধাওয়া’ দিয়েছিল কারা?

  • ২

    সাংবাদিক নিধি রাজদানের সঙ্গে বিয়ে সারলেন কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর

  • ৩

    মিরপুরে ৩ মেট্রোস্টেশন বন্ধ, পুলিশের গাড়িতে আগুন

  • ৪

    ‘মাদরাসার সভাপতি-সেক্রেটারিও জানে না সেখানে কী পড়ানো হয়’

  • ৫

    ‘শিক্ষার্থীদের শিখন ঘাটতি পূরণে কোনো সরকারই দায়িত্ব পালন করেনি’

সম্পর্কিত
  • তাহসিফ ও দীপকে ‘ধাওয়া’ দিয়েছিল কারা?

    তাহসিফ ও দীপকে ‘ধাওয়া’ দিয়েছিল কারা?

    ঢাকার তুরাগ নদ থেকে বিমানবাহিনীর সাবেক ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট তাহসিফ সাউরির মরদেহ উদ্ধারের তিন দিন পরও মৃত্যুরহস্যের কূলকিনারা করতে পারেনি পুলিশ। এর মধ্যে তাহসিফের বন্ধু শাহরিয়ার রেজা দীপের বক্তব্য নতুন প্রশ্ন তৈরি করেছে। পিবিআইকে দেওয়া তথ্যে দীপ জানিয়েছেন, টঙ্গীর মাজার বস্তিতে তাদের কয়েক

  • সাকিব-তামিমরা নেই, তবুও কেন স্পিন উইকেটে আস্থা বাংলাদেশের?

    সাকিব-তামিমরা নেই, তবুও কেন স্পিন উইকেটে আস্থা বাংলাদেশের?

    বাংলাদেশের ক্রিকেটে মিরপুরের উইকেট বরাবরই এক ধাঁধাঁর বিষয়। বিশেষ করে স্পিন নির্ভর কন্ডিশনে প্রতিপক্ষকে ফাঁদে ফেলার কৌশল হিসেবে ধীরগতির ও অতিরিক্ত টার্নিং উইকেট ব্যবহারের প্রবণতা প্রায় এক যুগ ধরে চলে আসছে। তবে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে মিরপুর টেস্টে সেই কৌশলই বাংলাদেশের জন্য বুমেরাং হয়ে দাঁড়ি

  • মানব মস্তিষ্ক বিকাশের এক জটিল রহস্যের দরজা খুলেছে

    মানব মস্তিষ্ক বিকাশের এক জটিল রহস্যের দরজা খুলেছে

    মানবমস্তিষ্কের বিকাশের একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে বিপুলসংখ্যক জিনগত ত্রুটিযুক্ত স্নায়ুকোষ বা নিউরন অপসারিত হয়। জন্মের সময়ের কাছাকাছি এই প্রক্রিয়ায় মস্তিষ্ক যেন নিজের কোষগুলোর গুণগত মান যাচাই করে অপ্রয়োজনীয় বা ত্রুটিপূর্ণ কোষ সরিয়ে দেয়। নেচার সাময়িকীতে গত ২৮ অক্টোবর প্রকাশিত একটি গবেষণায় মানুষের

  • মঙ্গলের ৪১০ কোটি বছরের পুরনো উল্কাপিণ্ডে প্রাচীন জলময় পরিবেশের সন্ধান

    মঙ্গলের ৪১০ কোটি বছরের পুরনো উল্কাপিণ্ডে প্রাচীন জলময় পরিবেশের সন্ধান

    টেঘাজা ০০১-এর আবিষ্কার মঙ্গল সম্পর্কে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক ধারণাকে আরও শক্তিশালী করেছে—গ্রহটি সব সময় বর্তমানের মতো শীতল ও শুষ্ক ছিল না। তার জন্মলগ্নে সেখানে পানি, আগ্নেয়গিরির কার্যকলাপ এবং তুলনামূলক ঘন বায়ুমণ্ডলসহ ভিন্ন এক পরিবেশ থাকতে পারে।