Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০১ নভেম্বর, ২০২৬
০১ নভেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০১ নভেম্বর, ২০২৬
০১ নভেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
> এক্সপ্লেইনার

‘হ্যালো’ এল কী করে

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ০৬ নভেম্বর ২০২৫, ১০: ৫৫
‘হ্যালো’ এল কী করে

ফোনে কথা বলার সময় ‘হ্যালো’ শব্দটি ছাড়া কথোপকথন শুরু করা প্রায় অসম্ভব। আলেকজান্ডার গ্রাহাম বেল টেলিফোন আবিষ্কার করেছিলেন- এ কথা অজানা নয়। কিন্তু অনেকেই জানেন না, ‘হ্যালো’ শব্দটি টেলিফোনের জন্য জনপ্রিয় করেছিলেন আরেক মহান উদ্ভাবক থমাস আলভা এডিসন, যিনি বৈদ্যুতিক বাল্বেরও আবিষ্কারক।

Advertisement

টেলিফোন আবিষ্কারের সময় একটি বড় প্রশ্ন ছিল-ফোনের অপর প্রান্তে থাকা মানুষকে কীভাবে বোঝানো যাবে যে কেউ কথা বলতে চায়। তখন কল করার জন্য কোনো রিং বা বেল ব্যবস্থা ছিল না। তাই ব্যবহারকারীদের এমন একটি শব্দ দরকার ছিল যা দূর থেকেও সহজে শোনা যায় এবং মনোযোগ আকর্ষণ করতে পারে।

এই সমস্যার সমাধান করেন থমাস এডিসন। ১৮৭৭ সালের ১৫ আগস্ট তিনি পেনসিলভানিয়ার পিটসবার্গ শহরের এক টেলিগ্রাফ কোম্পানির প্রেসিডেন্ট টি. বি. এ. ডেভিডকে একটি চিঠি লেখেন। সেখানে তিনি লিখেছিলেন, “বন্ধু ডেভিড, আমার মনে হয় আমাদের কোনো কল বেলের দরকার হবে না, কারণ ‘হ্যালো’ শব্দটি ১০ থেকে ২০ ফুট দূর থেকেও শোনা যায়।“

এই চিঠিটা অনেক বছর পর পাওয়া যায় নিউইয়র্কের আমেরিকান টেলিফোন অ্যান্ড টেলিগ্রাফ কোম্পানির আর্কাইভে। অ্যালেন কোয়েনিগসবর্গ নামের এক অধ্যাপক পাঁচ বছরের গবেষণার পর এটি খুঁজে পান। তার গবেষণার মাধ্যমেই প্রথম জানা যায় যে, টেলিফোনে প্রথম ‘হ্যালো’ শব্দটি ব্যবহারের পরামর্শ দিয়েছিলেন এডিসন।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

প্রথম দিকে ‘হ্যালো’ শব্দটির সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিল, ‘কী চাই’। অনেকেই মনে করতেন এই প্রশ্ন দিয়েই কথোপকথন শুরু করা উচিত। কিন্তু সময়ের সাথে ‘হ্যালো’ সহজ উচ্চারণ ও বন্ধুত্বপূর্ণ ভাবের কারণে দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে ওঠে।

১৮৭৮ সালে যখন যুক্তরাষ্ট্রের কানেটিকাটের নিউ হেভেনে প্রথম পাবলিক টেলিফোন এক্সচেঞ্জ চালু হয়, তখন ‘হ্যালো’ শব্দটি ব্যবহার শুরু হয়। এরপর ১৮৮০ সালের দিকে শব্দটি সারা দুনিয়ায় জনপ্রিয় হয়ে যায়।

তবে টেলিফোনের আবিষ্কারক গ্রাহাম বেল নিজে কিন্তু ‘হ্যাল ‘ শব্দটি ব্যবহার করতেন না। তিনি পছন্দ করতেন ‘আহয়’ শব্দটি, যা তখন নাবিকরা জাহাজে ব্যবহার করতেন যোগাযোগের সময়। তবে এডিসনের ‘হ্যালো’ এত দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে যায় যে বেলের ‘আহয়’ টিকতেই পারেনি।

বর্তমানে ‘হ্যালো’ শুধু ফোনে নয়, সামনাসামনি কথোপকথনেরও সবচেয়ে প্রচলিত শব্দ। এটি ভদ্রতা, সৌজন্য ও বন্ধুত্বের প্রতীক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এমনকি বিভিন্ন ভাষার মানুষও শব্দটি বোঝে এবং ব্যবহার করে।

প্রযুক্তি যতই আধুনিক হোক না কেন, টেলিফোনে ‘হ্যালো’ বলার প্রথা এখনো অপরিবর্তিত। এটি শুধু একটি শব্দ নয়-মানুষের পারস্পরিক যোগাযোগের ইতিহাসে এক বন্ধুত্বপূর্ণ সেতুবন্ধন। শতাব্দী পেরিয়ে গেলেও ‘হ্যালো’ রয়ে গেছে সেই আগের মতোই আন্তরিক, সহজ ও বিশ্বজনীন অভিবাদন হিসেবে।

বিষয়: কথোপকথনযুক্তরাষ্ট্রফোনালাপফোনযোগাযোগ
Advertisement
সর্বশেষ
  • ১

    তাহসিফ ও দীপকে ‘ধাওয়া’ দিয়েছিল কারা?

  • ২

    সাংবাদিক নিধি রাজদানের সঙ্গে বিয়ে সারলেন কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর

  • ৩

    মিরপুরে ৩ মেট্রোস্টেশন বন্ধ, পুলিশের গাড়িতে আগুন

  • ৪

    ‘মাদরাসার সভাপতি-সেক্রেটারিও জানে না সেখানে কী পড়ানো হয়’

  • ৫

    ‘শিক্ষার্থীদের শিখন ঘাটতি পূরণে কোনো সরকারই দায়িত্ব পালন করেনি’

সম্পর্কিত
  • তাহসিফ ও দীপকে ‘ধাওয়া’ দিয়েছিল কারা?

    তাহসিফ ও দীপকে ‘ধাওয়া’ দিয়েছিল কারা?

    ঢাকার তুরাগ নদ থেকে বিমানবাহিনীর সাবেক ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট তাহসিফ সাউরির মরদেহ উদ্ধারের তিন দিন পরও মৃত্যুরহস্যের কূলকিনারা করতে পারেনি পুলিশ। এর মধ্যে তাহসিফের বন্ধু শাহরিয়ার রেজা দীপের বক্তব্য নতুন প্রশ্ন তৈরি করেছে। পিবিআইকে দেওয়া তথ্যে দীপ জানিয়েছেন, টঙ্গীর মাজার বস্তিতে তাদের কয়েক

  • সাকিব-তামিমরা নেই, তবুও কেন স্পিন উইকেটে আস্থা বাংলাদেশের?

    সাকিব-তামিমরা নেই, তবুও কেন স্পিন উইকেটে আস্থা বাংলাদেশের?

    বাংলাদেশের ক্রিকেটে মিরপুরের উইকেট বরাবরই এক ধাঁধাঁর বিষয়। বিশেষ করে স্পিন নির্ভর কন্ডিশনে প্রতিপক্ষকে ফাঁদে ফেলার কৌশল হিসেবে ধীরগতির ও অতিরিক্ত টার্নিং উইকেট ব্যবহারের প্রবণতা প্রায় এক যুগ ধরে চলে আসছে। তবে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে মিরপুর টেস্টে সেই কৌশলই বাংলাদেশের জন্য বুমেরাং হয়ে দাঁড়ি

  • মানব মস্তিষ্ক বিকাশের এক জটিল রহস্যের দরজা খুলেছে

    মানব মস্তিষ্ক বিকাশের এক জটিল রহস্যের দরজা খুলেছে

    মানবমস্তিষ্কের বিকাশের একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে বিপুলসংখ্যক জিনগত ত্রুটিযুক্ত স্নায়ুকোষ বা নিউরন অপসারিত হয়। জন্মের সময়ের কাছাকাছি এই প্রক্রিয়ায় মস্তিষ্ক যেন নিজের কোষগুলোর গুণগত মান যাচাই করে অপ্রয়োজনীয় বা ত্রুটিপূর্ণ কোষ সরিয়ে দেয়। নেচার সাময়িকীতে গত ২৮ অক্টোবর প্রকাশিত একটি গবেষণায় মানুষের

  • মঙ্গলের ৪১০ কোটি বছরের পুরনো উল্কাপিণ্ডে প্রাচীন জলময় পরিবেশের সন্ধান

    মঙ্গলের ৪১০ কোটি বছরের পুরনো উল্কাপিণ্ডে প্রাচীন জলময় পরিবেশের সন্ধান

    টেঘাজা ০০১-এর আবিষ্কার মঙ্গল সম্পর্কে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক ধারণাকে আরও শক্তিশালী করেছে—গ্রহটি সব সময় বর্তমানের মতো শীতল ও শুষ্ক ছিল না। তার জন্মলগ্নে সেখানে পানি, আগ্নেয়গিরির কার্যকলাপ এবং তুলনামূলক ঘন বায়ুমণ্ডলসহ ভিন্ন এক পরিবেশ থাকতে পারে।