Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০১ নভেম্বর, ২০২৬
০১ নভেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০১ নভেম্বর, ২০২৬
০১ নভেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
> এক্সপ্লেইনার

যুদ্ধের মাঝেও প্রাণবন্ত আমেরিকার তেলের বাজার, কারণ কী?

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ২৯ মার্চ ২০২৬, ১১: ১৮
যুদ্ধের মাঝেও প্রাণবন্ত আমেরিকার তেলের বাজার, কারণ কী?

‘‘বাজার তার আপন গতিতেই চলে”—গত ২৩ মার্চ হিউস্টনে একটি অনুষ্ঠানে তেল ব্যবসায়ীদের সামনে এভাবেই বক্তব্য শুরু করেন আমেরিকার জ্বালানিমন্ত্রী ক্রিস রাইট। ‘সেরাউইক এনার্জি কনফারেন্সে’ এই অনুষ্ঠান শিল্পখাতের এক বিশাল সম্মেলন। এই অনুষ্ঠানে উদ্বোধনী বক্তা হিসেবে আমেরিকার জ্বালানিমন্ত্রী আশাবাদী সুর তোলেন। ইরান যুদ্ধে তেলের বাজার অস্থিতিশীল থাকলেও, আমেরিকার তেলের বাজারে এখন সুসময় বিরাজ করছে।

Advertisement

ব্রিটিশ সাময়িকী ইকোনমিস্টের প্রতিবেদনে বলা হয়, আমেরিকার তেলের রাজধানীখ্যাত টেক্সাসে তেলের দাম প্রতি ব্যারেলে ১০০ ডলার ছুঁলেই যেন উৎসব শুরু হয়। পরামর্শক প্রতিষ্ঠান ‘রাইস্ট্যাড’-এর হিসাব অনুযায়ী, যদি সারা বছর এই দাম বজায় থাকে, তবে আমেরিকার তেল কোম্পানিগুলো ৬০ বিলিয়ন ডলারের বেশি অতিরিক্ত মুনাফা অর্জন করবে।

তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) বিক্রেতারাও লাভবান হচ্ছেন। কাতারের জাতীয় জ্বালানি কোম্পানি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বৈশ্বিক সরবরাহের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ কমে গেছে, যা কয়েক মাস স্থায়ী হতে পারে। এর ফলে আমেরিকার এলএনজি প্রতিষ্ঠান ‘ভেঞ্চার গ্লোবাল’-এর শেয়ারের দাম গত এক মাসে দ্বিগুণ হয়েছে। সেরাউইক সম্মেলনে তাদের আয়োজিত অনুষ্ঠানে ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ।

আমেরিকার একটি তেল কোম্পানির সাবেক নির্বাহী কর্মকর্তা ক্রিস রাইট মনে করছেন, চলমান যুদ্ধের প্রভাব মূলত ইতিবাচক। তার ভাষায়, “তেলের দাম এখনও এতটা বাড়েনি যা চাহিদা ধ্বংস করবে, তবে উৎপাদন বাড়ানোর জন্য যথেষ্ট।”

Advertisement
Advertisement
Advertisement

তবে এই আশাবাদের মাঝেও তিনটি বড় উদ্বেগ রয়েছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: রয়টার্স
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: রয়টার্স

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই সংঘাত থেকে বের হওয়ার পথ খুঁজছেন, কিন্তু যুদ্ধ আরও দীর্ঘায়িত হতে পারে—বিশেষ করে যদি ইরান হরমুজ প্রণালী অবরুদ্ধ করে রাখে।

সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী জেনারেল জিম ম্যাটিস ব্যাখ্যা করেছেন, কীভাবে ইরান এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারে। তার মতে, “ভালো কোনো বিকল্প খুব একটা নেই।” অন্যদিকে, শেভরন-এর প্রধান মাইক ওয়ার্থ সতর্ক করে বলেছেন, বাজার বর্তমানে খুব সীমিত তথ্যের ওপর নির্ভর করছে।

অনিশ্চয়তা আমেরিকার তেলের উৎপাদন বাড়াতে নিরুৎসাহিত করছে। সেরাউইক-এ কর্মকর্তারা স্পষ্ট করেছেন, তারা ‘ক্যাপিটাল ডিসিপ্লিন’ বজায় রাখতে চান। অতীতে তেলের বাজার ধসের সময় বিনিয়োগকারীরা প্রায় ৩০০ বিলিয়ন ডলার হারিয়েছিলেন, যা এখনো তাদের মনে রয়েছে।

মার্কিন ক্রেডিট রেটিং এজেন্সি ও আর্থিক তথ্য সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান এসঅ্যান্ডপি গ্লোবাল-এর রাউল লেব্ল্যাঙ্কের মতে, বিনিয়োগ বাড়াতে হলে অন্তত ছয় মাস ধরে তেলের দাম ১০০ ডলারের ওপরে থাকতে হবে এবং ভবিষ্যৎ বাজারেও ইতিবাচক প্রবণতা থাকতে হবে। যা বর্তমানে অনুপস্থিত।

নরওয়েভিত্তিক শীর্ষস্থানীয় স্বাধীন জ্বালানি গবেষণা ও বিজনেস ইন্টেলিজেন্স কোম্পানি রাইস্ট্যাড-এর ম্যাথিউ বার্নস্টাইন জানান, কম বিনিয়োগের কারণে দ্রুত উৎপাদনে আনা যায় এমন কূপের সংখ্যা কমে গেছে।

শক্তি, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, রাসায়নিক, ধাতু এবং খনির খাতের তথ্য, বিশ্লেষণ এবং পরামর্শ প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান উড ম্যাকেঞ্জি-র ফ্রেজার ম্যাককে বলেন, এখন বিনিয়োগ শুরু করলেও বাজারে নতুন তেল আসতে তিন থেকে নয় মাস সময় লাগবে।

প্রতীকী ছবি
প্রতীকী ছবি

বিশ্বে অস্থিরতা হলেও আমেরিকার প্রাকৃতিক গ্যাসের বাজারে তেমন প্রভাব পড়ে না। তবে গবেষণা প্রতিষ্ঠান ব্লুমবার্গ এনইএফ-এর এনরিক গঞ্জালেজের মতে, “স্বল্প ও মধ্যমেয়াদে ইরান সংঘাতের ফলে আমেরিকার গ্যাস উৎপাদন বাড়ার সম্ভাবনা কম।”

বিশ্লেষকরা বলছেন, স্বল্পমেয়াদে গ্যাস সরবরাহ সংকট দাম ও মুনাফা বাড়াবে। কিন্তু দীর্ঘমেয়াদে এটি চাহিদা হ্রাসের ঝুঁকি তৈরি করছে। বিশেষ করে এশিয়ায়, যেখানে মধ্যপ্রাচ্যের জ্বালানির ওপর নির্ভরতা বেশি, এরইমধ্যে এর প্রভাব দেখা যাচ্ছে।

এর আগেই বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছিলেন যে, জলবায়ু আইন, নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রসার এবং বৈদ্যুতিক যানবাহনের বৃদ্ধির কারণে তেলের চাহিদা শিগগিরই সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছে কমতে শুরু করতে পারে।

বর্তমানে আমেরিকার তেল ব্যবসায়ীরা উচ্চ দামে মুনাফা উপভোগ করছেন। কিন্তু এই উচ্ছ্বাস কতদিন স্থায়ী হবে, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়ে গেছে। আগামী বছর যখন তারা আবার একত্রিত হবেন, তখন হয়ত এই প্রাণবন্ত পরিবেশ আর দেখা নাও দেখা যেতে পারে।

বিষয়: জ্বালানিআমেরিকাইরানযুদ্ধইসরায়েল
Advertisement
সর্বশেষ
  • ১

    তাহসিফ ও দীপকে ‘ধাওয়া’ দিয়েছিল কারা?

  • ২

    সাংবাদিক নিধি রাজদানের সঙ্গে বিয়ে সারলেন কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর

  • ৩

    মিরপুরে ৩ মেট্রোস্টেশন বন্ধ, পুলিশের গাড়িতে আগুন

  • ৪

    ‘মাদরাসার সভাপতি-সেক্রেটারিও জানে না সেখানে কী পড়ানো হয়’

  • ৫

    ‘শিক্ষার্থীদের শিখন ঘাটতি পূরণে কোনো সরকারই দায়িত্ব পালন করেনি’

সম্পর্কিত
  • তাহসিফ ও দীপকে ‘ধাওয়া’ দিয়েছিল কারা?

    তাহসিফ ও দীপকে ‘ধাওয়া’ দিয়েছিল কারা?

    ঢাকার তুরাগ নদ থেকে বিমানবাহিনীর সাবেক ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট তাহসিফ সাউরির মরদেহ উদ্ধারের তিন দিন পরও মৃত্যুরহস্যের কূলকিনারা করতে পারেনি পুলিশ। এর মধ্যে তাহসিফের বন্ধু শাহরিয়ার রেজা দীপের বক্তব্য নতুন প্রশ্ন তৈরি করেছে। পিবিআইকে দেওয়া তথ্যে দীপ জানিয়েছেন, টঙ্গীর মাজার বস্তিতে তাদের কয়েক

  • সাকিব-তামিমরা নেই, তবুও কেন স্পিন উইকেটে আস্থা বাংলাদেশের?

    সাকিব-তামিমরা নেই, তবুও কেন স্পিন উইকেটে আস্থা বাংলাদেশের?

    বাংলাদেশের ক্রিকেটে মিরপুরের উইকেট বরাবরই এক ধাঁধাঁর বিষয়। বিশেষ করে স্পিন নির্ভর কন্ডিশনে প্রতিপক্ষকে ফাঁদে ফেলার কৌশল হিসেবে ধীরগতির ও অতিরিক্ত টার্নিং উইকেট ব্যবহারের প্রবণতা প্রায় এক যুগ ধরে চলে আসছে। তবে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে মিরপুর টেস্টে সেই কৌশলই বাংলাদেশের জন্য বুমেরাং হয়ে দাঁড়ি

  • মানব মস্তিষ্ক বিকাশের এক জটিল রহস্যের দরজা খুলেছে

    মানব মস্তিষ্ক বিকাশের এক জটিল রহস্যের দরজা খুলেছে

    মানবমস্তিষ্কের বিকাশের একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে বিপুলসংখ্যক জিনগত ত্রুটিযুক্ত স্নায়ুকোষ বা নিউরন অপসারিত হয়। জন্মের সময়ের কাছাকাছি এই প্রক্রিয়ায় মস্তিষ্ক যেন নিজের কোষগুলোর গুণগত মান যাচাই করে অপ্রয়োজনীয় বা ত্রুটিপূর্ণ কোষ সরিয়ে দেয়। নেচার সাময়িকীতে গত ২৮ অক্টোবর প্রকাশিত একটি গবেষণায় মানুষের

  • মঙ্গলের ৪১০ কোটি বছরের পুরনো উল্কাপিণ্ডে প্রাচীন জলময় পরিবেশের সন্ধান

    মঙ্গলের ৪১০ কোটি বছরের পুরনো উল্কাপিণ্ডে প্রাচীন জলময় পরিবেশের সন্ধান

    টেঘাজা ০০১-এর আবিষ্কার মঙ্গল সম্পর্কে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক ধারণাকে আরও শক্তিশালী করেছে—গ্রহটি সব সময় বর্তমানের মতো শীতল ও শুষ্ক ছিল না। তার জন্মলগ্নে সেখানে পানি, আগ্নেয়গিরির কার্যকলাপ এবং তুলনামূলক ঘন বায়ুমণ্ডলসহ ভিন্ন এক পরিবেশ থাকতে পারে।