Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০১ নভেম্বর, ২০২৬
০১ নভেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০১ নভেম্বর, ২০২৬
০১ নভেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
> এক্সপ্লেইনার

আমেরিকার জিসোমিয়া চুক্তি: কারা করেছে, কী লাভ, কী ক্ষতি?

ইয়াসিন আরাফাত

ইয়াসিন আরাফাত

প্রকাশ : ১৬ মে ২০২৬, ১৫: ০৯
আমেরিকার জিসোমিয়া চুক্তি: কারা করেছে, কী লাভ, কী ক্ষতি?

আমেরিকা ও বাংলাদেশের মধ্যে কৌশলগত প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষর নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বেশ আলোচনা চলছে। দাবি করা হচ্ছে, বাংলাদেশ ও আমেরিকা কৌশলগত প্রতিরক্ষা চুক্তি নিয়ে কাজ করছে। বলা হচ্ছে, এমন চুক্তিতে বাংলাদেশের বন্দর ও বিমানঘাঁটি অবকাঠামোতে মার্কিন বাহিনীর প্রবেশের সুযোগ থাকতে পারে। যদিও ঢাকা ও ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য দেওয়া হয়নি। তাই বলে গুঞ্জন থামছে না।

Advertisement

আমেরিকা ও বাংলাদেশের মধ্যে কৌশলগত প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষরের ক্ষেত্রে দুটি চুক্তি নিয়ে কথা হচ্ছে বেশ। একটি হলো-জেনারেল সিকিউরিটি অব মিলিটারি ইনফরমেশন এগ্রিমেন্ট ( GSOMIA), যা বাংলাদেশে জিসোমিয়া হিসেবে পরিচিত। আরেকটি হলো- অ্যাকুইজিশন অ্যান্ড ক্রস-সার্ভিসিং এগ্রিমেন্ট (ACSA)। এটি পরিচিত আকসা নামে।

চলুন জেনে নিই, এই জিসোমিয়া চুক্তি আসলে কী? কোন কোন দেশ আমেরিকার সঙ্গে এই চুক্তি করেছে? আর এই চুক্তির আওতায় আমেরিকা কি সুবিধা পায়?

জেনারেল সিকিউরিটি অব মিলিটারি ইনফরমেশন এগ্রিমেন্ট বা জিসোমিয়া হলো একটি দেশের সঙ্গে অন্য দেশের স্বাক্ষরিত একটি আইনি ও কৌশলগত প্রতিরক্ষা চুক্তি। এই চুক্তির মূল লক্ষ্য হলো অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর মধ্যে অত্যন্ত সংবেদনশীল এবং গোয়েন্দা তথ্য সুরক্ষিতভাবে আদান-প্রদানের একটি আইনি কাঠামো তৈরি করা। এটি মূলত দুই বা ততোধিক দেশের সামরিক বাহিনীর মধ্যে পারস্পরিক আস্থা বাড়াতে এবং যৌথ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কাজ করে। প্রায়শই এটি লজিস্টিকস সহযোগিতার চুক্তি এসিএসএ (আকসা)-এর পরিপূরক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

কোন কোন দেশের সঙ্গে আমেরিকার জিসোমিয়া আছে?

যুক্তরাষ্ট্র বেশ কয়েকটি মিত্র দেশের সঙ্গে এ চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। ভারত ২০০২ সালে আমেরিকার সঙ্গে জিসোমিয়া চুক্তি করে। ২০২৪ সালের নভেম্বরে সবশেষ ফিলিপাইনের সঙ্গে এ চুক্তি করে।

জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়া উভয় দেশের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিপক্ষীয় জিসোমিয়া চুক্তি আছে। আবার জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যে আলাদা একইধরনের চুক্তি রয়েছে। ২০১৬ সালের ২৩ নভেম্বর জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়া জিসোমিয়া চুক্তিতে স্বাক্ষর করে। এটি দুই দেশের মধ্যে প্রথম সামরিক তথ্য আদান-প্রদান চুক্তি । এর উদ্দেশ্য ছিল উত্তর কোরিয়ার ক্রমবর্ধমান নিউক্লিয়ার ও মিসাইল হুমকি মোকাবিলায় ক্লাসিফাইড সামরিক তথ্য সরাসরি আদানপ্রদান করা।

অন্যান্য মিত্র দেশ যেমন অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য,কানাডা, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, তুরস্ক, পোল্যান্ড, স্পেন, নেদারল্যান্ডস, নরওয়ে এবং কয়েকটি ইন্দো-প্যাসিফিক দেশের সঙ্গেও আমেরিকার জিসোমিয়া চুক্তি রয়েছে।

আমেরিকার সঙ্গে জিসোমিয়া চুক্তি হলে কী সুবিধা পাওয়া যায়?

জিসোমিয়া চুক্তিতে আমেরিকার স্যাটেলাইট, রাডার ও গোয়েন্দা তথ্য পাওয়া যায়, যা আঞ্চলিক হুমকি মোকাবিলায় সাহায্য করে বলে দাবি করা হয়। এছাড়া উন্নত অস্ত্র যেমন: মিসাইল, ড্রোন, রাডার ইত্যাদি কেনা সহজ হয় এবং প্রযুক্তি হস্তান্তরের পথ খোলে। আমেরিকার সঙ্গে জিসোমিয়া চুক্তি হলে মার্কিন বাহিনীর সঙ্গে প্রশিক্ষণ ও অপারেশনাল সহযোগিতা বৃদ্ধি পায়। তবে সমালোচকদের মতে, এ ধরনের চুক্তি সক্ষমতা বৃদ্ধি করে তবে অন্যদিকে কোনো সুর্নিদিষ্ট দেশের সার্বভৌমত্ব ও কূটনৈতিক নিরাপত্তাকেও প্রশ্নের মুখে ফেলে দেওয়ার আশঙ্কা থাকে।

জিসোমিয়া চুক্তিতে আমেরিকা কী সুবিধা পায়?

মার্কিন সামরিক বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থা সহজে অংশীদার দেশের সঙ্গে গোয়েন্দা তথ্য, স্যাটেলাইট ডেটা, মিসাইল ট্র্যাকিং এবং আঞ্চলিক হুমকি সম্পর্কিত তথ্য পায়। এতে যুক্তরাষ্ট্রের নজরদারি ক্ষমতা বাড়ে।

চুক্তি ছাড়া আমেরিকার উন্নত অস্ত্র (যেমন মিসাইল সিস্টেম, ড্রোন, এনক্রিপ্টেড কমিউনিকেশন) বিক্রি করা কঠিন। জিসোমিয়া চুক্তি স্বাক্ষরিত হলে অংশীদার দেশগুলোর উন্নত প্রযুক্তি নাগাল পাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়। এবং স্বাভাবিকভাবে মার্কিন প্রভাব ও বাণিজ্য বাড়ে।

জিসোমিয়া চুক্তি আঞ্চলিক প্রভাব বিস্তারে বেশ গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে ইন্দো-প্যাসিফিকে চীনের প্রভাব মোকাবিলায় এ চুক্তি যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত হাতিয়ার। যুক্তরাষ্ট্র অংশীদার দেশের অবকাঠামো ও তথ্যের মাধ্যমে নিজের কৌশলগত অবস্থান শক্তিশালী করে। এছাড়া জিসোমিয়া চুক্তি হলে যৌথ মহড়া, অপারেশন এবং সংকটকালীন সমন্বয় সহজ হয়।

তথ্যসূত্র: দ্য ডিপ্লোম্যাট, সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজ, স্টিমসন, স্প্রিঙ্গার ন্যাচার লিঙ্ক

বিষয়: আমেরিকাবাংলাদেশচুক্তিঅস্ত্রযুক্তরাষ্ট্র
Advertisement
সর্বশেষ
  • ১

    তাহসিফ ও দীপকে ‘ধাওয়া’ দিয়েছিল কারা?

  • ২

    সাংবাদিক নিধি রাজদানের সঙ্গে বিয়ে সারলেন কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর

  • ৩

    মিরপুরে ৩ মেট্রোস্টেশন বন্ধ, পুলিশের গাড়িতে আগুন

  • ৪

    ‘মাদরাসার সভাপতি-সেক্রেটারিও জানে না সেখানে কী পড়ানো হয়’

  • ৫

    ‘শিক্ষার্থীদের শিখন ঘাটতি পূরণে কোনো সরকারই দায়িত্ব পালন করেনি’

সম্পর্কিত
  • তাহসিফ ও দীপকে ‘ধাওয়া’ দিয়েছিল কারা?

    তাহসিফ ও দীপকে ‘ধাওয়া’ দিয়েছিল কারা?

    ঢাকার তুরাগ নদ থেকে বিমানবাহিনীর সাবেক ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট তাহসিফ সাউরির মরদেহ উদ্ধারের তিন দিন পরও মৃত্যুরহস্যের কূলকিনারা করতে পারেনি পুলিশ। এর মধ্যে তাহসিফের বন্ধু শাহরিয়ার রেজা দীপের বক্তব্য নতুন প্রশ্ন তৈরি করেছে। পিবিআইকে দেওয়া তথ্যে দীপ জানিয়েছেন, টঙ্গীর মাজার বস্তিতে তাদের কয়েক

  • সাকিব-তামিমরা নেই, তবুও কেন স্পিন উইকেটে আস্থা বাংলাদেশের?

    সাকিব-তামিমরা নেই, তবুও কেন স্পিন উইকেটে আস্থা বাংলাদেশের?

    বাংলাদেশের ক্রিকেটে মিরপুরের উইকেট বরাবরই এক ধাঁধাঁর বিষয়। বিশেষ করে স্পিন নির্ভর কন্ডিশনে প্রতিপক্ষকে ফাঁদে ফেলার কৌশল হিসেবে ধীরগতির ও অতিরিক্ত টার্নিং উইকেট ব্যবহারের প্রবণতা প্রায় এক যুগ ধরে চলে আসছে। তবে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে মিরপুর টেস্টে সেই কৌশলই বাংলাদেশের জন্য বুমেরাং হয়ে দাঁড়ি

  • মানব মস্তিষ্ক বিকাশের এক জটিল রহস্যের দরজা খুলেছে

    মানব মস্তিষ্ক বিকাশের এক জটিল রহস্যের দরজা খুলেছে

    মানবমস্তিষ্কের বিকাশের একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে বিপুলসংখ্যক জিনগত ত্রুটিযুক্ত স্নায়ুকোষ বা নিউরন অপসারিত হয়। জন্মের সময়ের কাছাকাছি এই প্রক্রিয়ায় মস্তিষ্ক যেন নিজের কোষগুলোর গুণগত মান যাচাই করে অপ্রয়োজনীয় বা ত্রুটিপূর্ণ কোষ সরিয়ে দেয়। নেচার সাময়িকীতে গত ২৮ অক্টোবর প্রকাশিত একটি গবেষণায় মানুষের

  • মঙ্গলের ৪১০ কোটি বছরের পুরনো উল্কাপিণ্ডে প্রাচীন জলময় পরিবেশের সন্ধান

    মঙ্গলের ৪১০ কোটি বছরের পুরনো উল্কাপিণ্ডে প্রাচীন জলময় পরিবেশের সন্ধান

    টেঘাজা ০০১-এর আবিষ্কার মঙ্গল সম্পর্কে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক ধারণাকে আরও শক্তিশালী করেছে—গ্রহটি সব সময় বর্তমানের মতো শীতল ও শুষ্ক ছিল না। তার জন্মলগ্নে সেখানে পানি, আগ্নেয়গিরির কার্যকলাপ এবং তুলনামূলক ঘন বায়ুমণ্ডলসহ ভিন্ন এক পরিবেশ থাকতে পারে।