Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০১ নভেম্বর, ২০২৬
০১ নভেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০১ নভেম্বর, ২০২৬
০১ নভেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
> এক্সপ্লেইনার

চীনের নাকের ডগায় নতুন সামরিক ঘাঁটি

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ২৭ নভেম্বর ২০২৫, ১২: ৪৫
চীনের নাকের ডগায় নতুন সামরিক ঘাঁটি

জাপানের সবচেয়ে পশ্চিমের দ্বীপ ইয়োনাগুনি এখন বিশ্ব রাজনীতির এক গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। ছোট্ট এই দ্বীপটি তাইওয়ানের মাত্র ১১২ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। আর এই অবস্থানগত গুরুত্বের কারণেই যুক্তরাষ্ট্র ও জাপান এখানেই গড়ে তুলছে একটি অঘোষিত সামরিক প্রস্তুতির ঘাঁটি।

Advertisement

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, চীন–তাইওয়ান উত্তেজনাকে কেন্দ্র করে এই দ্বীপটিকেই সামনে রেখে তৈরি হচ্ছে সম্ভাব্য যুদ্ধের পরিকল্পনা।

হংকংভিত্তিক ইংরেজি সংবাদ মাধ্যম এশিয়া টাইমসের এক প্রতিবেদনে এসব বলা হয়েছে।

চলতি বছরের সেপ্টেম্বর থেকেই ইয়োনাগুনিতেিআমেরিকান মেরিন বাহিনীর উপস্থিতি দৃশ্যমান। একের পর এক সামরিক জাহাজ ভিড়েছে কুবুরা বন্দরে। নামানো হয়েছে চিকিৎসা সরঞ্জাম, জরুরি উদ্ধার উপকরণ, কন্টেইনার ভর্তি যন্ত্রাংশ এবং সামরিক সরঞ্জাম ।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

আমেরিকার দাবি, এগুলো কেবল মানবিক সহায়তা ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার প্রস্তুতি। কিন্তু বাস্তবতা হলো, দ্বীপের রানওয়ে, বন্দর এবং অন্যান্য অবকাঠামো যুদ্ধকালীন সরবরাহের জন্য দ্রুত উপযোগী করে তোলা হচ্ছে ।

অক্টোবর মাসে ইয়োনাগুনিতে প্রথমবারের মতো স্থাপন করা হয় ফরোয়ার্ড আর্মিং অ্যান্ড রিফুয়েলিং পয়েন্ট (এফএআরপি)। যার মাধ্যমে হেলিকপ্টার ও সামরিক বিমানে দ্রুত জ্বালানি ও অস্ত্র সরবরাহ সম্ভব। এই সময় আমেরিকান সিএইচ–৫৩ই ভারী পরিবহন হেলিকপ্টার দ্বীপটিতে নামে-যা জাপানের এত দক্ষিণ-পশ্চিমে এই প্রথম। এ বিষয়টি পরিষ্কার করে দেয় যে, এখানে কেবল প্রশিক্ষণ নয়, যুদ্ধ প্রস্তুতির কাঠামো গড়ে উঠছে।

ইয়োনাগুনির ভূ-রাজনৈতিক গুরুত্ব এখানেই শেষ নয়। এটি চীনের তথাকথিত ‘ফার্স্ট আইল্যান্ড চেইন’ এর একেবারে সামনে অবস্থিত। চীনের যুদ্ধজাহাজগুলো প্রশান্ত মহাসাগরে যেতে গেলে এই এলাকার মধ্য দিয়েই যায়। ফলে এখানে আধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র বসানো হলে চীনের নৌবাহিনী বড় চাপে পড়বে।

বিশেষজ্ঞদের ধারণা, ইয়োনাগুনিতে মোতায়েন করা হতে পারে এনএমইএসআইএস নামের একটি আধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা। এই ক্ষেপণাস্ত্র ১৮৫ কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম এবং সমুদ্রপথে যুদ্ধজাহাজ ধ্বংসে কার্যকর। যদি এটি স্থাপন করা হয়, তাহলে চীনের যুদ্ধজাহাজ ও সাবমেরিনের চলাচল কার্যত নিয়ন্ত্রণের মধ্যে চলে আসবে।

তবে সামরিক এই শক্ত অবস্থানের বিপরীত পাশে রয়েছে বড় দুর্বলতা। ইয়োনাগুনি দ্বীপের আয়তন মাত্র ২৮ বর্গকিলোমিটার। ভারী ট্যাংক, বড় সেনাঘাঁটি কিংবা বিস্তৃত রাডার নেটওয়ার্ক বসানোর জন্য এই দ্বীপ আদর্শ নয়। এখানে মাত্র একটি বিমানবন্দর রয়েছে, যা সহজেই চীনের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার লক্ষ্য হতে পারে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বড় ধরনের হামলা হলে বিমান চলাচল পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যেতে পারে কয়েক সপ্তাহের জন্য।

চীনের সাবমেরিন বহর ইয়োনাগুনির জন্য বড় হুমকিগুলোর অন্যতম একটি। আমেরিকার প্রতিরক্ষা রিপোর্ট অনুযায়ী, চীনের কাছে বর্তমানে অন্তত ৪৮টি প্রচলিত সাবমেরিন রয়েছে এবং নতুন সাবমেরিন উৎপাদন অব্যাহত রয়েছে। যদি যুদ্ধ বাঁধে, তাহলে চীন পানির নিচ থেকে বড় ধরনের হামলা চালিয়ে এই দ্বীপ অকার্যকর করে দিতে পারে।

এ পরিস্থিতিতে দ্বীপটি যেমন আমেরিকা–জাপানের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ঘাঁটি, তেমনি সম্ভাব্য যুদ্ধে সবচেয়ে আগে আঘাতপ্রাপ্ত হওয়ার ঝুঁকি বহন করছে। দীর্ঘস্থায়ী সংঘাতে এটি টিকে থাকতে পারবে কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো-ইয়োনাগুনি এখন আর শুধু একটি দ্বীপ নয়, এটি পরিণত হয়েছে প্রশান্ত মহাসাগরীয় শক্তির লড়াইয়ের প্রতীক হিসেবে। যুক্তরাষ্ট্র ও জাপান এটিকে প্রতিরক্ষা বলয় হিসেবে দেখছে, অন্যদিকে চীন এটিকে স্পষ্ট উসকানি হিসেবে বিবেচনা করতে পারে।

সব মিলিয়ে, ইয়োনাগুনি এখন একদিকে তাইওয়ান রক্ষার জন্য আমেরিকা–জাপানের গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ঘাঁটি, অন্যদিকে চীনের হামলার প্রথম নিশানা হওয়ার সম্ভাবনাও প্রবল। এই দ্বীপকে ঘিরে যে সামরিক শক্তি প্রদর্শন শুরু হয়েছে, তা এশিয়া–প্রশান্ত মহাসাগর অঞ্চলে যুদ্ধের আশঙ্কাকে আরও দৃশ্যমান করে তুলছে।

বিষয়: আমেরিকাজাপানসামরিক ঘাঁটিদ্বীপতাইওয়ানবিশেষজ্ঞসাবমেরিনচীন
Advertisement
সর্বশেষ
  • ১

    তাহসিফ ও দীপকে ‘ধাওয়া’ দিয়েছিল কারা?

  • ২

    সাংবাদিক নিধি রাজদানের সঙ্গে বিয়ে সারলেন কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর

  • ৩

    মিরপুরে ৩ মেট্রোস্টেশন বন্ধ, পুলিশের গাড়িতে আগুন

  • ৪

    ‘মাদরাসার সভাপতি-সেক্রেটারিও জানে না সেখানে কী পড়ানো হয়’

  • ৫

    ‘শিক্ষার্থীদের শিখন ঘাটতি পূরণে কোনো সরকারই দায়িত্ব পালন করেনি’

সম্পর্কিত
  • তাহসিফ ও দীপকে ‘ধাওয়া’ দিয়েছিল কারা?

    তাহসিফ ও দীপকে ‘ধাওয়া’ দিয়েছিল কারা?

    ঢাকার তুরাগ নদ থেকে বিমানবাহিনীর সাবেক ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট তাহসিফ সাউরির মরদেহ উদ্ধারের তিন দিন পরও মৃত্যুরহস্যের কূলকিনারা করতে পারেনি পুলিশ। এর মধ্যে তাহসিফের বন্ধু শাহরিয়ার রেজা দীপের বক্তব্য নতুন প্রশ্ন তৈরি করেছে। পিবিআইকে দেওয়া তথ্যে দীপ জানিয়েছেন, টঙ্গীর মাজার বস্তিতে তাদের কয়েক

  • সাকিব-তামিমরা নেই, তবুও কেন স্পিন উইকেটে আস্থা বাংলাদেশের?

    সাকিব-তামিমরা নেই, তবুও কেন স্পিন উইকেটে আস্থা বাংলাদেশের?

    বাংলাদেশের ক্রিকেটে মিরপুরের উইকেট বরাবরই এক ধাঁধাঁর বিষয়। বিশেষ করে স্পিন নির্ভর কন্ডিশনে প্রতিপক্ষকে ফাঁদে ফেলার কৌশল হিসেবে ধীরগতির ও অতিরিক্ত টার্নিং উইকেট ব্যবহারের প্রবণতা প্রায় এক যুগ ধরে চলে আসছে। তবে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে মিরপুর টেস্টে সেই কৌশলই বাংলাদেশের জন্য বুমেরাং হয়ে দাঁড়ি

  • মানব মস্তিষ্ক বিকাশের এক জটিল রহস্যের দরজা খুলেছে

    মানব মস্তিষ্ক বিকাশের এক জটিল রহস্যের দরজা খুলেছে

    মানবমস্তিষ্কের বিকাশের একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে বিপুলসংখ্যক জিনগত ত্রুটিযুক্ত স্নায়ুকোষ বা নিউরন অপসারিত হয়। জন্মের সময়ের কাছাকাছি এই প্রক্রিয়ায় মস্তিষ্ক যেন নিজের কোষগুলোর গুণগত মান যাচাই করে অপ্রয়োজনীয় বা ত্রুটিপূর্ণ কোষ সরিয়ে দেয়। নেচার সাময়িকীতে গত ২৮ অক্টোবর প্রকাশিত একটি গবেষণায় মানুষের

  • মঙ্গলের ৪১০ কোটি বছরের পুরনো উল্কাপিণ্ডে প্রাচীন জলময় পরিবেশের সন্ধান

    মঙ্গলের ৪১০ কোটি বছরের পুরনো উল্কাপিণ্ডে প্রাচীন জলময় পরিবেশের সন্ধান

    টেঘাজা ০০১-এর আবিষ্কার মঙ্গল সম্পর্কে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক ধারণাকে আরও শক্তিশালী করেছে—গ্রহটি সব সময় বর্তমানের মতো শীতল ও শুষ্ক ছিল না। তার জন্মলগ্নে সেখানে পানি, আগ্নেয়গিরির কার্যকলাপ এবং তুলনামূলক ঘন বায়ুমণ্ডলসহ ভিন্ন এক পরিবেশ থাকতে পারে।