Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০১ নভেম্বর, ২০২৬
০১ নভেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০১ নভেম্বর, ২০২৬
০১ নভেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
> এক্সপ্লেইনার

ক্রিকেটে ভারতের এই বাজে অবস্থা কেন?

চরচা প্রতিবেদক

চরচা প্রতিবেদক

প্রকাশ : ২৬ নভেম্বর ২০২৫, ১৯: ৪৪
ক্রিকেটে ভারতের এই বাজে অবস্থা কেন?

খারাপ সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে ভারতীয় ক্রিকেট। গুয়াহাটি টেস্টে দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে ৪০৮ রানে হার বড় ঘটনা, সন্দেহ নেই। কিন্তু ভারতীয় ক্রিকেটের খারাপ সময়টা নিছকই একটা টেস্ট হারের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। এটির ব্যপ্তি অনেকটাই। গুয়াহাটি টেস্টের আগে কলকাতাতেও মোটামুটি সহজেই সিরিজের প্রথম টেস্টটা হেরেছে ভারত। গুয়াহাটির শ চারেক ব্যবধানে হারটা ২৫ বছর পর ঘরের মাঠে প্রোটিয়াদের বিপক্ষে সিরিজ হারটা নিশ্চিত করেছে। হার, বাজে ফর্ম, এসব ছাপিয়েও ভারতীয় ক্রিকেটে এ মুহূর্তে সবচেয়ে বেশি যেটি চোখ রাঙাচ্ছে, সেটি দলের মধ্যে অস্থিরতা। আর এই অস্থিরতার কেন্দ্রে আছেন কোচ গৌতম গম্ভীর।

Advertisement

গৌতম গম্ভীর কোচ হওয়ার পর ভারতীয় ক্রিকেট দলের স্থিতিটা নষ্ট হয়ে গেছে বলে মনে করছেন অনেকেই। যে সৌরভ গাঙ্গুলী গম্ভীরকে কোচ করার ব্যাপারে রীতিমতো ওকালতি করেছিলেন, তিনিও জিভ কামড়ে বলছেন, ‘সত্যিই বড় ভুল হয়ে গেছে।’ গম্ভীর দলে যা শুরু করেছেন, এরপরই সৌরভের বোধদয়। ভারতের সাবেক অধিনায়ক খুব সম্ভবত ভারতীয় দলের বর্তমান অবস্থার সঙ্গে নিজের সময়ের ‘গ্রেগ চ্যাপেল জমানার’ বেজায় মিল খুঁজে পাচ্ছেন।

Advertisement
Advertisement
Advertisement
ভারতীয় ক্রিকেট দলের স্থিতি নষ্ট করছেন গম্ভীর? ছবি: এক্স
ভারতীয় ক্রিকেট দলের স্থিতি নষ্ট করছেন গম্ভীর? ছবি: এক্স

গ্রেগের সঙ্গে লেগেছিল সৌরভের। ২০০৫ সালের কথা। ফলশ্রুতিতে অধিনায়কত্ব হারাতে হয় তাঁকে। গম্ভীর কোচ হওয়ার পর দলে থাকা তারকা বিরাট কোহলি, রোহিত শর্মা, রবিচন্দ্রন অশ্বিনদের জীবন কঠিন করে দিয়েছিলেন। সে কারণেই তিনজনই বিদায় নিয়েছেন। ভারতীয় পত্র–পত্রিকায় যেসব কানাঘুষো শোনা যাচ্ছে, তাতে বলে দেওয়াই যায়, কোহলি, রোহিত, অশ্বিনদের সঙ্গে গম্ভীরের মিলমিশটা ঠিকঠাক হচ্ছিল না। দলের মধ্যে তারা নাকি যথাযথ সম্মানটা পাচ্ছিলেন না। সে কারণে মানে মানে বিদায় নিয়েছেন।

কিন্তু গম্ভীরের সঙ্গে কী সমস্যা হচ্ছিল তাদের? ভারতের বেশ কিছু শীর্ষ সংবাদমাধ্যমের সূত্রে জানা যায়, গম্ভীর নাকি দলে ‘তারকা সংস্কৃতির’ অবসান ঘটাতে চেয়েছেন। মানে তিনি এমন একটা দল গড়তে চেয়েছিলেন, তাতে সবাই সমান। সেটি করতে গিয়ে ক্রিকেটারদের স্ত্রী–সন্তানদের দলের সঙ্গে বিদেশ ট্যুর বন্ধ করেছিলেন। বিদেশ সফরে গিয়ে আলাদা গাড়ি এমনকি দলের মধ্যে ক্রিকেটারদের ব্যক্তিগত রান্নার লোক রাখাও বন্ধ করে দিয়েছিলেন। তবে তিনি এসব করে দলকে এক সুতোয় গাঁথতে পারেননি, সেটি পরিস্কার। কোহলি, রোহিতরা বিদায় নেওয়ার পর তাদের কোনো বিকল্পও গম্ভীর তৈরি করতে পারেননি। পুরো বিষয়টির সঙ্গে এ শতকের শুরুর দিকে গ্রেগ চ্যাপেলের কোচ থাকার সময়টির রয়েছে আশ্চর্য মিল। ভারতীয় ক্রিকেট সংশ্লিষ্টদের কথা, গ্রেগের সঙ্গে গম্ভীর জমানা মিলে যাওয়ার সবচেয়ে খারাপ দিক যেটি, সেটি হচ্ছে দলটাই নষ্ট হয়ে যাওয়া।

কোহলি–রোহিত–অশ্বিনদের অভাব অনুভব করছে ভারত। ছবি: এক্স
কোহলি–রোহিত–অশ্বিনদের অভাব অনুভব করছে ভারত। ছবি: এক্স

গ্রেগ চ্যাপেলের উলট–পুরানের ধাক্কা সামলাতে ভারতীয় দলের লেগেছিল তিন/চার বছর। সবার শঙ্কা, গম্ভীরের এই সময়ও ভারতীয় দল অমন একটা বাজে সময়ের মধ্যে ঢুকে পড়েছে। সে কারণেই ঘরের মাঠে সর্বশেষ ৭ টেস্টের ৫টিতেই হেরেছে ভারত। দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে হোয়াইট ওয়াশ হতে হয়েছে। নিজেদের টেস্ট ইতিহাসের সবচেয়ে বড় হার (রানের ব্যবধানে) দেখতে হচ্ছে সবাইকে।

গম্ভীর দলের মধ্যে পরীক্ষা–নিরীক্ষা চালিয়ে যাচ্ছেন। কিন্তু পরীক্ষা–নিরীক্ষায় কাজ হচ্ছে বলে মনে করেন না কেউই। দলের ব্যাটিং অর্ডারে স্থিতি নেই, একেক ম্যাচে একেকজন একেক জায়গায় খেলছেন। জোর করে কাউকে কাউকে নির্দিষ্ট কোনো ভূমিকা পালনের জন্য পাঠানো হচ্ছে। দিন শেষে এসবে গম্ভীর সফলতা দেখাতে ব্যর্থ হয়েছেন। মানে তাঁর সব পরীক্ষা–নিরীক্ষা ব্যর্থ চূড়ান্তভাবেই।

বিষয়: ভারতীয় ক্রিকেটটেস্ট ক্রিকেটদক্ষিণ আফ্রিকাভারতীয়ক্রিকেটটেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপভারত
Advertisement
সর্বশেষ
  • ১

    তাহসিফ ও দীপকে ‘ধাওয়া’ দিয়েছিল কারা?

  • ২

    সাংবাদিক নিধি রাজদানের সঙ্গে বিয়ে সারলেন কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর

  • ৩

    মিরপুরে ৩ মেট্রোস্টেশন বন্ধ, পুলিশের গাড়িতে আগুন

  • ৪

    ‘মাদরাসার সভাপতি-সেক্রেটারিও জানে না সেখানে কী পড়ানো হয়’

  • ৫

    ‘শিক্ষার্থীদের শিখন ঘাটতি পূরণে কোনো সরকারই দায়িত্ব পালন করেনি’

সম্পর্কিত
  • তাহসিফ ও দীপকে ‘ধাওয়া’ দিয়েছিল কারা?

    তাহসিফ ও দীপকে ‘ধাওয়া’ দিয়েছিল কারা?

    ঢাকার তুরাগ নদ থেকে বিমানবাহিনীর সাবেক ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট তাহসিফ সাউরির মরদেহ উদ্ধারের তিন দিন পরও মৃত্যুরহস্যের কূলকিনারা করতে পারেনি পুলিশ। এর মধ্যে তাহসিফের বন্ধু শাহরিয়ার রেজা দীপের বক্তব্য নতুন প্রশ্ন তৈরি করেছে। পিবিআইকে দেওয়া তথ্যে দীপ জানিয়েছেন, টঙ্গীর মাজার বস্তিতে তাদের কয়েক

  • সাকিব-তামিমরা নেই, তবুও কেন স্পিন উইকেটে আস্থা বাংলাদেশের?

    সাকিব-তামিমরা নেই, তবুও কেন স্পিন উইকেটে আস্থা বাংলাদেশের?

    বাংলাদেশের ক্রিকেটে মিরপুরের উইকেট বরাবরই এক ধাঁধাঁর বিষয়। বিশেষ করে স্পিন নির্ভর কন্ডিশনে প্রতিপক্ষকে ফাঁদে ফেলার কৌশল হিসেবে ধীরগতির ও অতিরিক্ত টার্নিং উইকেট ব্যবহারের প্রবণতা প্রায় এক যুগ ধরে চলে আসছে। তবে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে মিরপুর টেস্টে সেই কৌশলই বাংলাদেশের জন্য বুমেরাং হয়ে দাঁড়ি

  • মানব মস্তিষ্ক বিকাশের এক জটিল রহস্যের দরজা খুলেছে

    মানব মস্তিষ্ক বিকাশের এক জটিল রহস্যের দরজা খুলেছে

    মানবমস্তিষ্কের বিকাশের একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে বিপুলসংখ্যক জিনগত ত্রুটিযুক্ত স্নায়ুকোষ বা নিউরন অপসারিত হয়। জন্মের সময়ের কাছাকাছি এই প্রক্রিয়ায় মস্তিষ্ক যেন নিজের কোষগুলোর গুণগত মান যাচাই করে অপ্রয়োজনীয় বা ত্রুটিপূর্ণ কোষ সরিয়ে দেয়। নেচার সাময়িকীতে গত ২৮ অক্টোবর প্রকাশিত একটি গবেষণায় মানুষের

  • মঙ্গলের ৪১০ কোটি বছরের পুরনো উল্কাপিণ্ডে প্রাচীন জলময় পরিবেশের সন্ধান

    মঙ্গলের ৪১০ কোটি বছরের পুরনো উল্কাপিণ্ডে প্রাচীন জলময় পরিবেশের সন্ধান

    টেঘাজা ০০১-এর আবিষ্কার মঙ্গল সম্পর্কে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক ধারণাকে আরও শক্তিশালী করেছে—গ্রহটি সব সময় বর্তমানের মতো শীতল ও শুষ্ক ছিল না। তার জন্মলগ্নে সেখানে পানি, আগ্নেয়গিরির কার্যকলাপ এবং তুলনামূলক ঘন বায়ুমণ্ডলসহ ভিন্ন এক পরিবেশ থাকতে পারে।