Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০১ নভেম্বর, ২০২৬
০১ নভেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০১ নভেম্বর, ২০২৬
০১ নভেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
> এক্সপ্লেইনার

ফ্রান্স–মরক্কো: বন্ধু যখন শত্রু

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ০৯ জুলাই ২০২৬, ২১: ০৪
ফ্রান্স–মরক্কো: বন্ধু যখন শত্রু

২০২২ বিশ্বকাপে সেমিফাইনালের পর আরও একবার বিশ্বসেরার মঞ্চে মুখোমুখি হচ্ছে ফ্রান্স ও মরক্কো। শেষ আটে যাওয়ার লড়াইয়ে দল দুটির এই ম্যাচে মাঠের বাইরেও রয়েছে ঐতিহাসিক যোগসূত্র, যা তাদের একসুতোয় গেঁথেছে। উপনিবেশ-পরবর্তী সময়ের ইতিহাস, অভিবাসন, দুই দেশের মধ্যকার পারিবারিক বন্ধন এবং ফুটবলের মাধ্যমে গড়ে ওঠা সম্পর্ক ফান্স ও মরক্কোর বন্ধনকে তাৎপর্যপূর্ণ করে তুলেছে।

Advertisement

কোয়ার্টার ফাইনালের ম্যাচটিকে সামনে রেখে ফ্রান্সে বাড়তি নিরাপত্তার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তবে খেলা যেখানে হবে, সেই বোস্টনে ম্যাচের আবহ ভিন্ন থাকতেই পারে। কারণ দুই দেশের মানুষ ও খেলোয়াড়দের মধ্যে রয়েছে ভাষাগত, পারিবারিক ও বন্ধুত্বের গভীর এক যোগসূত্র।

মরক্কো জাতীয় দলের বেশ কয়েকজন খেলোয়াড়ের জন্ম ও বেড়ে ওঠা ফ্রান্সেই। সেই সুবাদে না হলেও পিএসজিতে একসঙ্গে খেলার সময় থেকে কিলিয়ান এমবাপ্পে ও আশরাফ হাকিমির হয়েছে গভীর বন্ধুত্ব। ফ্রান্স-মরক্কো ম্যাচে এটিও আলোচ্য বিষয়।

ইতিহাসের বন্ধন

Advertisement
Advertisement
Advertisement

১৯১২ থেকে ১৯৫৬ সাল পর্যন্ত ফরাসি প্রটেক্টরেটের অধীনে ছিল মরক্কো। এরপর মরক্কো স্বাধীনতা অর্জন করলেও শিক্ষা, ব্যবসা ও অভিবাসন দিয়ে দুই দেশের মধ্যে সুন্দর একটা সম্পর্ক অটুট রয়েছে। আর সেই সম্পর্কের সবচেয়ে আদর্শ প্রতিফলন ঘটেছে ফুটবলে।

মরক্কোর বিশ্বকাপ দলে এমন ছয়জন খেলোয়াড় আছেন, যাদের জন্ম ফ্রান্সে। এছাড়া আরও কয়েকজন রয়েছেন, যারা ফ্রান্সের শীর্ষ লিগে খেলছেন বা দেশটির যুব ফুটবল কাঠামোতে বেড়ে উঠেছেন। ফ্রান্স জাতীয় দলের হয়ে খেলার যোগ্যতা থাকলেও পরে বেঁছে নিয়েছেন মরক্কোকেই।

মরক্কোর ফুটবল এভাবেই বদলে গেছে। টানা দুই বিশ্বকাপে শেষ আটে জায়গা করে নেওয়া তারই সাক্ষ্য দেয়। ফ্রান্সসহ ইউরোপের বিভিন্ন দেশে বেড়ে ওঠা প্রবাসী প্রতিভাকে কাজে লাগিয়ে ক্রমেই শক্তিশালী হচ্ছে দেশটির জাতীয় দল।

ফ্রান্সে জন্ম ও বেড়ে ওঠা আইয়ুব বুয়াদি তেমনই একজন। ফ্রেঞ্চ ক্লাব লিল-এর একাডেমিতে খেলার পর ফ্রান্সের যুব দলের প্রতিনিধিত্বও করেছেন। তবে জাতীয় দলের জন্য তিনি মরক্কোর হয়ে খেলার সিদ্ধান্ত নেন।

২০২২ সালের পুনর্মিলন

২০২২ কাতার বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ফ্রান্সের বিপক্ষে ম্যাচটি বুয়াদি সহ অনেকের জন্যই তাই ছিল বিশেষ মুহূর্ত। আফ্রিকার প্রথম দল হিসেবে বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল সেবার জায়গা করে নেয় মরক্কো। অন্যদিকে ফ্রান্স নেমেছিল ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন হিসেবে।

সেই ম্যাচে শেষ পর্যন্ত ফ্রান্স জিতেছিল মরক্কো। তবে ছেড়ে কথা বলেনি আফ্রিকান দেশটি। গোটা আসরে তাদের ফুটবল মন জয় করে নেয় বিশ্বব্যাপী ফুটবলপ্রেমীদের।

বোস্টনে উৎসবের আমেজ

চার বছর বাদে বোস্টনে শেষ আটের মহারণে মুখোমুখি এই দুই দল। সেখানে বৃহত্তর মরক্কান সম্প্রদায় না থাকলেও, মরক্কো থেকে আসা পরিবার, শিক্ষার্থী, পেশাজীবী ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে একটি চমৎকার কমিউনিটি রয়েছে। আবার এমন অনেকেও এখানে বসবাস করেন, যাদের আদি নিবাস ফ্রান্সে।

তাই এই ম্যাচে কোনো বিভাজন নয়, সম্প্রীতি মেলবন্ধন দেখছেন ৫৭ বছর বয়সী ট্যাক্সিচালক মোহাম্মদ সাদি। বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে তিনি বলেন, “এখানে অনেকেই একই ভবনে থাকেন। ফরাসি ও মরক্কোর লোকেরা সবাই একসঙ্গে ম্যাচটা দেখবেন। আমি নিশ্চিত ম্যাচ শেষে আবার হাতও মেলাবেন। ফুটবল একটা পারিবারিক বিষয়, ফ্রান্স-মরক্কো ম্যাচও ভিন্ন কিছু না। বরং এখানে আরও বেশি উৎসব হবে।”

মরক্কোর প্রতিটি ম্যাচের আগে বোস্টন কমন-এ এক হাজারের বেশি সমর্থক ‘দিমা আল-মাগরিব’ স্লোগান দিয়ে সমবেত হন। একই চিত্র থাকবে ফ্রান্স ম্যাচেও।

ফিনল্যান্ড থেকে আসা ৩৬ বছর বয়সী সফটওয়্যার প্রকৌশলী ইউসুফ বেন্নানির আশা, আনন্দময় পরিবেশেই ম্যাচটা দেখা যাবে। তিনি বলেছেন, “আমি ফিনল্যান্ড থেকে এসেছি। মরক্কোর সব ম্যাচেই উপস্থিত ছিলাম। এখানে এসে অনেক মরক্কান ও ফরাসি সমর্থকের সঙ্গে দেখা হয়েছে। আগামীকাল এখানে বড় একটা উৎসব হবে।”

বিষয়: ২০২৬ বিশ্বকাপফুটবলফ্রান্সফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬মরক্কো
Advertisement
সর্বশেষ
  • ১

    তাহসিফ ও দীপকে ‘ধাওয়া’ দিয়েছিল কারা?

  • ২

    সাংবাদিক নিধি রাজদানের সঙ্গে বিয়ে সারলেন কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর

  • ৩

    মিরপুরে ৩ মেট্রোস্টেশন বন্ধ, পুলিশের গাড়িতে আগুন

  • ৪

    ‘মাদরাসার সভাপতি-সেক্রেটারিও জানে না সেখানে কী পড়ানো হয়’

  • ৫

    ‘শিক্ষার্থীদের শিখন ঘাটতি পূরণে কোনো সরকারই দায়িত্ব পালন করেনি’

সম্পর্কিত
  • তাহসিফ ও দীপকে ‘ধাওয়া’ দিয়েছিল কারা?

    তাহসিফ ও দীপকে ‘ধাওয়া’ দিয়েছিল কারা?

    ঢাকার তুরাগ নদ থেকে বিমানবাহিনীর সাবেক ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট তাহসিফ সাউরির মরদেহ উদ্ধারের তিন দিন পরও মৃত্যুরহস্যের কূলকিনারা করতে পারেনি পুলিশ। এর মধ্যে তাহসিফের বন্ধু শাহরিয়ার রেজা দীপের বক্তব্য নতুন প্রশ্ন তৈরি করেছে। পিবিআইকে দেওয়া তথ্যে দীপ জানিয়েছেন, টঙ্গীর মাজার বস্তিতে তাদের কয়েক

  • সাকিব-তামিমরা নেই, তবুও কেন স্পিন উইকেটে আস্থা বাংলাদেশের?

    সাকিব-তামিমরা নেই, তবুও কেন স্পিন উইকেটে আস্থা বাংলাদেশের?

    বাংলাদেশের ক্রিকেটে মিরপুরের উইকেট বরাবরই এক ধাঁধাঁর বিষয়। বিশেষ করে স্পিন নির্ভর কন্ডিশনে প্রতিপক্ষকে ফাঁদে ফেলার কৌশল হিসেবে ধীরগতির ও অতিরিক্ত টার্নিং উইকেট ব্যবহারের প্রবণতা প্রায় এক যুগ ধরে চলে আসছে। তবে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে মিরপুর টেস্টে সেই কৌশলই বাংলাদেশের জন্য বুমেরাং হয়ে দাঁড়ি

  • মানব মস্তিষ্ক বিকাশের এক জটিল রহস্যের দরজা খুলেছে

    মানব মস্তিষ্ক বিকাশের এক জটিল রহস্যের দরজা খুলেছে

    মানবমস্তিষ্কের বিকাশের একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে বিপুলসংখ্যক জিনগত ত্রুটিযুক্ত স্নায়ুকোষ বা নিউরন অপসারিত হয়। জন্মের সময়ের কাছাকাছি এই প্রক্রিয়ায় মস্তিষ্ক যেন নিজের কোষগুলোর গুণগত মান যাচাই করে অপ্রয়োজনীয় বা ত্রুটিপূর্ণ কোষ সরিয়ে দেয়। নেচার সাময়িকীতে গত ২৮ অক্টোবর প্রকাশিত একটি গবেষণায় মানুষের

  • মঙ্গলের ৪১০ কোটি বছরের পুরনো উল্কাপিণ্ডে প্রাচীন জলময় পরিবেশের সন্ধান

    মঙ্গলের ৪১০ কোটি বছরের পুরনো উল্কাপিণ্ডে প্রাচীন জলময় পরিবেশের সন্ধান

    টেঘাজা ০০১-এর আবিষ্কার মঙ্গল সম্পর্কে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক ধারণাকে আরও শক্তিশালী করেছে—গ্রহটি সব সময় বর্তমানের মতো শীতল ও শুষ্ক ছিল না। তার জন্মলগ্নে সেখানে পানি, আগ্নেয়গিরির কার্যকলাপ এবং তুলনামূলক ঘন বায়ুমণ্ডলসহ ভিন্ন এক পরিবেশ থাকতে পারে।