ফ্রান্স

ইইউ ধ্বংস করে দিচ্ছে ইউরোপের দেশগুলোকে
ফ্রান্সে স্কুলগুলোর পরিস্থিতির অবনতি এবং জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির প্রতিবাদে নতুন করে বিক্ষোভ শুরু হয়েছে। এই বিক্ষোভ ঠেকাতে দেশজুড়ে ৭০ হাজারেরও বেশি পুলিশ মোতায়েন করা হচ্ছে।

‘অর্থনৈতিক মন্দার বিরুদ্ধে এবার নজরিবিহীন গণবিদ্রোহ’
উরোপের বিভিন্ন দেশে আন্দোলন হচ্ছে। অর্থনৈতিক মন্দার কারণেই কি এই নজিরবিহীন গণবিদ্রোহ? ফ্রান্সকে বলা হয় ইউরোপের বিপ্লবের রাজধানী। এবার কি ফ্রান্সের এ চলমান আন্দোলন গোটা ইউরোপে ছড়িয়ে পড়বে? যুক্তরাজ্যেও কি এ আন্দোলনের ঢেউ লাগবে? ইউরোপের তরুণরা আসলে কী চাইছে?

ফ্রান্সজুড়ে বিক্ষোভ, প্যারিস ও মার্সেইয়ে সহিংসতা
প্যারিসের কেন্দ্রীয় এলাকার বড় একটি অংশে কার্যত অবরুদ্ধ শহরের চিত্র দেখা যায়। দোকানিরা তাদের দোকানের সামনের কাচ ও প্রবেশপথ কাঠের পাটাতন দিয়ে বন্ধ করে দেয়, জাদুঘরগুলো বন্ধ রাখা হয় এবং মেট্রোর ২০টিরও বেশি স্টেশন বন্ধ করে দেওয়া হয়।

পৃথিবীর প্রতিটি মানুষের দেনার পরিমাণ ৫৪ লাখ ১২ হাজার টাকা!
ওয়ার্ল্ডোমিটারের তথ্য অনুযায়ী, পৃথিবীর জনসংখ্যা ৮৩২ কোটি। ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল ফাইন্যান্স (আইআইএফ) বলছে, ২০২৬ সালের প্রথম ভাগ শেষে পৃথিবীতে সব দেশ, কোম্পানি আর পরিবারের মিলিত ঋণের পরিমাণ ৩৬৫ ট্রিলিয়ন ডলারের বেশি!

বিক্ষোভ দমাতে ফ্রান্সে শনিবার ব্যাপক পুলিশ মোতায়েনের ঘোষণা
ফ্রান্সে কয়েক বছরের মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ দাঙ্গার পরিণতি সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছে সরকার। এ পরিস্থিতিতে আগামী শনিবারের বিক্ষোভ ঘিরে দেশজুড়ে ব্যাপকসংখ্যক পুলিশ মোতায়েনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে দেশটির কর্তৃপক্ষ। একই সঙ্গে টানা দ্বিতীয় রাতের মতো বিভিন্ন এলাকায় স্থানীয়ভাবে কারফিউ জারি করা হয়েছে। খবর সিএনএনের।

লুটপাটে ক্ষতিগ্রস্ত প্রবাসী ব্যবসায়ীদের কোনো খোঁজ নেয়নি ফ্রান্সে বাংলাদেশ দূতাবাস
ফ্রান্সের আন্দোলন পরিস্থিতি কী? সেখানে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিরা কেমন আছেন? আন্দোলনের প্রভাব কি পড়ছে তাদের ব্যবসা-বাণিজ্য, কর্মসংস্থান ও দৈনন্দিন জীবনে? বাংলাদেশ দূতাবাস কি আদৌ তাদের পাশে দাঁড়াচ্ছেন?

ফ্রান্সে বিক্ষোভ ও ইউরোপে জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির ক্ষোভে কীভাবে লাভবান হচ্ছে উগ্র ডানপন্থীরা
ফ্রান্সে প্যারিসের উত্তর উপকণ্ঠের স্কুলগুলোর অবনতিশীল অবকাঠামো নিয়ে শুরু হওয়া বিক্ষোভ রূপ নিয়েছে কয়েক দশকের মধ্যে দেশটির অন্যতম ভয়াবহ অস্থিরতায়।

ফ্রান্সের আন্দোলন এত সহিংস হলো কীভাবে?
জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি, জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি এবং শিক্ষা খাতের চরম সংকটের প্রতিবাদে উত্তাল ফ্রান্স। রাজধানী প্যারিসসহ দেশটির বিভিন্ন শহরে লাখ লাখ মানুষ রাস্তায় নেমেছেন, যা রূপ নিয়েছে নজিরবিহীন সহিংসতায়। পুলিশ ও বিক্ষোভকারীদের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ, গাড়ি ও সরকারি ভবনে আগুন, এমনকি ব্যাপক লুটপাটের ঘটনায়...

ফ্রান্সে মুখোশধারী বিক্ষোভকারীদের আগুনে ঐতিহাসিক স্থাপনা বিধ্বস্ত
১৮৮৩ সালে উদ্বোধন করা এই ভবনটি সংরক্ষিত ঐতিহাসিক স্থাপনা হিসেবে তালিকাভুক্ত। প্যারিসের টাউন হলের আদলে নির্মিত ভবনটির কেন্দ্রীয় ঘড়ির টাওয়ার ও ঘণ্টাধ্বনি টাওয়ার নিচের চত্বর থেকে ৪৩ মিটার (১৪১ ফুট) উঁচুতে মাথা তুলে দাঁড়িয়ে ছিল।

ফ্রান্সে জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির প্রতিবাদে বিক্ষোভ, পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ
গত মাসে প্যারিসের দরিদ্র উত্তরাঞ্চলীয় উপশহরগুলোর কয়েকটি উচ্চবিদ্যালয়ে এ বিক্ষোভ শুরু হয়। শিক্ষকের স্বল্পতা ও জরাজীর্ণ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নিয়ে ক্ষোভ থেকে শুরু হওয়া আন্দোলন পরে বৈষম্য, সরকারি ব্যয় এবং জীবনযাত্রার মান নিয়ে বৃহত্তর প্রতিবাদে রূপ নেয়।

বৈশ্বিক ছাত্র-জনতার আন্দোলনে সমর্থন জানিয়ে শাহবাগে সমাবেশ
ভারত, পাকিস্তান, ফ্রান্স, বেলজিয়ামসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে চলমান ছাত্র-জনতার গণআন্দোলনে সমর্থন জানিয়ে রাজধানীর শাহবাগে সমাবেশ ও পদযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

ফ্রান্স এখন এক চরম সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে
ফরাসি ভাষায় এর একটি চমৎকার শব্দ আছে: ‘আন অঁগ্রেনাজ’। যার অর্থ এক দুষ্টচক্র বা ক্রমাগত অবনতির ঘূর্ণিপাক। ফ্রান্স ঠিক এমন এক পরিস্থিতির মধ্য দিয়েই যাচ্ছে। এখানে বেশ কয়েকটি সংকট দীর্ঘ সময় ধরে দানা বাঁধছিল; এখন প্রতিটি সংকট অন্যগুলোকে আরও ত্বরান্বিত করে তোলার হুমকি সৃষ্টি করছে।

ফ্রান্সে ডানপন্থী ল্য পেন জিতলে যা হবে
নতুন এক জনমত জরিপ অনুযায়ী, ফ্রান্সে ২০২৭ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ডানপন্থী রাজনীতিবিদ মারিন ল্য পেন শীর্ষ অবস্থানে উঠে এসেছেন। বলা হচ্ছে, চূড়ান্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতায় তিনি বামপন্থী ও মধ্যপন্থী উভয় প্রতিদ্বন্দ্বীদেরই পরাজিত করতে সক্ষম হবেন।

ফরাসি বিদ্রোহ, তীব্র আর্থিক সংকট, বিপদে অভিবাসীরা
ফ্রান্সের ১ হাজার ২০০টিরও বেশি উচ্চমাধ্যমিক স্কুলে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ায় কয়েকটি স্থানে পুলিশ কাঁদানে গ্যাস ও রাবার বুলেট ব্যবহার করেছে। ৫ হাজারের বেশি জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বিক্ষোভকারীদের কেউ কেউ চোখে আঘাত, দাঁত ভেঙে যাওয়া এবং মাথায় আঘাতসহ গুরুতর আহত হয়েছে।

ফরাসি বিদ্রোহ, তীব্র আর্থিক সংকট, বিপদে অভিবাসীরা
ফ্রান্সের ১ হাজার ২০০টিরও বেশি উচ্চমাধ্যমিক স্কুলে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ায় কয়েকটি স্থানে পুলিশ কাঁদানে গ্যাস ও রাবার বুলেট ব্যবহার করেছে। ৫ হাজারের বেশি জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বিক্ষোভকারীদের কেউ কেউ চোখে আঘাত, দাঁত ভেঙে যাওয়া এবং মাথায় আঘাতসহ গুরুতর আহত হয়েছে।

প্যারিসে বিয়ে না করার উৎসব!
প্যারিসের মন্টমার্ত এলাকায় বিয়ে না করার অঙ্গীকার নিয়ে আয়োজন করা হলো ব্যতিক্রমী অনুষ্ঠান। বন্ধু, প্রেমিক-প্রেমিকা, এমনকি পোষা কুকুরকে নিয়েও এতে অংশ নেন অনেকে। বিয়ের প্রতিশ্রুতি ছাড়াও যে ভালোবাসার বন্ধন উদ্যাপন করা যায়, সেই বার্তাই উঠে আসে আয়োজনে।

ফিলিস্তিনের নির্বাচন কেন স্থগিত করলেন আব্বাস?
গত ২৪ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে দেওয়া ভাষণে আব্বাস নভেম্বরে নির্বাচন আয়োজনের সময়সূচি পুনর্ব্যক্ত করেছিলেন। আন্তর্জাতিকভাবে সমর্থিত সংস্কার এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টার অংশ হিসেবেই তিনি ওই অঙ্গীকার করেছিলেন। এর দুই সপ্তাহ পর আব্বাসের নির্বাচনের সময়সূচি পেছানোর সিদ্ধান্ত এলো।

বেলজিয়ামেও শিক্ষা সংস্কার নিয়ে রাস্তায় শিক্ষার্থীরা
শিক্ষা সংস্কার নিয়ে গত জুনে ব্রাসেলসে বিক্ষোভকারী ও পুলিশের মধ্যে সংঘর্ষের পর নতুন করে এই বিক্ষোভ শুরু হলো।

সরকারের প্রতিশ্রুতির পরও ফ্রান্সে কেন স্কুল অবরোধ চলছে
সরকার এমন একটি ভারসাম্য বজায় রাখার চেষ্টা করছে, যেখানে স্কুলে আগুন দেওয়া ও কর্মীদের আহত করার মতো সহিংস ঘটনার নিন্দা জানানো হবে, একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের কিছু অভিযোগের প্রতিও সহানুভূতি দেখানো হবে।

ফ্রান্সজুড়ে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ, দাঙ্গা পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ
প্যারিসের বঞ্চিত শহরতলিগুলো থেকে শুরু হওয়া এই বিক্ষোভ পরে পুরো দেশে ছড়িয়ে পড়ে। কোথাও কোথাও তা সহিংস রূপ নেয়।


