Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০১ নভেম্বর, ২০২৬
০১ নভেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০১ নভেম্বর, ২০২৬
০১ নভেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
> এক্সপ্লেইনার

বিশ্ব মানচিত্রে বড় হচ্ছে আফ্রিকার আয়তন?

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৬: ০৮
বিশ্ব মানচিত্রে বড় হচ্ছে আফ্রিকার আয়তন?
শত বছর ধরে মানচিত্রগুলোতে আফ্রিকার আয়তন অনেক ছোট করে দেখানো হয়েছে। ছবি: রয়টার্স

ভাবুন তো, এতদিন যে বিশ্ব মানচিত্র আমরা দেখে অভ্যস্ত, জানা গেল তাতে পৃথিবীর প্রকৃত চিত্র উঠে আসছে না।

Advertisement

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ গত শুক্রবার এমন একটি নতুন বিশ্ব মানচিত্র গ্রহণের পক্ষে ভোট দিয়েছে, যেখানে আফ্রিকা মহাদেশকে তুলনামূলকভাবে বড় এবং উত্তর আমেরিকা ও ইউরোপকে ছোট দেখানো হয়েছে। আর এই সিদ্ধান্তে তীব্র আপত্তি জানিয়েছে ওয়াশিংটন। খবর ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির।

নতুন মানচিত্র আনার মূল লক্ষ্য হলো মহাদেশগুলোর আয়তনকে ‘আরও নির্ভুলভাবে’ তুলে ধরা। প্রস্তাবটির পক্ষে ভোট দিয়েছে ১৬৪টি দেশ। বিপক্ষে ছিল যুক্তরাষ্ট্র। আরও ছয়টি দেশ ভোটদানে বিরত ছিল।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

‘ইকুয়াল আর্থ’ নামে পরিচিত নতুন এই মানচিত্র বিশ্বকে আগের তুলনায় আরও নির্ভুলভাবে তুলে ধরবে বলে প্রস্তাবে উল্লেখ করা হয়েছে।

জাতিসংঘের সদস্যরাষ্ট্রগুলোকে ১৫৬৯ সালে ফ্লেমিশ মানচিত্রবিদ জেরার্ডুস মার্কেটর তৈরি করা প্রচলিত মার্কেটর প্রজেকশনের বদলে নতুন এই মানচিত্র ব্যবহারের আহ্বান জানানো হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের যুদ্ধ কি আফ্রিকার ভূরাজনীতি বদলে দিচ্ছে?iran-israel-africa

মানচিত্র কি সত্যিই নিরপেক্ষ?

এই প্রশ্নটিই সামনে এনেছেন প্রস্তাবটির উদ্যোক্তা পশ্চিম আফ্রিকার দেশ টোগোর পররাষ্ট্রমন্ত্রী রবার্ট দুসি।

তিনি বলেন, “মানচিত্র শিক্ষাকে পথ দেখায়, কল্পনাকে সমৃদ্ধ করে এবং মানুষ কীভাবে পৃথিবীকে দেখে, সেটিকে প্রভাবিত করে। তাই মানচিত্র কখনোই পুরোপুরি নিরপেক্ষ নয়। যখন এতে পৃথিবীর একটি বিকৃত ছবি তুলে ধরা হয়, তখন সেই ভুল ধারণা প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে চলতে পারে।”

তবে যুক্তরাষ্ট্র এই উদ্যোগের কঠোর সমালোচনা করেছে। ভোটের আগে দেশটির প্রতিনিধি ইয়ারিনা ফেরেনসেভিচ বলেন, এ ধরনের পদক্ষেপের কারণেই জাতিসংঘ তার বিশ্বাসযোগ্যতা হারাচ্ছে।

তিনি বলেন, “বাস্তব সমস্যাগুলোর দিকে মনোযোগ দেওয়ার বদলে এই সংস্থা ষোড়শ শতকের মানচিত্র এবং ক্ষতিপূরণ ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় সেগুলোর ভূমিকা নিয়ে বিতর্ক করছে।”

এশিয়ার ‘সবুজ বিপ্লব’ কি আফ্রিকায়ও ঘটবে?Africa

এতদিন আফ্রিকাকে ছোট দেখাত কেন?

এর পেছনে রয়েছে পুরোনো ‘মার্কেটর প্রজেকশন’।

এই মানচিত্র তৈরির মূল উদ্দেশ্য ছিল বিভিন্ন ভূখণ্ডের আকৃতি ও কোণ যতটা সম্ভব নির্ভুলভাবে দেখানো। কিন্তু এতে মহাদেশগুলোর প্রকৃত আয়তনের তুলনা ঠিকভাবে ফুটে ওঠেনি। কারণ ত্রিমাত্রিক পৃথিবীকে দ্বিমাত্রিক কাগজের মানচিত্রে দেখানো সহজ নয়।

এর ফলে উত্তর দিকের ভূখণ্ডগুলো মানচিত্রে বড় হয়ে দেখা যায়, আর বিষুবীয় অঞ্চলের ভূখণ্ড তুলনামূলকভাবে ছোট দেখায়। তাই ইউরোপ ও উত্তর আমেরিকাকে তাদের প্রকৃত আয়তনের তুলনায় অনেক বড় এবং আফ্রিকা ও দক্ষিণ আমেরিকাকে ছোট মনে হয়।

২০১৮ সালে একদল মানচিত্রবিদ ‘ইকুয়াল আর্থ’ প্রজেকশন তৈরি করেন। এতে আফ্রিকা, লাতিন আমেরিকা, দক্ষিণ এশিয়া ও ওশেনিয়াকে তুলনামূলকভাবে বড় দেখানো হয়েছে।

এই মানচিত্রের অন্যতম নির্মাতা বোজান সাভরিচ ২০২৫ সালে এএফপিকে বলেন, “ইকুয়াল আর্থ মহাদেশগুলোর আপেক্ষিক আয়তন নির্ভুল রাখে এবং যতটা সম্ভব, পৃথিবীর গোলকের ওপর মহাদেশগুলোর যে আকৃতি দেখা যায়, সেটিই তুলে ধরে।”

মহাদেশ হিসেবে আফ্রিকা কেন এত গরিব!Africa proverty

ফ্রান্সও বদলাচ্ছে মানচিত্র

নতুন মানচিত্রের পক্ষে থাকা দেশগুলোর মধ্যে ফ্রান্সও রয়েছে। শুক্রবার দেশটি জানিয়েছে, তারাও মার্কেটর প্রজেকশন ব্যবহার বন্ধ করবে।

ফ্রান্সের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জ্যঁ-নোয়েল বারো বলেন, পুরোনো মানচিত্রে যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া ও চীন আফ্রিকা, লাতিন আমেরিকা কিংবা দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার তুলনায় বেশি গুরুত্ব পায়।

তিনি আরও বলেন, এটায় গ্রিনল্যান্ডকে প্রায় আফ্রিকার সমান দেখায়।

বারোর ভাষায়, “মানচিত্র পরিবর্তন করলে অবশ্যই পৃথিবী বদলে যায় না।” তবে তার মতে, একটি বিকৃত উপস্থাপন সংশোধন করা সত্য প্রতিষ্ঠার একটি পদক্ষেপ।

আর এই উদ্যোগ এমন এক সময়ে সামনে এসেছে, যখন ফ্রান্স আফ্রিকার সঙ্গে সম্পর্ক উন্নত করার চেষ্টা করছে। বিশেষ করে সাবেক ফরাসি উপনিবেশগুলোর সঙ্গে, যেসব দেশের সঙ্গে ফ্রান্সের সম্পর্ক দীর্ঘদিন ধরেই টানাপোড়েনপূর্ণ।

বিষয়: আফ্রিকাপৃথিবীমানচিত্রভোটজাতিসংঘ
Advertisement
সর্বশেষ
  • ১

    তাহসিফ ও দীপকে ‘ধাওয়া’ দিয়েছিল কারা?

  • ২

    সাংবাদিক নিধি রাজদানের সঙ্গে বিয়ে সারলেন কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর

  • ৩

    মিরপুরে ৩ মেট্রোস্টেশন বন্ধ, পুলিশের গাড়িতে আগুন

  • ৪

    ‘মাদরাসার সভাপতি-সেক্রেটারিও জানে না সেখানে কী পড়ানো হয়’

  • ৫

    ‘শিক্ষার্থীদের শিখন ঘাটতি পূরণে কোনো সরকারই দায়িত্ব পালন করেনি’

সম্পর্কিত
  • তাহসিফ ও দীপকে ‘ধাওয়া’ দিয়েছিল কারা?

    তাহসিফ ও দীপকে ‘ধাওয়া’ দিয়েছিল কারা?

    ঢাকার তুরাগ নদ থেকে বিমানবাহিনীর সাবেক ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট তাহসিফ সাউরির মরদেহ উদ্ধারের তিন দিন পরও মৃত্যুরহস্যের কূলকিনারা করতে পারেনি পুলিশ। এর মধ্যে তাহসিফের বন্ধু শাহরিয়ার রেজা দীপের বক্তব্য নতুন প্রশ্ন তৈরি করেছে। পিবিআইকে দেওয়া তথ্যে দীপ জানিয়েছেন, টঙ্গীর মাজার বস্তিতে তাদের কয়েক

  • সাকিব-তামিমরা নেই, তবুও কেন স্পিন উইকেটে আস্থা বাংলাদেশের?

    সাকিব-তামিমরা নেই, তবুও কেন স্পিন উইকেটে আস্থা বাংলাদেশের?

    বাংলাদেশের ক্রিকেটে মিরপুরের উইকেট বরাবরই এক ধাঁধাঁর বিষয়। বিশেষ করে স্পিন নির্ভর কন্ডিশনে প্রতিপক্ষকে ফাঁদে ফেলার কৌশল হিসেবে ধীরগতির ও অতিরিক্ত টার্নিং উইকেট ব্যবহারের প্রবণতা প্রায় এক যুগ ধরে চলে আসছে। তবে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে মিরপুর টেস্টে সেই কৌশলই বাংলাদেশের জন্য বুমেরাং হয়ে দাঁড়ি

  • মানব মস্তিষ্ক বিকাশের এক জটিল রহস্যের দরজা খুলেছে

    মানব মস্তিষ্ক বিকাশের এক জটিল রহস্যের দরজা খুলেছে

    মানবমস্তিষ্কের বিকাশের একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে বিপুলসংখ্যক জিনগত ত্রুটিযুক্ত স্নায়ুকোষ বা নিউরন অপসারিত হয়। জন্মের সময়ের কাছাকাছি এই প্রক্রিয়ায় মস্তিষ্ক যেন নিজের কোষগুলোর গুণগত মান যাচাই করে অপ্রয়োজনীয় বা ত্রুটিপূর্ণ কোষ সরিয়ে দেয়। নেচার সাময়িকীতে গত ২৮ অক্টোবর প্রকাশিত একটি গবেষণায় মানুষের

  • মঙ্গলের ৪১০ কোটি বছরের পুরনো উল্কাপিণ্ডে প্রাচীন জলময় পরিবেশের সন্ধান

    মঙ্গলের ৪১০ কোটি বছরের পুরনো উল্কাপিণ্ডে প্রাচীন জলময় পরিবেশের সন্ধান

    টেঘাজা ০০১-এর আবিষ্কার মঙ্গল সম্পর্কে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক ধারণাকে আরও শক্তিশালী করেছে—গ্রহটি সব সময় বর্তমানের মতো শীতল ও শুষ্ক ছিল না। তার জন্মলগ্নে সেখানে পানি, আগ্নেয়গিরির কার্যকলাপ এবং তুলনামূলক ঘন বায়ুমণ্ডলসহ ভিন্ন এক পরিবেশ থাকতে পারে।