Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০১ নভেম্বর, ২০২৬
০১ নভেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০১ নভেম্বর, ২০২৬
০১ নভেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
> এক্সপ্লেইনার

তথ্যচিত্র নিয়ে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসের অনুষ্ঠানে আসলে কী ঘটেছে

চরচা প্রতিবেদক

চরচা প্রতিবেদক

প্রকাশ : ০৫ আগস্ট ২০২৬, ১৫: ১৭
তথ্যচিত্র নিয়ে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসের অনুষ্ঠানে আসলে কী ঘটেছে
জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসের আলোচনা সভা। ছবি: ভিডিও থেকে নেওয়া

রাজধানীতে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে এক অনুষ্ঠানে ভিডিও তথ্যচিত্র প্রদর্শনকে কেন্দ্র করে হট্টগোলের ঘটনা ঘটেছে। পরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের আশ্বাসে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।

Advertisement

আজ বুধবার দুপুরে আগারগাঁওয়ে চীন-মৈত্রী আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে। অনুষ্ঠানে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত অনুষ্ঠানে জুলাই আন্দোলন নিয়ে একটি তথ্যচিত্র দেখানো হয়। প্রদর্শনী শেষ হওয়ার পর দর্শক সারিতে থাকা গণঅভ্যুত্থানে আহত ব্যক্তি ও শহীদ পরিবারের সদস্যদের একাংশ ‘ভুয়া, ভুয়া’ স্লোগান দিয়ে প্রতিবাদ জানান।

প্রতিবাদকারীদের অভিযোগ, তথ্যচিত্রে আন্দোলনের গুরুত্বপূর্ণ কিছু ঘটনা উপেক্ষিত হয়েছে এবং এতে অসংগতি রয়েছে। বিশেষ করে ৩ আগস্টের ঘটনাপ্রবাহ অনুপস্থিত থাকায় তারা ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে মঞ্চ থেকে বারবার আহ্বান জানানো হয়। একপর্যায়ে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন উপস্থিতদের উদ্দেশে বলেন, “আপনারা এখানে নিজেকে জাহির করতে আসছেন।” এ মন্তব্যের পর পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে প্রথমে মঞ্চে আসেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান। তিনি উপস্থিতদের শান্ত হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বক্তব্য দেন। তবে তার আহ্বানের পরও উত্তেজনা কমেনি এবং প্রতিবাদ অব্যাহত থাকে। পরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ এবং জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্যসচিব আখতার হোসেন মঞ্চে এসে উপস্থিতদের শান্ত করার চেষ্টা করেন।

আখতার হোসেন বলেন, “তথ্যচিত্রে অনেক অসংগতি রয়েছে। আমরা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে কথা বলে এসবের জবাবদিহি নিশ্চিত করব। শহীদ পরিবারের সম্মানে আপনারা শান্ত থাকুন।”

এরপর মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, “তথ্যচিত্রের অসংগতিগুলো খতিয়ে দেখা হবে এবং প্রয়োজনীয় সংশোধন আনা হবে। এতে কেউ কষ্ট পেয়ে থাকলে আমি দুঃখিত।” মন্ত্রীর আশ্বাসের পর পরিস্থিতি শান্ত হলে অনুষ্ঠান পুনরায় শুরু হয়।

পরে রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদ তার বক্তব্যে বলেন, “যা দেখলাম এটি অভিপ্রেত ছিল না। জাতীয় অনুষ্ঠানে আমরা তো জাতীয় ঐক্যের কোন বহিঃপ্রকাশ দেখাতে পারলাম না। ভুল তো মানুষ করেই। নিশ্চয়ই এখানে ডকুমেন্টারিতে অনেক ভুল আছে। প্রথম ভুল আমি যেখানে দেখেছি সেখানে তো আবু সাঈদের ছবিই নাই। আবু সাঈদ এই বিপ্লবের প্রতিচ্ছবি।”

রাষ্ট্রপতি বলেন, “প্রতীক তার ছবি না থাকলে এটা কোন ডকুমেন্টারি হলো না। সেখানে আরও নাই দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ছবিও তো নাই এ ধরনের একটা জাতীয় অনুষ্ঠানে। এটাকে পুষে সংসদের মত একটা ওয়াকআউট এটি বাঞ্ছনীয় নয়।” এদিকে, এনসিপির যুগ্ম সদস্য সচিব মাহিন সরকার ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে দাবি করেন, তথ্যচিত্রের প্রতিবাদ করায় তার ওপর হামলা হয়েছে। তিনি পোস্টে তথ্যচিত্রের বিষয়বস্তুরও সমালোচনা করেন।

facebook mahin

ফেসবুক পোস্টে মাহিন লেখেন, ‘‘আজকে প্রধানমন্ত্রীর কুকুর বাহিনী আমার উপর ঝাঁপিয়ে পড়েছে, কারণ আমি আজকের জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস ২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রদর্শিত ডকুমেন্টারির প্রতিবাদ করেছি। রাষ্ট্রপতির সামনে আমাকে হামলা করা হয়েছে এবং আমি এটি নিয়ে গর্বিত। ওই ডকুমেন্টারিতে একদফার ঘোষক বানানো হয়েছে তারেক রহমানকে। যে নাহিদ ইসলাম নিজের মৃত্যুপরওনায় সাইন করে এক দফার ঘোষণা দিলেন তিনি বিএনপির ইতিহাসে নেই, যেই Asif Mahmud মৃত্যু নিশ্চিত জেনেও লং মার্চ টু ঢাকা ঘোষণা করলেন তিনি ইতিহাসে নেই। জুলাইয়ের পরে বেঁচে থাকাটাই আমাদের অপরাধ। গণঅভ্যুত্থানে আমার নেতা নাহিদ ইসলাম আর আসিফ মাহমুদ, তাদের পদসেবা করা আমার পরম সৌভাগ্য। যেখানে তারা নেই সেখানে আমিও নেই। বিএনপির মুখে থুথু মারি।’’

বিষয়: বিএনপিজামায়াতরাজধানীঅভ্যুত্থানরাষ্ট্রপতি
Advertisement
সর্বশেষ
  • ১

    তাহসিফ ও দীপকে ‘ধাওয়া’ দিয়েছিল কারা?

  • ২

    সাংবাদিক নিধি রাজদানের সঙ্গে বিয়ে সারলেন কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর

  • ৩

    মিরপুরে ৩ মেট্রোস্টেশন বন্ধ, পুলিশের গাড়িতে আগুন

  • ৪

    ‘মাদরাসার সভাপতি-সেক্রেটারিও জানে না সেখানে কী পড়ানো হয়’

  • ৫

    ‘শিক্ষার্থীদের শিখন ঘাটতি পূরণে কোনো সরকারই দায়িত্ব পালন করেনি’

সম্পর্কিত
  • তাহসিফ ও দীপকে ‘ধাওয়া’ দিয়েছিল কারা?

    তাহসিফ ও দীপকে ‘ধাওয়া’ দিয়েছিল কারা?

    ঢাকার তুরাগ নদ থেকে বিমানবাহিনীর সাবেক ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট তাহসিফ সাউরির মরদেহ উদ্ধারের তিন দিন পরও মৃত্যুরহস্যের কূলকিনারা করতে পারেনি পুলিশ। এর মধ্যে তাহসিফের বন্ধু শাহরিয়ার রেজা দীপের বক্তব্য নতুন প্রশ্ন তৈরি করেছে। পিবিআইকে দেওয়া তথ্যে দীপ জানিয়েছেন, টঙ্গীর মাজার বস্তিতে তাদের কয়েক

  • সাকিব-তামিমরা নেই, তবুও কেন স্পিন উইকেটে আস্থা বাংলাদেশের?

    সাকিব-তামিমরা নেই, তবুও কেন স্পিন উইকেটে আস্থা বাংলাদেশের?

    বাংলাদেশের ক্রিকেটে মিরপুরের উইকেট বরাবরই এক ধাঁধাঁর বিষয়। বিশেষ করে স্পিন নির্ভর কন্ডিশনে প্রতিপক্ষকে ফাঁদে ফেলার কৌশল হিসেবে ধীরগতির ও অতিরিক্ত টার্নিং উইকেট ব্যবহারের প্রবণতা প্রায় এক যুগ ধরে চলে আসছে। তবে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে মিরপুর টেস্টে সেই কৌশলই বাংলাদেশের জন্য বুমেরাং হয়ে দাঁড়ি

  • মানব মস্তিষ্ক বিকাশের এক জটিল রহস্যের দরজা খুলেছে

    মানব মস্তিষ্ক বিকাশের এক জটিল রহস্যের দরজা খুলেছে

    মানবমস্তিষ্কের বিকাশের একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে বিপুলসংখ্যক জিনগত ত্রুটিযুক্ত স্নায়ুকোষ বা নিউরন অপসারিত হয়। জন্মের সময়ের কাছাকাছি এই প্রক্রিয়ায় মস্তিষ্ক যেন নিজের কোষগুলোর গুণগত মান যাচাই করে অপ্রয়োজনীয় বা ত্রুটিপূর্ণ কোষ সরিয়ে দেয়। নেচার সাময়িকীতে গত ২৮ অক্টোবর প্রকাশিত একটি গবেষণায় মানুষের

  • মঙ্গলের ৪১০ কোটি বছরের পুরনো উল্কাপিণ্ডে প্রাচীন জলময় পরিবেশের সন্ধান

    মঙ্গলের ৪১০ কোটি বছরের পুরনো উল্কাপিণ্ডে প্রাচীন জলময় পরিবেশের সন্ধান

    টেঘাজা ০০১-এর আবিষ্কার মঙ্গল সম্পর্কে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক ধারণাকে আরও শক্তিশালী করেছে—গ্রহটি সব সময় বর্তমানের মতো শীতল ও শুষ্ক ছিল না। তার জন্মলগ্নে সেখানে পানি, আগ্নেয়গিরির কার্যকলাপ এবং তুলনামূলক ঘন বায়ুমণ্ডলসহ ভিন্ন এক পরিবেশ থাকতে পারে।