Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০১ নভেম্বর, ২০২৬
০১ নভেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০১ নভেম্বর, ২০২৬
০১ নভেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
> এক্সপ্লেইনার

সৌদি আরব এখন কোন কৌশলে তেল রপ্তানি করছে?

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭: ০২
সৌদি আরব এখন কোন কৌশলে তেল রপ্তানি করছে?
সৌদি আরবের আরামকোর রাস তানুরা তেল শোধনাগার ও তেল টার্মিনালে তেলের ট্যাংকার। ছবি: রয়টার্স

সম্প্রতি ইরাক থেকে চালানো ড্রোন হামলায় সৌদি আরবের গুরুত্বপূর্ণ ইস্ট-ওয়েস্ট তেল পাইপলাইন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে দেশটির তেল রপ্তানি ব্যাহত হয়েছে। হরমুজ প্রণালির ওপর নির্ভরতা কমিয়ে এই পাইপলাইনটি দিয়েই তেল রপ্তানি করা হতো।

Advertisement

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই হরমুজ কার্যত বন্ধ। এখন বাব আল-মান্দেবও হুতিদের নিয়ন্ত্রণে। তাই সৌদিকে তেল রপ্তানির নতুন পথ খুঁজতে হচ্ছে। এখন ওমানের উপকূলে এক জাহাজ থেকে আরেক জাহাজে তেল স্থানান্তর করে ক্রেতাদের কাছে তেল পৌঁছানোর চেষ্টা করছে রিয়াদ।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

সংঘাতের কারণে বাণিজ্যিক জাহাজগুলো হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচল করতে অস্বীকৃতি জানাচ্ছে। তাই তেলবাহী জাহাজে করে সৌদি প্রথমে ওমানের সোহার বন্দরে তেল নিয়ে যাচ্ছে। এই বন্দরটি হরমুজ প্রণালির ঠিক বাইরে অবস্থিত। সেখানে সৌদি জাহাজ থেকে অন্য জাহাজে তেল স্থানান্তর করা হচ্ছে।

বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হরমুজ প্রণালি বন্ধ হয়ে যাওয়া এবং তেলের দাম বেড়ে যাওয়ার কারণে যুক্তরাষ্ট্র ও তার আঞ্চলিক মিত্ররা এখন অনেকটা গোপন কৌশলে তেল রপ্তানির চেষ্টা করছে। ইরানও বহু বছর ধরে নিজেদের তেল রপ্তানিতে এমন কৌশল ব্যবহার করে আসছে।

কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে– কীভাবে এক জাহাজ থেকে আরেক জাহাজে তেল স্থানান্তর করা হয় এবং এই পদ্ধতি কতটা নিরাপদ।

মক্কাকে লক্ষ্য করে ড্রোন হামলা: সৌদি আরব কী খেলা খেলছে, হুতিরা কী বলছে?houthi mecca

বন্দরগুলো কোথায়?

আল জাজিরা বলছে, হরমুজ প্রণালি এড়িয়ে তেল পরিবহনের ক্ষেত্রে দুটি বন্দর গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। এর একটি ওমানের সোহার বন্দর এবং অন্যটি সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফুজাইরাহ উপকূলের কাছাকাছি।

সোহার একটি বড় গভীর সমুদ্রবন্দর ও শিল্পকেন্দ্র। এখানে বিপুল পরিমাণ পণ্য, পেট্রোকেমিক্যাল ও কনটেইনার পরিবহন করা হয়। এর কৌশলগত অবস্থানের কারণে আন্তর্জাতিক জাহাজগুলো সরু উপসাগরীয় পথ এড়িয়ে চলাচল করতে পারে। একই সঙ্গে আরব উপদ্বীপের বিভিন্ন বাজারের সঙ্গে স্থলপথে সরাসরি যোগাযোগও রয়েছে।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফুজাইরাহ বন্দর দেশটির পূর্ব উপকূলে অবস্থিত। এটি বিশ্বের অন্যতম বড় জাহাজে জ্বালানি সরবরাহ ও অপরিশোধিত তেল সংরক্ষণের কেন্দ্র। হরমুজ প্রণালির বাইরে সমুদ্রে জাহাজ নোঙর করার সুযোগ থাকায়, এক জাহাজ থেকে আরেক জাহাজে তেল স্থানান্তর এবং জ্বালানি রপ্তানির জন্য এটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান হয়ে উঠেছে।

এই বন্দরগুলো হরমুজ প্রণালি পরিচালনার জন্য গঠিত ইরানের নতুন সংস্থা ‘পারসিয়ান গালফ স্ট্রেইট অথরিটির’ নির্ধারিত সীমানার কাছাকাছি।

আল জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, ইরানি কর্তৃপক্ষ কিছু জাহাজে হামলা করেছে। তাদের দাবি, ওই জাহাজগুলো অনুমোদনহীন পথে চলাচল করছিল। এর মধ্যে হরমুজ প্রণালির দক্ষিণ দিকের পথও রয়েছে, যা ওমানের জলসীমার কাছাকাছি।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলতি বছরের মে মাসের শুরু থেকে উপসাগরীয় অঞ্চলের জ্বালানি রপ্তানি চালু রাখতে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী গোপনে এক জাহাজ থেকে আরেক জাহাজে তেল স্থানান্তরের বহু কার্যক্রমে সহায়তা করেছে।

সৌদির কাছে ৪৮টি এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান বিক্রির অনুমোদন যুক্তরাষ্ট্রেরF-35

জাহাজ থেকে জাহাজে তেল স্থানান্তর কীভাবে হয়?

আল জাজিরার প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, এই পদ্ধতিতে অপরিশোধিত তেল বা তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস এক জাহাজ থেকে অন্য জাহাজে নেওয়া হয়। কোনো বন্দরে সরাসরি যাওয়া বন্ধ বা সীমিত হয়ে গেলে এই পদ্ধতি তেল পরিবহনের গুরুত্বপূর্ণ বিকল্প হিসেবে কাজ করে।

তেল ছড়িয়ে পড়া বা জাহাজের মধ্যে সংঘর্ষ এড়াতে অনুকূল আবহাওয়া ও সমুদ্রের পরিস্থিতিতে খুব সতর্কতার সঙ্গে এই কাজ করতে হয়।

সাধারণত বড় একটি জাহাজ স্থির গতিতে বা নোঙর করে থাকে। অন্য জাহাজটি ধীরে ধীরে তার কাছে আসে। এরপর দুটি জাহাজকে পাশাপাশি আনা হয়। সংঘর্ষের ঝুঁকি কমাতে জাহাজের পাশে বড় রাবারের ফেন্ডার ব্যবহার করা হয়।

গোপনীয়তা বজায় রাখতে এবং শনাক্ত হওয়া এড়াতে জাহাজগুলোর অবস্থান শনাক্তকারী যন্ত্র বন্ধ রাখা হয়। এরপর প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা পরীক্ষা শেষে তেল বহনকারী জাহাজের পাম্পের মাধ্যমে সংযুক্ত পাইপ দিয়ে অন্য জাহাজে তেল পাঠানো হয়। এ সময় তেলের চাপ ও আবহাওয়ার পরিস্থিতি নজরে রাখা হয়।

সৌদির ইস্ট-ওয়েস্ট পাইপলাইন কেন বিশ্বের জন্য গুরুত্বপূর্ণ?Soudi oil

কারা এই পদ্ধতি ব্যবহার করছে এবং কেন?

সৌদি এত দিন দেশটির পূর্বাঞ্চলের প্রধান তেলক্ষেত্রগুলো থেকে পশ্চিমে লোহিত সাগরের উপকূলে ইয়ানবু বন্দরে তেল নিতে ইস্ট-ওয়েস্ট পাইপলাইনের ওপর নির্ভর করত।

বিশ্বব্যাপী আর্থিক বাজারের অবকাঠামো ও তথ্য সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান এলএসইজি ডেটা অ্যান্ড অ্যানালিটিকসের তেলবিষয়ক গবেষণা বিশেষজ্ঞ ঋষি রাজনালা আল জাজিরাকে বলেন, সাম্প্রতিক ড্রোন হামলার পর পাইপলাইনটি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সৌদির প্রথম বিকল্প হলো উপসাগরীয় টার্মিনালগুলো থেকে হরমুজ প্রণালি দিয়ে আরও বেশি তেল জাহাজে পাঠানো। এর মধ্যে প্রণালির বাইরে, যেমন ওমানের সোহার এলাকায়, এক জাহাজ থেকে আরেক জাহাজে তেল স্থানান্তরও রয়েছে।

হরমুজ প্রণালি। ছবি: রয়টার্স
হরমুজ প্রণালি। ছবি: রয়টার্স

এই বিশ্লেষক আর বলেন, উপসাগরীয় দেশগুলো এরই মধ্যে এভাবে তাদের রপ্তানির কিছু অংশ পরিবহন করছে। তবে এর পরিমাণ নির্ভর করছে তেলবাহী জাহাজ পাওয়া, বিমা এবং পরিবহন খরচের ওপর। আর এই পরিমাণ যুদ্ধের আগের সময়ের তুলনায় অনেক কম।

স্বাধীন জ্বালানি গবেষণা ও ব্যবসায়িক তথ্য বিশ্লেষণ প্রতিষ্ঠান রিস্ট্যাড এনার্জির আপস্ট্রিম গবেষণার ভাইস প্রেসিডেন্ট রাহুল চৌধুরী বলেন, চলতি মাসের শুরু থেকে হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেল রপ্তানি কিছুটা বেড়েছে। প্রথম দুই সপ্তাহে প্রতিদিন ২০ লাখ ব্যারেলের বেশি তেল রপ্তানি হয়েছে, যা আগস্টের তুলনায় প্রতিদিন প্রায় ১০ লাখ ব্যারেল বেশি। সেপ্টেম্বরে এই পরিমাণ আরও বাড়তে পারে।

এরই মধ্যে সৌদি আরবের তেল কোম্পানি আরামকো ওমানের সোহার বন্দর থেকে এশিয়ার বিভিন্ন তেল শোধনাগারে অতিরিক্ত তেল পাঠানোর প্রস্তাব দিচ্ছে।

ইরাকি ড্রোন হামলায় সৌদির তেলের পাইপলাইন বন্ধSoudi oil

রাহুল চৌধুরী আরও বলেন, আগামী দিনগুলোতে সৌদি আরব ‘গোপন তেলবাহী জাহাজ’ ব্যবহারের ওপর আরও বেশি নির্ভর করতে পারে। এর মাধ্যমে লোহিত সাগর দিয়ে তেল পরিবহনের সুযোগ হারানোর ক্ষতি কিছুটা পুষিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হবে।

তবে শুধু সৌদি আরব নয়। স্বাধীনভাবে জাহাজ চলাচল পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা ও বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কুয়েত ও কাতারও কখনো কখনো হরমুজ প্রণালি পার হয়ে পণ্য পরিবহনে একই ধরনের কৌশল ব্যবহার করছে।

এই পদ্ধতি কতটা নিরাপদ?

সমুদ্রে এক জাহাজ থেকে আরেক জাহাজে তেল স্থানান্তর তুলনামূলকভাবে ঝুঁকিপূর্ণ। বিশেষ করে যখন এটি গোপনে করা হয়। সাধারণভাবে জাহাজে তেল পরিবহনের তুলনায়ও এই পদ্ধতি কম কার্যকর।

স্যাটেলাইট ইমেজে সৌদির পূর্ব-পশ্চিম পাইপলাইনে ড্রোন হামলার পর ধোঁয়া উড়তে দেখা দেখা যায়। ছবি: রয়টার্স
স্যাটেলাইট ইমেজে সৌদির পূর্ব-পশ্চিম পাইপলাইনে ড্রোন হামলার পর ধোঁয়া উড়তে দেখা দেখা যায়। ছবি: রয়টার্স

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নিয়ম না মেনে করা এসব তেল স্থানান্তরে অনেক সময় পুরনো জাহাজ ব্যবহার করা হয়। এসব জাহাজের কাঠামো ঠিকমতো রক্ষণাবেক্ষণ করা হয় না। তেল স্থানান্তরের পাইপও পরীক্ষা করা হয় না। আবার জাহাজের অবস্থান শনাক্ত করার ব্যবস্থা বন্ধ রাখা হয় এবং অনেক ক্ষেত্রে কোনো বিমা থাকে না।

বিশ্বের তেল পরিবহন পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা ট্যাংকারট্র্যাকার্স গত সপ্তাহে জানিয়েছে, জাহাজ থেকে জাহাজে তেল স্থানান্তর বেড়েছে। সংস্থাটি জাহাজের অবস্থান শনাক্তকারী তথ্য ও স্যাটেলাইটের ছবি বিশ্লেষণ করে জানিয়েছে, গত ১৪ দিনে প্রতিদিন গড়ে ৭১ লাখ ৫০ হাজার ব্যারেল তেল এভাবে এক জাহাজ থেকে অন্য জাহাজে স্থানান্তর হয়েছে।

সংস্থাটি আরও জানিয়েছে, আগের মাসের তুলনায় এই পরিমাণ ৫৬ শতাংশ বেড়েছে।

মক্কার কাছে হুতিদের ড্রোন হামলার অভিযোগ, ভূপাতিত করল সৌদিMecca

এই পদ্ধতির সুবিধা কী?

বিশ্লেষকরা বলছেন, ঝুঁকি থাকলেও বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যের মতো অস্থির পরিস্থিতিতে এই পদ্ধতির কিছু সুবিধা রয়েছে। বড় পরিবহন কোম্পানির জাহাজ ও তেলবাহী ট্যাংকারগুলো ইরান বা যুক্তরাষ্ট্রের হামলার আশঙ্কায় হরমুজ প্রণালিতে ঢুকতে চাইছে না। একই সময়ে উপসাগরীয় দেশগুলোর জন্য হরমুজ প্রণালি দিয়ে যতটা সম্ভব তেল ও গ্যাস রপ্তানি করা জরুরি।

তাই এসব দেশ ঝুঁকি নিয়ে নিজেদের তেলবাহী জাহাজ ও অন্যান্য জাহাজ হরমুজ প্রণালির কাছে পাঠাচ্ছে। অনেক সময় জাহাজগুলোর অবস্থান শনাক্ত করার ব্যবস্থা বন্ধ রাখা হয়। এরপর তুলনামূলক নিরাপদ জলসীমায় থাকা বড় তেল ও গ্যাসবাহী জাহাজে এসব পণ্য তুলে দেওয়া হয়। পরে ওই বড় জাহাজগুলো তেল ও গ্যাস চীন, ভারত, দক্ষিণ কোরিয়া, জাপানসহ বিভিন্ন দেশের বাজারে নিয়ে যায়।

এসব তেল স্থানান্তরের বিমা কে করে?

প্রচলিত বিমা কোম্পানিগুলোর জন্য এক জাহাজ থেকে আরেক জাহাজে তেল স্থানান্তরের বিমা করা ‘খুব জটিল’ হতে পারে বলে জানিয়েছেন এনএসআই ইনস্যুরেন্স গ্রুপের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা অস্কার সিকালি। তিনি বলেন, কোনো দুর্ঘটনা হলে শুধু জাহাজ ও এর পণ্যই ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে না, পরিবেশ দূষণ, জাহাজের সংঘর্ষ, পণ্যের বিমা এবং যুদ্ধের ঝুঁকির বিষয়ও সামনে আসে।

অস্কার সিকালি আরও বলেন, বিমা কোম্পানিগুলো জাহাজ চলাচলের ওপর বাড়তি শর্ত, নিরাপত্তা ব্যবস্থা, যুদ্ধের ঝুঁকির জন্য অতিরিক্ত বিমা খরচ বা বিভিন্ন ধরনের নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে পারে। এসব তেলের বেশির ভাগই সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর রাষ্ট্রীয় তেল কোম্পানির মালিকানাধীন। তাই অনেক ক্ষেত্রে তারা রাষ্ট্রের সহায়তায় নিজেদের তেলের বিমার ব্যবস্থা করে অথবা বেসরকারি বিমা বাজারের ওপর নির্ভর করে।

তার ভাষ্য, যুদ্ধ বা অন্য কোনো বড় ঝুঁকির সময় বিমা কোম্পানিগুলো এক জাহাজ থেকে আরেক জাহাজে তেল স্থানান্তরের মতো কার্যক্রমের জন্য সাধারণত বড় ধরনের বিমা দিতে চায় না। ফলে এই ঝুঁকির বড় অংশ শেষ পর্যন্ত তেল উৎপাদনকারী দেশকেই বহন করতে হয়। কারণ পুরো ঝুঁকি বেসরকারি বিমা কোম্পানির কাছে দেওয়া যায় না।

বিষয়: সৌদি আরবমধ্যপ্রাচ্যতেলবাজারহুতিলোহিত সাগরইরানহরমুজ প্রণালি
Advertisement
সর্বশেষ
  • ১

    তাহসিফ ও দীপকে ‘ধাওয়া’ দিয়েছিল কারা?

  • ২

    সাংবাদিক নিধি রাজদানের সঙ্গে বিয়ে সারলেন কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর

  • ৩

    মিরপুরে ৩ মেট্রোস্টেশন বন্ধ, পুলিশের গাড়িতে আগুন

  • ৪

    ‘মাদরাসার সভাপতি-সেক্রেটারিও জানে না সেখানে কী পড়ানো হয়’

  • ৫

    ‘শিক্ষার্থীদের শিখন ঘাটতি পূরণে কোনো সরকারই দায়িত্ব পালন করেনি’

সম্পর্কিত
  • তাহসিফ ও দীপকে ‘ধাওয়া’ দিয়েছিল কারা?

    তাহসিফ ও দীপকে ‘ধাওয়া’ দিয়েছিল কারা?

    ঢাকার তুরাগ নদ থেকে বিমানবাহিনীর সাবেক ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট তাহসিফ সাউরির মরদেহ উদ্ধারের তিন দিন পরও মৃত্যুরহস্যের কূলকিনারা করতে পারেনি পুলিশ। এর মধ্যে তাহসিফের বন্ধু শাহরিয়ার রেজা দীপের বক্তব্য নতুন প্রশ্ন তৈরি করেছে। পিবিআইকে দেওয়া তথ্যে দীপ জানিয়েছেন, টঙ্গীর মাজার বস্তিতে তাদের কয়েক

  • সাকিব-তামিমরা নেই, তবুও কেন স্পিন উইকেটে আস্থা বাংলাদেশের?

    সাকিব-তামিমরা নেই, তবুও কেন স্পিন উইকেটে আস্থা বাংলাদেশের?

    বাংলাদেশের ক্রিকেটে মিরপুরের উইকেট বরাবরই এক ধাঁধাঁর বিষয়। বিশেষ করে স্পিন নির্ভর কন্ডিশনে প্রতিপক্ষকে ফাঁদে ফেলার কৌশল হিসেবে ধীরগতির ও অতিরিক্ত টার্নিং উইকেট ব্যবহারের প্রবণতা প্রায় এক যুগ ধরে চলে আসছে। তবে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে মিরপুর টেস্টে সেই কৌশলই বাংলাদেশের জন্য বুমেরাং হয়ে দাঁড়ি

  • মানব মস্তিষ্ক বিকাশের এক জটিল রহস্যের দরজা খুলেছে

    মানব মস্তিষ্ক বিকাশের এক জটিল রহস্যের দরজা খুলেছে

    মানবমস্তিষ্কের বিকাশের একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে বিপুলসংখ্যক জিনগত ত্রুটিযুক্ত স্নায়ুকোষ বা নিউরন অপসারিত হয়। জন্মের সময়ের কাছাকাছি এই প্রক্রিয়ায় মস্তিষ্ক যেন নিজের কোষগুলোর গুণগত মান যাচাই করে অপ্রয়োজনীয় বা ত্রুটিপূর্ণ কোষ সরিয়ে দেয়। নেচার সাময়িকীতে গত ২৮ অক্টোবর প্রকাশিত একটি গবেষণায় মানুষের

  • মঙ্গলের ৪১০ কোটি বছরের পুরনো উল্কাপিণ্ডে প্রাচীন জলময় পরিবেশের সন্ধান

    মঙ্গলের ৪১০ কোটি বছরের পুরনো উল্কাপিণ্ডে প্রাচীন জলময় পরিবেশের সন্ধান

    টেঘাজা ০০১-এর আবিষ্কার মঙ্গল সম্পর্কে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক ধারণাকে আরও শক্তিশালী করেছে—গ্রহটি সব সময় বর্তমানের মতো শীতল ও শুষ্ক ছিল না। তার জন্মলগ্নে সেখানে পানি, আগ্নেয়গিরির কার্যকলাপ এবং তুলনামূলক ঘন বায়ুমণ্ডলসহ ভিন্ন এক পরিবেশ থাকতে পারে।