Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০১ নভেম্বর, ২০২৬
০১ নভেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০১ নভেম্বর, ২০২৬
০১ নভেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
> এক্সপ্লেইনার

ভারতের ককরোচ জনতা পার্টি কী, কারা করল?

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ২১ মে ২০২৬, ১১: ৫৪
ভারতের ককরোচ জনতা পার্টি কী, কারা করল?

আপনি যদি এখনো ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ বা ‘তেলাপোকা জনতা পার্টি’র নাম না শুনে থাকেন, তবে বলতেই হয় যে আপনি বাইরের দুনিয়া থেকে একদম বিচ্ছিন্ন হয়ে আছেন! ভারতের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত নাকি এক মন্তব্যে বেকার যুবকদের তেলাপোকার সাথে তুলনা করেছিলেন- আর এই খবর ছড়াতেই ইন্টারনেটে রাতারাতি জন্ম নেয় এক ব্যঙ্গাত্মক রাজনৈতিক দল। আর এখন শুধু সাধারণ মানুষই নয়, বিনোদন দুনিয়ার তারকারাও নাম লেখাচ্ছেন এই দলে।

Advertisement

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ইনস্টাগ্রামে দলটির অফিশিয়াল পেজের অনুসারীর সংখ্যা এরইমধ্যে ৩০ লাখ ছাড়িয়ে গেছে। আর এই অনুসারীদের তালিকায় যুক্ত হয়েছেন নামী-দামী সব তারকারা। প্রখ্যাত চলচ্চিত্র নির্মাতা অনুরাগ কশ্যপ, অভিনেত্রী কঙ্কনা সেন শর্মা এবং এষা গুপ্তার মতো ব্যক্তিত্বরা ইতিমধ্যেই ‘ককরোচ জনতা পার্টি বা সিজেপি-র ইনস্টাগ্রাম হ্যান্ডেল ফলো করা শুরু করেছেন।

টেলিভিশন দুনিয়ার চেনা মুখ উমর রিয়াজ, অভিষেক নিগম, উরফি জাভেদ, নাগমা মিরাজকার, পুরাভ ঝা, শফাক নাজ এবং শীজান খানও রয়েছেন এই তালিকায়। এমনকি জনপ্রিয় কৌতুক অভিনেতা কুনাল কামরা এবং পাঞ্জাবি গায়িকা-অভিনেত্রী হিমাংশি খুরানাও মেতে উঠেছেন এই সোশ্যাল মিডিয়া উন্মাদনায়।

ভারতের রাজ্যে রাজ্যে তারা, তবুও প্রশ্ন, ‘বিজেপি কোথায়?’festive-after-victory-of-BJP2

আসলে কী এই ‘ককরোচ জনতা পার্টি’?

Advertisement
Advertisement
Advertisement

ঘটনার সূত্রপাত প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের একটি মন্তব্যকে কেন্দ্র করে, যেখানে তিনি পরোক্ষভাবে বেকার যুবকদের তেলাপোকার সাথে তুলনা করেছিলেন বলে অভিযোগ ওঠে। এরপরই গত ১৬ মে অভিজিৎ দিপকে নামের এক যুবক অনলাইনে জন্ম দেন এই ব্যঙ্গাত্মক রাজনৈতিক দলের। এক্স (সাবেক টুইটার) ও ইনস্টাগ্রামে আসার পর থেকেই ঝড়ের গতিতে বাড়তে থাকে এর জনপ্রিয়তা। মাত্র কয়েক দিনের ব্যবধানেই দলটির ঝুলিতে জমা হয় লাখ লাখ অনুসারী। যা শুরু হয়েছিল স্রেফ একটা ইন্টারনেট কৌতুক হিসেবে, তা-ই এখন রূপ নিয়েছে এক ভাইরাল রাজনৈতিক আন্দোলনে।

ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

মাত্র দু-এক দিনের মধ্যেই এটি আজকের জেন-জি’র নতুন ইন্টারনেটের খোরাক হয়ে দাঁড়িয়েছে। ইনস্টাগ্রাম রিলস, এক্স এবং বিভিন্ন মিম পেজে এখন যুবসমাজের একটাই উন্মাদনা। মজার ছলে সবাই এই কাল্পনিক রাজনৈতিক দলে যোগ দেওয়ার আকুতি জানাচ্ছেন। এমনকি নিজেদের বিচিত্র ও অদ্ভুত সব ‘দক্ষতা’র কথা উল্লেখ করে দলের শীর্ষ পদের জন্য নিজেদের ‘যোগ্য প্রার্থী’ বলেও দাবি করছেন অনেকে।

ককরোচ জনতা পার্টির অন্দরমহল

অভিজিৎ দিপকের এই ব্যঙ্গাত্মক রাজনৈতিক দলে যোগ দেওয়ার জন্য রয়েছে বিশেষ চার দফা যোগ্যতা। আপনি যদি বেকার, অলস, সারাক্ষণ ইন্টারনেটে মজে থাকা ‘ক্রনিক্যালি অনলাইন’ এবং পেশাদারদের মতো ঘ্যানঘ্যান বা ক্ষোভ প্রকাশ করতে পারেন—তবেই আপনি এই দলের যোগ্য সদস্য!

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ‘এক্স’-এ দলটির মূলমন্ত্র হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে: “তরুণদের দ্বারা, তরুণদের জন্য, তরুণদের একটি রাজনৈতিক মঞ্চ। ধর্মনিরপেক্ষ—সমাজতান্ত্রিক—গণতান্ত্রিক—অলস।” অন্যদিকে ইনস্টাগ্রামে দলটি নিজেদের পরিচয় দিয়েছে “অলস এবং বেকার তেলাপোকাদের একটি ইউনিয়ন” হিসেবে, যেখানে যোগ দেওয়ার জন্য জেন-জি বন্ধুদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।

তবে দলটির এই মজার অবয়বের আড়ালে লুকিয়ে আছে এক ক্ষুরধার রাজনৈতিক বার্তা। মোদি সরকারের বিরুদ্ধে ভোটারদের প্রভাবিত করার অভিযোগ, বর্তমান করপোরেট গণমাধ্যমের মেরুদণ্ডহীন ভূমিকা এবং অবসরের পরপরই বিচারপতিদের সরকারি পদে নিয়োগের মতো সংবেদনশীল ও বিতর্কিত বিষয়গুলোকে অত্যন্ত চতুরতার সাথে তুলে ধরা হয়েছে সিজেপি-র ইশতেহারে।

দলটির প্রতিষ্ঠাতা দিপকে জানান, প্রথম পোস্ট করার মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই তিনি এই কাল্পনিক দলটিকে অনলাইনে দাঁড় করিয়ে ফেলেন। আর এর রূপরেখা ও ইশতেহার তৈরিতে তিনি ব্যবহার করেছেন চ্যাটজিপিটি এবং ক্লড এর মতো আধুনিক এআই প্রযুক্তির সাহায্য। বিশ্বজুড়ে মূলধারার রাজনীতিকে চ্যালেঞ্জ জানাতে ব্যঙ্গ, বিদ্রূপ এবং উদ্ভট কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে যে বৈপ্লবিক ‘কাউন্টার-কালচারাল’ বা প্রতি-সংস্কৃতি আন্দোলনের দীর্ঘ ঐতিহ্য রয়েছে, দিপকের এই উদ্যোগ যেন তারই এক আধুনিক ডিজিটাল সংস্করণ।

বিষয়: ইনস্টাগ্রামস্যাটায়ারসামাজিক যোগাযোগমাধ্যমরাজনীতিভারত
Advertisement
সর্বশেষ
  • ১

    তাহসিফ ও দীপকে ‘ধাওয়া’ দিয়েছিল কারা?

  • ২

    সাংবাদিক নিধি রাজদানের সঙ্গে বিয়ে সারলেন কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর

  • ৩

    মিরপুরে ৩ মেট্রোস্টেশন বন্ধ, পুলিশের গাড়িতে আগুন

  • ৪

    ‘মাদরাসার সভাপতি-সেক্রেটারিও জানে না সেখানে কী পড়ানো হয়’

  • ৫

    ‘শিক্ষার্থীদের শিখন ঘাটতি পূরণে কোনো সরকারই দায়িত্ব পালন করেনি’

সম্পর্কিত
  • তাহসিফ ও দীপকে ‘ধাওয়া’ দিয়েছিল কারা?

    তাহসিফ ও দীপকে ‘ধাওয়া’ দিয়েছিল কারা?

    ঢাকার তুরাগ নদ থেকে বিমানবাহিনীর সাবেক ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট তাহসিফ সাউরির মরদেহ উদ্ধারের তিন দিন পরও মৃত্যুরহস্যের কূলকিনারা করতে পারেনি পুলিশ। এর মধ্যে তাহসিফের বন্ধু শাহরিয়ার রেজা দীপের বক্তব্য নতুন প্রশ্ন তৈরি করেছে। পিবিআইকে দেওয়া তথ্যে দীপ জানিয়েছেন, টঙ্গীর মাজার বস্তিতে তাদের কয়েক

  • সাকিব-তামিমরা নেই, তবুও কেন স্পিন উইকেটে আস্থা বাংলাদেশের?

    সাকিব-তামিমরা নেই, তবুও কেন স্পিন উইকেটে আস্থা বাংলাদেশের?

    বাংলাদেশের ক্রিকেটে মিরপুরের উইকেট বরাবরই এক ধাঁধাঁর বিষয়। বিশেষ করে স্পিন নির্ভর কন্ডিশনে প্রতিপক্ষকে ফাঁদে ফেলার কৌশল হিসেবে ধীরগতির ও অতিরিক্ত টার্নিং উইকেট ব্যবহারের প্রবণতা প্রায় এক যুগ ধরে চলে আসছে। তবে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে মিরপুর টেস্টে সেই কৌশলই বাংলাদেশের জন্য বুমেরাং হয়ে দাঁড়ি

  • মানব মস্তিষ্ক বিকাশের এক জটিল রহস্যের দরজা খুলেছে

    মানব মস্তিষ্ক বিকাশের এক জটিল রহস্যের দরজা খুলেছে

    মানবমস্তিষ্কের বিকাশের একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে বিপুলসংখ্যক জিনগত ত্রুটিযুক্ত স্নায়ুকোষ বা নিউরন অপসারিত হয়। জন্মের সময়ের কাছাকাছি এই প্রক্রিয়ায় মস্তিষ্ক যেন নিজের কোষগুলোর গুণগত মান যাচাই করে অপ্রয়োজনীয় বা ত্রুটিপূর্ণ কোষ সরিয়ে দেয়। নেচার সাময়িকীতে গত ২৮ অক্টোবর প্রকাশিত একটি গবেষণায় মানুষের

  • মঙ্গলের ৪১০ কোটি বছরের পুরনো উল্কাপিণ্ডে প্রাচীন জলময় পরিবেশের সন্ধান

    মঙ্গলের ৪১০ কোটি বছরের পুরনো উল্কাপিণ্ডে প্রাচীন জলময় পরিবেশের সন্ধান

    টেঘাজা ০০১-এর আবিষ্কার মঙ্গল সম্পর্কে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক ধারণাকে আরও শক্তিশালী করেছে—গ্রহটি সব সময় বর্তমানের মতো শীতল ও শুষ্ক ছিল না। তার জন্মলগ্নে সেখানে পানি, আগ্নেয়গিরির কার্যকলাপ এবং তুলনামূলক ঘন বায়ুমণ্ডলসহ ভিন্ন এক পরিবেশ থাকতে পারে।