আমরা
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক, চরচা
ছেচল্লিশ বছর আগে ১৯৮০ সালে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি বিএনপি প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের আমলে চালু হয়েছিল গ্রাম সরকার। উদ্দেশ্য ছিল গ্রামের মানুষকে উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে যুক্ত করা, স্থানীয় বিরোধ মীমাংসা এবং গ্রামীণ পর্যায়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় ভূমিকা রাখা। কিন্তু চালু করার দুই বছরের মাথায়, ১৯৮২ সালে এরশাদ সরকারের
সৌদি আরবে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের খবর যখন ঢাকায় পৌঁছায়, ততক্ষণে সব প্রক্রিয়া শেষ। গত ১৪ অক্টোবর সৌদি কর্তৃপক্ষের হাতে তাদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হলেও এর আগে বাংলাদেশ সরকার কিংবা জেদ্দায় বাংলাদেশের মিশনকে কিছুই জানানো হয়নি। ঘটনা জানার পর রিয়াদের কাছে ব্যাখ্যা চেয়েছে ঢাকা।
ইশরাকের ঘটনা বিএনপির সামনে দুটি আলাদা চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে। একদিকে, দলের একজন প্রতিমন্ত্রীর প্রকাশ্য কর্মকাণ্ড নিয়ে ওঠা প্রশ্নের জবাব দিতে হবে। অন্যদিকে, ইশরাকের মতো একজন নেতার রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ ও তার সমর্থকদের প্রত্যাশার বিষয়টিও সামাল দিতে হবে।
ইশরাকের পদত্যাগের ঘোষণা একটি তাৎক্ষণিক রাজনৈতিক পরিণতি। কিন্তু এর তাৎপর্য নির্ভর করবে এরপর কী ঘটে তার ওপর। তিনি কি শুধু প্রতিমন্ত্রীর পদ ছাড়বেন, নাকি দলীয় রাজনীতিতে নিজের ভূমিকা আরও জোরালো করবেন?
ছয় মাসের হিসাব শেষ হয়েছে গত আগস্টেই। এখন অক্টোবর। বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার প্রায় আট মাসের মাথায় এসে অনেকেই প্রথম ১৮০ দিনের উদ্যোগগুলোর দিকে নতুন করে দেখছেন। কোন উদ্যোগ বাস্তবে কতটা এগিয়েছে, কোনটির সুফল মিলছে এবং কোন প্রতিশ্রুতি এখনো রয়ে গেছে ঘোষণার পর্যায়ে।
ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির নতুন কমিটি ঘিরে দলের ভেতরে আলোচনা এখন তুঙ্গে। আহ্বায়ক বা সভাপতি পদে সাবেক ও বর্তমান নেতৃত্বের একাধিক নেতার নাম যেমন আলোচনায় আছে, তেমনি সদস্য সচিব বা সাধারণ সম্পাদক পদেও তৈরি হয়েছে প্রতিদ্বন্দ্বিতার সমীকরণ। সদ্য বিলুপ্ত কমিটির আহ্বায়ক আমিনুল হককে আবার নেতৃত্বে ফিরিয়ে আনার
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্কে গিয়ে শুধু সাধারণ বিতর্কেই ভাষণ দেননি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, পাঁচ দিনের সফরে তার ছিল ৩০টি আনুষ্ঠানিক কর্মসূচি। এর মধ্যে ১১টি ছিল বিভিন্ন দেশের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক। জাতিসংঘ-সংশ্লিষ্ট কর্মসূচি, উচ্চপর্যায়ের সাইড ইভেন্ট এবং বিভিন্ন আন্তর্জ
রাজধানীর মিরপুরে রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টার ভাঙচুর ও দখল, ইসিবি চত্বরে কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলা-ভাঙচুর ও লুটপাট- পরপর দুটি আলোচিত ঘটনায় বিএনপির নেতা-কর্মীদের নাম আসায় নতুন করে আলোচনায় এসেছে ক্ষমতাসীন দলের ভাবমূর্তি ও মাঠপর্যায়ে দলীয় নিয়ন্ত্রণের প্রশ্ন। এর সঙ্গে দেশের
ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র পদে কাকে প্রার্থী করা হবে, তা নিয়ে ক্ষমতাসীন বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ে আলোচনা চলছে। সম্ভাব্য প্রার্থীদের কেউ আগের নির্বাচনের অভিজ্ঞতা সামনে আনছেন, কেউ দীর্ঘদিনের সাংগঠনিক ভূমিকা, আবার কেউ নগর প্রশাসনের সাম্প্রতিক অভিজ্ঞতাকে নিজের যোগ্যতা হিসেবে তুলে ধরছেন।
একদিকে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) নভেম্বর থেকে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচন শুরুর পরিকল্পনা; অন্যদিকে সরকার বলছে, ভোটের সময়সূচি নিয়ে ‘আলোচনা হয়নি’-স্থানীয় সরকার নির্বাচন ঘিরে এই দুই অবস্থান এখন প্রকাশ্য। তবে শুধু ইসি ও সরকারের বক্তব্যের অমিলই নয়, নির্বাচন কবে হবে-সেই সিদ্ধান্তের পেছনে একাধিক সমীকরণও সাম
গুলশানের মিছিলের পর বিএনপির স্থায়ী কমিটির বৈঠকে যে বার্তা এসেছে, তাতে বোঝা যায়, ক্ষমতাসীন দলটি আওয়ামী লীগের তৎপরতাকে সাময়িক বিচ্ছিন্ন ঘটনা হিসেবে দেখছে না।
নতুন প্রজন্মের শিক্ষার্থীদের কাছে সংগঠনের গ্রহণযোগ্যতা বাড়াতে অপেক্ষাকৃত তরুণ নেতৃত্বকে সামনে আনা হবে, নাকি দীর্ঘদিনের আন্দোলন-সংগ্রামে পরীক্ষিত নেতাদেরই অগ্রাধিকার দেওয়া হবে- এই প্রশ্নেই মূলত শেষ মুহূর্তে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে বলে বিএনপি ও ছাত্রদলের একাধিক সূত্র জানিয়েছে।
দীর্ঘদিন পর ক্ষমতায় ফিরে সরকার গঠনের সময় বিএনপি আকারে ছোট, দক্ষ ও গতিশীল প্রশাসনের কথা বলেছিল। কিন্তু সরকার গঠনের ছয় মাসের মাথায় মন্ত্রিসভা আরও বড় হয়েছে। শুধু মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী নন, বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে রয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টারাও। কোথাও একজন মন্ত্রীর সঙ্গে একাধিক প্রতিমন্ত্রী
১৭ বছরের বেশি সময় ক্ষমতার বাইরে থেকে আন্দোলন-সংগ্রাম, মামলা-গ্রেপ্তার আর রাজনৈতিক চাপ সামলে এখন সরকারে বিএনপি। গত ফেব্রুয়ারির সংসদ নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠনের পর দলের শীর্ষ নেতাদের বড় একটি অংশ এখন সরকারের দায়িত্বে ব্যস্ত। মন্ত্রিসভা, সংসদ, প্রশাসন, অর্থনীতি ও আইনশৃঙ্
বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যের ঢাকা-চট্টগ্রাম লংমার্চকে তাৎক্ষণিক সরকার পতনের আন্দোলন হিসেবে দেখছে না বিএনপি সরকার। তবে কর্মসূচিটিকে গুরুত্বহীনও মনে করছে না তারা। সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ের বক্তব্যে বরং লংমার্চকে রাজনৈতিক চাপ তৈরির একটি প্রচেষ্টা হিসেবে দেখার প্রবণতা স্পষ্ট। ল
দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলার ৪৮ বছর পূর্ণ করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল, বিএনপি। দলটি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য থেকে বিএনপি বিচ্যুত হয়নি বলে মনে করেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের উপদেষ্টা সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল।
ছয় মাস পূর্ণ হলো। এই ছয় মাসে এই কাজগুলোর কী অগ্রগতি, সেটা নিয়ে আমরা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে একটা ব্রিফিং করেছি। সেখানে কতটুকু অগ্রগতি হয়েছে, তার কথা বলা হয়েছে। কিছু কিছু (ক্ষেত্রে) লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও বেশি কাজ হয়েছে।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল, বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ ১ সেপ্টেম্বর। দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের পর জনগণের ভোটে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পেয়েছে দলটি। ক্ষমতায় আসার পর সরকারের প্রথম ছয় মাসের অভিজ্ঞতা, গণতন্ত্র ও জবাবদিহি, প্রশাসনে দলীয় প্রভাবের অভিযোগ, স্থানীয় সরকার এবং ক্ষমতায় থেকে জনগণের আস
১ সেপ্টেম্বর ১৯৭৮। ঢাকার রমনা রেস্তোরাঁয় সংবাদ সম্মেলনে নতুন একটি রাজনৈতিক দলের ঘোষণা দিয়েছিলেন তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। নাম–বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল, বিএনপি। এরপর কেটে গেছে ৪৮ বছর।
নোয়াখালীর সদর উপজেলার অশ্বদিয়া ইউনিয়নে ছাত্রদলের নতুন কমিটি ঘোষণার পর দুপক্ষের সংঘর্ষ হয়েছে। এতে অন্তত ১০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। এ ঘটনা আবারও সামনে এনেছে কমিটি গঠন নিয়ে সংগঠনটির পুরনো সংকট। সেই সংকট হলো পদ পাওয়া ও পদবঞ্চিতদের বিরোধ সংক্রান্ত। গত শনিবার বিকেল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত অশ্বদিয়া
সরকারের বয়স ছয় মাস। অথচ মন্ত্রিসভার সদস্যদের জন্য যেন সময়টা আরও কম। দায়িত্ব নেওয়ার প্রথম দিন থেকেই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যে বার্তা দিয়েছিলেন, তার সারকথা ছিল, সরকারকে দ্রুত কাজ করতে হবে; প্রতিটি মন্ত্রণালয়ের জন্য নির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা থাকতে হবে এবং নির্ধারিত সময় শেষে সেই কাজের হিসাবও দি
বাংলাদেশের নতুন সরকারের ছয় মাস পূর্ণ হয়েছে। সরকার গঠনের পর থেকেই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সরকারের ছয় মাসের কাজের মূল্যায়নের কথা বলে আসছেন। এই ছয় মাস পূর্তিকে কেন্দ্র করে মন্ত্রিসভায় রদবদল ও দায়িত্ব পুনর্বিন্যাসের আলোচনার মধ্যেই সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থ
গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর রাষ্ট্রক্ষমতায় বসে মুহাম্মদ ইউনূস নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার। সামনে আসে রাষ্ট্র সংস্কার, বিচার, নির্বাচন ও নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্তের নানা প্রতিশ্রুতি। ওই সময়ে মব সহিংসতা, মাজারে হামলা-ভাঙচুর এবং ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বাড়ি