Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০১ নভেম্বর, ২০২৬
০১ নভেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০১ নভেম্বর, ২০২৬
০১ নভেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
> বিশ্লেষণ

জিও ব্যাগেও থামছে না তিস্তার ভাঙন, বরাদ্দ সংকট না পরিকল্পনার অভাব?

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯: ০৯
জিও ব্যাগেও থামছে না তিস্তার ভাঙন, বরাদ্দ সংকট না পরিকল্পনার অভাব?
তিস্তার ভাঙনে শত শত পরিবার গৃহহীন হয়ে পড়েছে। ছবি: ইউএনবি

তিস্তা নদীর তীব্র ভাঙনে উত্তরাঞ্চলের পাঁচ জেলায় গত সাত দিনে অন্তত ৩৮৬টি ঘরবাড়ি বিলীন হয়েছে। এতে শত শত পরিবার গৃহহীন হয়ে পড়েছে।

Advertisement

বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের (বিডব্লিউডিবি) বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা ইউএনবি জানায়, রংপুর, গাইবান্ধা, লালমনিরহাট, নীলফামারী ও কুড়িগ্রামে ১১৩টি পয়েন্টে ভাঙন তীব্র হয়েছে। বিডব্লিউডিবির রংপুর আঞ্চলিক কার্যালয়ের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আহসান হাবিব বলেন, “সাম্প্রতিক দিনগুলোতে পরিস্থিতির দ্রুত অবনতি হয়েছে।

পাঁচ জেলার ১১৩টি পয়েন্টে ভাঙন তীব্র হয়েছে। গত সাত দিনে ৩৮৬টি ঘরবাড়ি বিলীন হয়েছে।”

এই প্রকৌশলী বলেন, “ভাঙনরোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বরাদ্দ কম রয়েছে। বিষয়টি মন্ত্রণালয়ের নজরে আনা হয়েছে।”

Advertisement
Advertisement
Advertisement

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় কাপাসিয়া ইউনিয়নের নদীতীরবর্তী এলাকায় ভাঙনে মানুষের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। সিঙ্গিজানি ও ভোরের পাখি এলাকায় বাসিন্দারা জানান, হঠাৎ নদীর স্রোত বেড়ে যাওয়ায় নদীতীরের বিভিন্ন অংশ একের পর এক ভেঙে পড়েছে।

নদী ভাঙনে অনেক পরিবার তাদের ঘরবাড়ি ধসে পড়ার সময় আসবাবপত্র, চাল, কাপড় ও অন্যান্য জিনিসপত্র রক্ষা করতে পারেনি। ছবি: ইউএনবি
নদী ভাঙনে অনেক পরিবার তাদের ঘরবাড়ি ধসে পড়ার সময় আসবাবপত্র, চাল, কাপড় ও অন্যান্য জিনিসপত্র রক্ষা করতে পারেনি। ছবি: ইউএনবি

অনেক পরিবার তাদের ঘরবাড়ি ধসে পড়ার সময় আসবাবপত্র, চাল, কাপড় ও অন্যান্য জিনিসপত্র রক্ষা করতে পারেনি। এলাকার বাসিন্দা শহিদুল ইসলাম বলেন, ‘‘ভাঙন এত দ্রুত হয়েছে যে মানুষ তাদের জিনিসপত্র নিরাপদে সরিয়ে নেওয়ার সময়ও খুব কম পেয়েছে।’’

আহাদ মিয়া বলেন, ‘‘ঘরবাড়ি ও জমি হারিয়ে পরিবারগুলো এখন অনিশ্চিত ভবিষ্যতের মুখে পড়েছে।’’

সুন্দরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ইফফাত জাহান তুলি ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় সহায়তার আশ্বাস দিয়েছেন।

গাইবান্ধা পানি উন্নয়ন বোর্ডের (বিডব্লিউডিবি) নির্বাহী প্রকৌশলী শরিফুল ইসলাম জানান, তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা হিসেবে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে জিও ব্যাগ ফেলা হচ্ছে।

শরিফুল ইসলাম বলেন, “আমরা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছি এবং তাৎক্ষণিক প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নিচ্ছি। পরিস্থিতি অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।”

কুড়িগ্রামের উলিপুর ও রাজারহাট উপজেলায়ও ভাঙন তীব্র হয়েছে। গত এক সপ্তাহে সেখানে প্রায় ৮০টি ঘরবাড়ি বিলীন হয়েছে। ঘরবাড়ি হারানো পরিবারগুলো নিজেদের, সন্তান ও গবাদিপশুর জন্য নিরাপদ জায়গা খুঁজে পেতে সমস্যায় পড়েছে। লালমনিরহাটে পাঁচটি উপজেলাতেই ভাঙন দেখা দিয়েছে।

বিডব্লিউডিবির নির্বাহী প্রকৌশলী সুনীল রায় বলেন, ‘‘নদীর পানির উচ্চতা ওঠানামার সঙ্গে ভাঙনের তীব্রতা বাড়ছে। কিছু ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় জিও-টেক্সটাইল উপকরণ স্থাপন করা হয়েছে। তবে স্থায়ী ভাঙনরোধের কাজের জন্য কোনো বরাদ্দ নেই।’’

নির্বাহী প্রকৌশলী বলেন, “স্থায়ী ভাঙনরোধের কাজের জন্য কোনো বরাদ্দ না থাকায় তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া ছাড়া আমাদের তেমন কিছু করার নেই।”

খুলিয়াগাছ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান খায়রুজ্জামান বাদল বলেন,‘‘ প্রায় প্রতিদিনই ভাঙন অব্যাহত রয়েছে।’’

নদী দূষণ রোধে সমন্বিত পদক্ষেপ চান প্রধানমন্ত্রীpm-river

নীলফামারীতে ভাঙনকবলিত শত শত পরিবার খোলা জায়গা, বাঁধের ওপর বা স্বজনদের বাড়ির উঠানে দিন কাটাচ্ছে। অনেক পরিবারের রান্না ও খাবারের কোনো ব্যবস্থা নেই। স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, তাঁবু ও শুকনো খাবার জরুরি প্রয়োজন।

চর খড়িবাড়ির আবদুল করিম বলেন, ‘‘দুই বছরে নদীটি ওই এলাকায় ছয়বার ভাঙন সৃষ্টি করেছে। নদীতে আমার দুটি ঘর বিলীন হয়েছে। এখন আমি জানি না কোথায় যাব।”

আতওয়ার রহমান বলেন, নদীতীরের মানুষকে সুরক্ষায় স্থায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার পরিবর্তে প্রায়ই ঘরবাড়ি ভাঙতে শুরু করার পর কর্তৃপক্ষ ব্যবস্থা নেয়।

বিডব্লিউডিবির নির্বাহী প্রকৌশলী হাফিজ উদ্দিন বলেন, রংপুরের পীরগাছা, কাউনিয়া ও গঙ্গাচড়া উপজেলায় গত সাত দিনে ৫৩টি ঘরবাড়ি বিলীন হয়েছে।

ভাঙনকবলিত মানুষজন জানান, তারা সাময়িক ত্রাণের পরিবর্তে স্থায়ী সুরক্ষা চান।

বিষয়: নদীরংপুরতিস্তা নদীপ্রকৌশলীজেলার খবরনীলফামারীগাইবান্ধাকুড়িগ্রাম
Advertisement
সর্বশেষ
  • ১

    তাহসিফ ও দীপকে ‘ধাওয়া’ দিয়েছিল কারা?

  • ২

    সাংবাদিক নিধি রাজদানের সঙ্গে বিয়ে সারলেন কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর

  • ৩

    মিরপুরে ৩ মেট্রোস্টেশন বন্ধ, পুলিশের গাড়িতে আগুন

  • ৪

    ‘মাদরাসার সভাপতি-সেক্রেটারিও জানে না সেখানে কী পড়ানো হয়’

  • ৫

    ‘শিক্ষার্থীদের শিখন ঘাটতি পূরণে কোনো সরকারই দায়িত্ব পালন করেনি’

সম্পর্কিত
  • ইরান যুদ্ধ: বেরিয়ে আসার পথ খুঁজছে উপসাগরীয় দেশগুলো

    ইরান যুদ্ধ: বেরিয়ে আসার পথ খুঁজছে উপসাগরীয় দেশগুলো

    ইরানকে ঘিরে চলমান সংঘাত উপসাগরীয় দেশগুলোর জন্য এক কঠিন বাস্তবতা তৈরি করেছে। সামরিক শক্তি বৃদ্ধি, কূটনৈতিক তৎপরতা কিংবা হরমুজ প্রণালির বিকল্প জ্বালানি পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তোলা—কোনো উদ্যোগই এখন পর্যন্ত তাদের দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারেনি

  • এইচএসসির ফলাফলে বিপর্যয়, দায় কি শুধু শিক্ষার্থীর, নাকি রাষ্ট্রেরও?

    এইচএসসির ফলাফলে বিপর্যয়, দায় কি শুধু শিক্ষার্থীর, নাকি রাষ্ট্রেরও?

    গত ২২ বছরের মধ্যে চলতি বছর এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলে সবচেয়ে বড় বিপর্যয়ের জন্য প্রচলিত মূল্যায়ন ব্যবস্থা, রাজনৈতিক অস্থিরতা ও শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের অভাবকে দায়ী করছেন শিক্ষাবিদরা। তারা বলছেন, শিক্ষাদানের দুর্বলতার পাশাপাশি উত্তরপত্র মূল্যায়নের প্রথাগত পদ্ধতিও এই ফলাফলের জন্য দায়ী।

  • রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংকটে পশ্চিম ইউরোপ

    রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংকটে পশ্চিম ইউরোপ

    পশ্চিম ইউরোপের দেশগুলো দীর্ঘস্থায়ী রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। ফ্রান্স, স্পেন ও পর্তুগালের মতো দেশে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ, তরুণ প্রজন্মের অসন্তোষ, জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি এবং প্রচলিত রাজনৈতিক নেতৃত্বের প্রতি আস্থাহীনতা ইউরোপের বিদ্যমান রাজনৈতিক ব্যবস্থার দুর্বলতা প্রকাশ

  • ইরান ও ইউক্রেন: যুদ্ধই গিলে খাবে ট্রাম্পকে!

    ইরান ও ইউক্রেন: যুদ্ধই গিলে খাবে ট্রাম্পকে!

    ৩ নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচন ট্রাম্পের জন্য শুধু কংগ্রেসের আসনসংখ্যা নির্ধারণের লড়াই নয়; এটি তার পররাষ্ট্রনীতি ও অর্থনৈতিক সিদ্ধান্তের ওপর মার্কিন জনগণের মূল্যায়নেরও পরীক্ষা। ইউক্রেনের প্রতি অবস্থান পরিবর্তন, ইরান যুদ্ধের অর্থনৈতিক চাপ এবং শুল্কনীতির কারণে সৃষ্ট অসন্তোষ রিপাবলিকান ভোটব্যাংকেও প্রভ