Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০১ নভেম্বর, ২০২৬
০১ নভেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০১ নভেম্বর, ২০২৬
০১ নভেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
> বিশ্লেষণ

আমেরিকা ইরান আক্রমণ করলে কী হবে?

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ৩০ জানুয়ারি ২০২৬, ০৯: ১৫
আমেরিকা ইরান আক্রমণ করলে কী হবে?

ইরানের বর্তমান উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে একটি প্রশ্ন বারবার সামনে আসছে: আমেরিকা কি ইরানে সামরিক অভিযান চালাবে? তবে আক্রমণ করলেই যে সব সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে, বিষয়টি মোটেও তেমন নয়। বিবিসির সিনিয়র করেসপনডেন্ট ফ্রাঙ্ক গার্ডনার ইরানের ওপর মার্কিন হামলার প্রতিক্রিয়ায় সম্ভাব্য সাতটি দৃশ্যপট বিশ্লেষণ করেছেন।

Advertisement

১. নির্দিষ্ট লক্ষ্যে হামলা ও গণতন্ত্রে উত্তরণ (আশাবাদী দৃষ্টিভঙ্গি)

একটি দৃশ্যপট হতে পারে এমন—যুক্তরাষ্ট্রের বিমান ও নৌবাহিনী ইরানের পারমাণবিক স্থাপনা, ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) এবং আধাসামরিক বাহিনী ‘বাসিজ’-এর ঘাঁটিগুলোকে লক্ষ্য করে নিখুঁত হামলা চালাবে। এতে বেসামরিক হতাহতের সংখ্যা সীমিত থাকবে। এই চাপের মুখে বর্তমান শাসনব্যবস্থার পতন ঘটবে এবং ইরান বৈশ্বিক ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত হয়ে প্রকৃত গণতন্ত্রের পথে হাঁটবে।

বাস্তবতা হলো এটি অত্যন্ত আশাবাদী চিন্তা। ইতিহাস বলে, ইরাক ও লিবিয়ায় সরকার পতন হলেও গণতন্ত্র নিশ্চিত করা যায়নি। তবে ২০২৪ সালে সিরিয়ার বিপ্লব (পশ্চিমা সহায়তা ছাড়াই) একটি ভিন্ন উদাহরণ তৈরি করেছে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

২. নীতি পরিবর্তন কিন্তু শাসনব্যবস্থা বজায় (ভেনেজুয়েলা মডেল)

এক্ষেত্রে শাসনব্যবস্থা অক্ষুণ্ন থাকবে, কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের প্রবল চাপে ইরান তাদের নীতি পরিবর্তনে বাধ্য হবে। ইরানকে তাদের পারমাণবিক ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি সীমিত করতে হবে এবং অভ্যন্তরীণ বিক্ষোভ দমনে নমনীয় হতে হবে।

মার্কিন যুদ্ধজাহাজ। ছবি: সংগৃহীত
মার্কিন যুদ্ধজাহাজ। ছবি: সংগৃহীত

তবে বাস্তবে এর সম্ভাবনা কম। কারণ দীর্ঘ ৪৭ বছরের কট্টরপন্থী নীতি থেকে ইরান সহজে সরে আসবে এমন ইঙ্গিত নেই। আর এটি সাধারণ ইরানিদের প্রত্যাশা পূরণ করবে না।

৩. সেনাবাহিনীর ক্ষমতা দখল

ফ্রাঙ্ক গার্ডনারের মতে, এটি অন্যতম শক্তিশালী সম্ভাবনা। ইরানে বছরের পর বছর জনবিক্ষোভ চললেও শাসনব্যবস্থা টিকে আছে মূলত সেনাবাহিনীর সমর্থনে। মার্কিন হামলার ফলে সৃষ্ট বিশৃঙ্খলায় সেনাবাহিনী দেশের স্থিতিশীলতা বজায় রাখার অজুহাতে সরাসরি ক্ষমতা দখল করতে পারে। সেক্ষেত্রে ইরান আইআরজিসি-র নেতৃত্বে একটি শক্তিশালী সামরিক সরকারের অধীনে চলে যাবে।

৪. মার্কিন মিত্রদের ওপর পাল্টা আঘাত

আমেরিকা হামলা চালালে ইরানও হাত গুটিয়ে বসে থাকবে না। যদিও তারা সরাসরি মার্কিন নৌ বা বিমানবাহিনীর সমকক্ষ নয়, তবে তাদের বিশাল ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ভাণ্ডার অত্যন্ত শক্তিশালী। কাতার বা বাহরাইনের মতো দেশগুলোতে থাকা মার্কিন ঘাঁটিগুলো ইরানের সহজ লক্ষ্যবস্তু হতে পারে। ২০১৯ সালে সৌদি আরামকোতে হওয়া হামলা প্রমাণ করেছে যে, ইরানি প্রযুক্তির ড্রোন ও মিসাইল কতটা বিধ্বংসী হতে পারে।

৫. হরমুজ প্রণালী অবরোধ ও বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট

বিশ্বের প্রায় ২০-২৫ শতাংশ তেল এবং ২০ শতাংশ এলএনজি পরিবাহিত হয় সংকীর্ণ হরমুজ প্রণালী দিয়ে। ইরান ইতিমধ্যে সেখানে নৌ-মাইন স্থাপনের মহড়া দিয়েছে। যুদ্ধের প্রতিক্রিয়া হিসেবে ইরান যদি এই পথ বন্ধ করে দেয়, তবে বিশ্বজুড়ে তেলের দাম আকাশচুম্বী হবে এবং বৈশ্বিক বাণিজ্যে ধস নামবে।

৬. সোয়ার্ম অ্যাটাক

ইরানি নৌবাহিনী একসাথে শত শত বিস্ফোরক ড্রোন ও দ্রুতগতির টর্পেডো দিয়ে সোয়ার্ম অ্যাটাক চালাতে পারে। এর ফলে অত্যাধুনিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাও পরাস্ত হতে পারে। যদি কোনোভাবে একটি মার্কিন যুদ্ধজাহাজ ডুবিয়ে দেওয়া যায় বা নাবিকদের বন্দি করা হয়, তবে তা আমেরিকার জন্য হবে চরম অপমানজনক। ২০০০ সালে ইউএসএস কোল-এর ওপর হামলার ঘটনা এর একটি বড় উদাহরণ।

৭. শাসনব্যবস্থার পতন ও চরম গৃহযুদ্ধ

ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ খামেনি। ছবি: রয়টার্স
ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ খামেনি। ছবি: রয়টার্স

সবচেয়ে বড় আশঙ্কার বিষয় হলো ইরানের শাসনব্যবস্থা ভেঙে পড়া। ক্ষমতার শূন্যতায় সিরিয়া, ইয়েমেন বা লিবিয়ার মতো দীর্ঘস্থায়ী গৃহযুদ্ধ শুরু হতে পারে। কুর্দি বা বালুচদের মতো সংখ্যালঘু গোষ্ঠীগুলো নিজেদের রক্ষায় অস্ত্র তুলে নিতে পারে। প্রতিবেশী দেশগুলো ইরানের বর্তমান শাসনের বিদায় চাইলেও, এই অস্থিতিশীলতার আঁচ সরাসরি তাদের ওপরও পড়বে।

সবচেয়ে বড় উদ্বেগ হলো ট্রাম্পের রাজনৈতিক ভাবমূর্তি নিয়ে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প যদি ইরানের সীমান্তে সৈন্য সমাবেশ করার পর আক্রমণ না করে ফিরে আসেন, তবে তাকে ‘দুর্বল’ ভাবা হতে পারে। আবার যুদ্ধ শুরু হলে এর পরিণতি কী হবে এবং তা কতদূর গড়াবে, তার কোনো সুনির্দিষ্ট নিশ্চয়তা নেই।

বিষয়: আমেরিকাইরানলিবিয়াইরাকঅভিযান
Advertisement
সর্বশেষ
  • ১

    তাহসিফ ও দীপকে ‘ধাওয়া’ দিয়েছিল কারা?

  • ২

    সাংবাদিক নিধি রাজদানের সঙ্গে বিয়ে সারলেন কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর

  • ৩

    মিরপুরে ৩ মেট্রোস্টেশন বন্ধ, পুলিশের গাড়িতে আগুন

  • ৪

    ‘মাদরাসার সভাপতি-সেক্রেটারিও জানে না সেখানে কী পড়ানো হয়’

  • ৫

    ‘শিক্ষার্থীদের শিখন ঘাটতি পূরণে কোনো সরকারই দায়িত্ব পালন করেনি’

সম্পর্কিত
  • ইরান যুদ্ধ: বেরিয়ে আসার পথ খুঁজছে উপসাগরীয় দেশগুলো

    ইরান যুদ্ধ: বেরিয়ে আসার পথ খুঁজছে উপসাগরীয় দেশগুলো

    ইরানকে ঘিরে চলমান সংঘাত উপসাগরীয় দেশগুলোর জন্য এক কঠিন বাস্তবতা তৈরি করেছে। সামরিক শক্তি বৃদ্ধি, কূটনৈতিক তৎপরতা কিংবা হরমুজ প্রণালির বিকল্প জ্বালানি পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তোলা—কোনো উদ্যোগই এখন পর্যন্ত তাদের দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারেনি

  • এইচএসসির ফলাফলে বিপর্যয়, দায় কি শুধু শিক্ষার্থীর, নাকি রাষ্ট্রেরও?

    এইচএসসির ফলাফলে বিপর্যয়, দায় কি শুধু শিক্ষার্থীর, নাকি রাষ্ট্রেরও?

    গত ২২ বছরের মধ্যে চলতি বছর এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলে সবচেয়ে বড় বিপর্যয়ের জন্য প্রচলিত মূল্যায়ন ব্যবস্থা, রাজনৈতিক অস্থিরতা ও শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের অভাবকে দায়ী করছেন শিক্ষাবিদরা। তারা বলছেন, শিক্ষাদানের দুর্বলতার পাশাপাশি উত্তরপত্র মূল্যায়নের প্রথাগত পদ্ধতিও এই ফলাফলের জন্য দায়ী।

  • রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংকটে পশ্চিম ইউরোপ

    রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংকটে পশ্চিম ইউরোপ

    পশ্চিম ইউরোপের দেশগুলো দীর্ঘস্থায়ী রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। ফ্রান্স, স্পেন ও পর্তুগালের মতো দেশে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ, তরুণ প্রজন্মের অসন্তোষ, জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি এবং প্রচলিত রাজনৈতিক নেতৃত্বের প্রতি আস্থাহীনতা ইউরোপের বিদ্যমান রাজনৈতিক ব্যবস্থার দুর্বলতা প্রকাশ

  • ইরান ও ইউক্রেন: যুদ্ধই গিলে খাবে ট্রাম্পকে!

    ইরান ও ইউক্রেন: যুদ্ধই গিলে খাবে ট্রাম্পকে!

    ৩ নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচন ট্রাম্পের জন্য শুধু কংগ্রেসের আসনসংখ্যা নির্ধারণের লড়াই নয়; এটি তার পররাষ্ট্রনীতি ও অর্থনৈতিক সিদ্ধান্তের ওপর মার্কিন জনগণের মূল্যায়নেরও পরীক্ষা। ইউক্রেনের প্রতি অবস্থান পরিবর্তন, ইরান যুদ্ধের অর্থনৈতিক চাপ এবং শুল্কনীতির কারণে সৃষ্ট অসন্তোষ রিপাবলিকান ভোটব্যাংকেও প্রভ