Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০১ নভেম্বর, ২০২৬
০১ নভেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০১ নভেম্বর, ২০২৬
০১ নভেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
> বিশ্লেষণ

ভারত–তালেবান ঘনিষ্ঠতায় অস্বস্তিতে পাকিস্তান

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ০৮ নভেম্বর ২০২৫, ১০: ৫৮
ভারত–তালেবান ঘনিষ্ঠতায় অস্বস্তিতে পাকিস্তান

পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যে সীমান্তে উত্তেজনা আবারও বাড়ছে। অক্টোবরের শেষ সপ্তাহে সীমান্তে সংঘর্ষের পর পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী খাজা মুহাম্মদ আসিফ ভারতের ভূমিকা নিয়ে সরাসরি অভিযোগ এনেছেন।

Advertisement

তিনি দাবি করেছেন, ”ভারত আফগান তালেবান নেতৃত্বকে প্রভাবিত করছে এবং পাকিস্তানের সঙ্গে সীমান্ত সংঘর্ষের পেছনে ভারতীয় কৌশল কাজ করছে।”

যদিও এই অভিযোগের কোনো প্রমাণ প্রকাশ করা হয়নি, এটি পাকিস্তানের কূটনৈতিক আস্থা ও নিরাপত্তা চিন্তার প্রতিফলন হিসেবে দেখা হচ্ছে। সম্প্রতি আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে।

আসিফ বলেন, “তালেবান নেতৃত্বকে আমি সম্মান করি, কিন্তু কাবুলে যারা নকশা করছে, তারা দিল্লির নিয়ন্ত্রণে।”

Advertisement
Advertisement
Advertisement

তিনি দাবি করেন, ভারত পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ছায়া যুদ্ধ করতে চাইছে এবং কাবুলকে ব্যবহার করছে। পাকিস্তান সীমান্তে আগের সংঘর্ষের সময়ও আসিফ তালেবানকে ‘ভারতের গর্ভে বসা’ হিসেবে উল্লেখ করেছিলেন।

এই ঘোষণাগুলো এমন সময় এসেছে যখন আফগানিস্তানের সঙ্গে পাকিস্তানের সীমান্তে শান্তি আলোচনা ভঙ্গুর অবস্থায় রয়েছে। পাকিস্তান ও আফগানিস্তান ইসলামাবাদ–দোহা–ইস্তানবুলের মধ্যস্থতায় চুক্তি করতে চেষ্টা করলেও সীমান্তে সামরিক সংঘর্ষের ঘটনাগুলো ভয়ের ছাপ রেখেছে।

ভারত–আফগান সম্পর্কের উষ্ণতা

২০২১ সালে তালেবান পুনরায় ক্ষমতায় ফেরার পর ভারত ধীরে ধীরে কাবুলের সঙ্গে সম্পর্ক পুনর্গঠনের পথে হাঁটছে। সম্প্রতি ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস. জয়শঙ্কর আফগান পররাষ্ট্রমন্ত্রী আমির খান মুতাকির সঙ্গে বৈঠক করেছেন এবং ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত আফগান প্রদেশগুলোতে ত্রাণ পাঠিয়েছেন। আরও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো–নয়াদিল্লি দীর্ঘ চার বছর পর কাবুলে নিজস্ব দূতাবাস পুনরায় চালু করেছে। এসব পদক্ষেপ পাকিস্তানের জন্য গভীর উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

পাকিস্তানের নিরাপত্তা উদ্বেগ

ইসলামাবাদের অভিযোগ, তালেবান সরকার আফগান ভূখণ্ডে তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান (টিটিপি) নামের বিদ্রোহী গোষ্ঠীকে আশ্রয় দিচ্ছে এবং ভারতের গোয়েন্দা সংস্থার সহায়তায় এসব গোষ্ঠী পাকিস্তানে হামলা চালাচ্ছে। যদিও তালেবান সরকার এ অভিযোগ অস্বীকার করেছে, পাকিস্তান বিষয়টিকে ‘ভারতের ছায়া যুদ্ধ’ হিসেবে দেখছে। বিশ্লেষকদের মতে, পাকিস্তানের এই অবস্থান তার ঐতিহাসিক ‘স্ট্র্যাটেজিক ডেপথ’ নীতির ফল, যার লক্ষ্য আফগানিস্তানকে ভারতের প্রভাবমুক্ত রাখা।

আঞ্চলিক প্রতিযোগিতা ও কূটনীতি

দক্ষিণ এশিয়ার বর্তমান প্রেক্ষাপটে ভারত তার কূটনৈতিক অবস্থান শক্ত করতে চাইছে। আফগানিস্তানে মানবিক সাহায্য ও উন্নয়ন সহায়তার মাধ্যমে নয়াদিল্লি নতুন প্রভাব তৈরি করছে। অপরদিকে পাকিস্তান মনে করছে-ভারতের এই উদ্যোগ কেবল মানবিক নয়, বরং কৌশলগতভাবে ইসলামাবাদকে ঘিরে ধরার অংশ। ফলে পাকিস্তান এখন তার প্রতিটি সীমান্তে নিরাপত্তা উদ্বেগে ভুগছে।

বিশেষজ্ঞদের বিশ্লেষণ

ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইসিস গ্রুপের বিশ্লেষক ইব্রাহিম বাহিস বলেন, “পাকিস্তান আফগানিস্তানকে সরাসরি শত্রু হিসেবে নয়, বরং ভারতের সম্ভাব্য হুমকি হিসেবে দেখছে।”

তিনি আরও বলেন, “যখন পাকিস্তান বলে ভারত তালেবান ও বালোচ বিচ্ছিন্নতাবাদীদের একসঙ্গে পরিচালনা করছে, তখন তা বাস্তবতার তুলনায় বেশি রাজনৈতিক বয়ান হয়ে যায়।”

অন্যদিকে ইসলামাবাদ ইনস্টিটিউট অব স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজের আমিনা খান মনে করেন, “পাকিস্তান এখন বুঝতে পারছে যে আফগানিস্তান নিজস্ব সার্বভৌম সিদ্ধান্ত নিচ্ছে, এবং সেই সিদ্ধান্তে ভারতের ভূমিকা ক্রমেই বাড়ছে–যা ইসলামাবাদ মেনে নিতে পারছে না।”

সম্ভাব্য উত্তেজনার ঝুঁকি

দুই পারমাণবিক শক্তিধর প্রতিবেশীর মধ্যে উত্তেজনা নতুন নয়, কিন্তু এবার তা আফগান সংযোগে নতুন মাত্রা পেয়েছে। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে পাকিস্তান ও ভারত উভয়েই সীমান্তে সেনা মোতায়েন বাড়িয়েছে, এবং প্রতিরক্ষামন্ত্রীদের বক্তব্যেও যুদ্ধের আভাস মিলছে।

বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন–যদি এই কূটনৈতিক টানাপোড়েন সামরিক উত্তেজনায় রূপ নেয়, তবে তা সমগ্র অঞ্চলের স্থিতিশীলতার জন্য মারাত্মক হুমকি হয়ে উঠতে পারে।

বিষয়: পাকিস্তানআফগানিস্তাননিরাপত্তাতালেবানভারত
Advertisement
সর্বশেষ
  • ১

    তাহসিফ ও দীপকে ‘ধাওয়া’ দিয়েছিল কারা?

  • ২

    সাংবাদিক নিধি রাজদানের সঙ্গে বিয়ে সারলেন কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর

  • ৩

    মিরপুরে ৩ মেট্রোস্টেশন বন্ধ, পুলিশের গাড়িতে আগুন

  • ৪

    ‘মাদরাসার সভাপতি-সেক্রেটারিও জানে না সেখানে কী পড়ানো হয়’

  • ৫

    ‘শিক্ষার্থীদের শিখন ঘাটতি পূরণে কোনো সরকারই দায়িত্ব পালন করেনি’

সম্পর্কিত
  • ইরান যুদ্ধ: বেরিয়ে আসার পথ খুঁজছে উপসাগরীয় দেশগুলো

    ইরান যুদ্ধ: বেরিয়ে আসার পথ খুঁজছে উপসাগরীয় দেশগুলো

    ইরানকে ঘিরে চলমান সংঘাত উপসাগরীয় দেশগুলোর জন্য এক কঠিন বাস্তবতা তৈরি করেছে। সামরিক শক্তি বৃদ্ধি, কূটনৈতিক তৎপরতা কিংবা হরমুজ প্রণালির বিকল্প জ্বালানি পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তোলা—কোনো উদ্যোগই এখন পর্যন্ত তাদের দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারেনি

  • এইচএসসির ফলাফলে বিপর্যয়, দায় কি শুধু শিক্ষার্থীর, নাকি রাষ্ট্রেরও?

    এইচএসসির ফলাফলে বিপর্যয়, দায় কি শুধু শিক্ষার্থীর, নাকি রাষ্ট্রেরও?

    গত ২২ বছরের মধ্যে চলতি বছর এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলে সবচেয়ে বড় বিপর্যয়ের জন্য প্রচলিত মূল্যায়ন ব্যবস্থা, রাজনৈতিক অস্থিরতা ও শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের অভাবকে দায়ী করছেন শিক্ষাবিদরা। তারা বলছেন, শিক্ষাদানের দুর্বলতার পাশাপাশি উত্তরপত্র মূল্যায়নের প্রথাগত পদ্ধতিও এই ফলাফলের জন্য দায়ী।

  • রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংকটে পশ্চিম ইউরোপ

    রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংকটে পশ্চিম ইউরোপ

    পশ্চিম ইউরোপের দেশগুলো দীর্ঘস্থায়ী রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। ফ্রান্স, স্পেন ও পর্তুগালের মতো দেশে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ, তরুণ প্রজন্মের অসন্তোষ, জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি এবং প্রচলিত রাজনৈতিক নেতৃত্বের প্রতি আস্থাহীনতা ইউরোপের বিদ্যমান রাজনৈতিক ব্যবস্থার দুর্বলতা প্রকাশ

  • ইরান ও ইউক্রেন: যুদ্ধই গিলে খাবে ট্রাম্পকে!

    ইরান ও ইউক্রেন: যুদ্ধই গিলে খাবে ট্রাম্পকে!

    ৩ নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচন ট্রাম্পের জন্য শুধু কংগ্রেসের আসনসংখ্যা নির্ধারণের লড়াই নয়; এটি তার পররাষ্ট্রনীতি ও অর্থনৈতিক সিদ্ধান্তের ওপর মার্কিন জনগণের মূল্যায়নেরও পরীক্ষা। ইউক্রেনের প্রতি অবস্থান পরিবর্তন, ইরান যুদ্ধের অর্থনৈতিক চাপ এবং শুল্কনীতির কারণে সৃষ্ট অসন্তোষ রিপাবলিকান ভোটব্যাংকেও প্রভ