Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০১ নভেম্বর, ২০২৬
০১ নভেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০১ নভেম্বর, ২০২৬
০১ নভেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
> বিশ্লেষণ

ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে মার্কিন হস্তক্ষেপ ও সিআইএর ভূমিকা

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ২০: ৪৮
ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে মার্কিন হস্তক্ষেপ ও সিআইএর ভূমিকা
জাইর বলসোনারোর ছেলে সেনেটর ফ্ল্যাভিও বলসোনারো। ছবি: বাসস

ব্রাজিলের রাজনীতিতে যুক্তরাষ্ট্র ও দেশটির কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা বা সিআইএ বহু দশক ধরে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা চালিয়ে আসছে, যা বর্তমান প্রেসিডেন্ট নির্বাচনেও স্পষ্ট ভূমিকা রাখছে। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রথম ধাপের ভোটগ্রহণের পর বিশ্লেষণটি আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। ওই নির্বাচনে দেশটির সাবেক ডানপন্থি প্রেসিডেন্ট জাইর বলসোনারোর ছেলে সেনেটর ফ্ল্যাভিও বলসোনারো এবং বর্তমান বামপন্থি প্রেসিডেন্ট লুইজ ইনাসিও লুলা দ্য সিলভা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। প্রথম দফার ভোটে কোনো প্রার্থীই প্রয়োজনীয় ৫০ শতাংশ ভোট না পাওয়ায় বিষয়টি ২৫ অক্টোবরের রান-অফ বা চূড়ান্ত পর্বের ভোটে গড়ায়।

Advertisement

এই প্রেক্ষাপটে আরটিতে প্রকাশিত ভূ-রাজনৈতিক বিশ্লেষক পেপে এসকোবার সাম্প্রতিক এক লেখায় দাবি করেছেন যে, মার্কিন অর্থায়ন ও হস্তক্ষেপ ব্রাজিলের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে গভীর প্রভাব ফেলছে, যার পেছনে সিআইএর সুদূরপ্রসারী কৌশল সক্রিয় রয়েছে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

এসকোবারের মতে, আমেরিকান প্রশাসন এই নির্বাচনে বিপুল পরিমাণ অর্থ বিনিয়োগ করেছে এবং এর মাধ্যমে ব্রাজিলের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করা হয়েছে। তিনি বিশেষভাবে উল্লেখ করেন যে, সিআইএ কয়েক দশক ধরে ব্রাজিলের প্রভাবশালী ইভানজেলিকাল চার্চ বা খ্রিষ্টান ধর্মীয় গোষ্ঠীগুলোকে অর্থায়ন এবং লালন-পালন করে আসছে, যা বর্তমান নির্বাচনে সুফল দিতে শুরু করেছে।

২০০০ সালে ব্রাজিলের মোট জনসংখ্যার মাত্র ১৫ শতাংশ ইভানজেলিকাল খ্রিষ্টান হলেও বর্তমানে তা রেকর্ড ২৭ শতাংশে উন্নীত হয়েছে। বলসোনারোর এই শক্তিশালী রাজনৈতিক অবস্থানের পেছনে এই ধর্মান্তরিত ও সংগঠিত ইভানজেলিকাল ভোটারদের সমর্থন একটি বড় ভূমিকা পালন করেছে। এমনকি নির্বাচনের দুই দিন আগেই সিআইএ জানত যে ফলাফলে ফ্ল্যাভিও বলসোনারো এগিয়ে থাকবেন, যদিও স্থানীয় বিভিন্ন জনমত জরিপে লুলাকে এগিয়ে রাখা হয়েছিল। এই পরিস্থিতি তদন্তের জন্য ব্রাজিলের ফেডারেল তদন্তের দাবি জানান এসকোবার।

ব্রাজিলের রাজনীতিতে মার্কিন হস্তক্ষেপের অভিযোগ একেবারে নতুন নয়; দেশটির সরকার অতীতেও ওয়াশিংটনের বিরুদ্ধে অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপের অভিযোগ তুলেছিল। সম্প্রতি ব্রাজিলের অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়ের আবেদনের প্রেক্ষিতে দেশটির কেন্দ্রীয় পুলিশ মার্কিন হস্তক্ষেপের বিষয়ে একটি আনুষ্ঠানিক তদন্ত শুরু করেছে। অভিযোগ রয়েছে যে, ব্রাজিলের সুপ্রিম কোর্টকে দুর্বল করার উদ্দেশ্যে চালিত বিভিন্ন প্রকল্পে মার্কিন তহবিল ব্যবহার করা হয়েছে।

ব্রাজিলের নির্বাচনের প্রথম দফায় জয়ী ডানপন্থী ফ্লাভিও বলসোনারোBolsonaro

অপরদিকে, সাবেক প্রেসিডেন্ট জাইর বলসোনারোকে অভ্যুত্থানের চক্রান্তের অভিযোগে ২৭ বছরের কারাদণ্ডে দণ্ডিত করার ঘটনাকে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একটি রাজনৈতিক নিপীড়ন বলে অভিহিত করেছেন। এসকোবার তুলে ধরেন যে, ফ্ল্যাভিও বলসোনারো ২০২৬ সালের মে মাসে হোয়াইট হাউসে ট্রাম্পের সাথে সাক্ষাৎ করেন এবং তার ভাই এদুয়ার্দো বলসোনারো ২০২৫ সাল থেকে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করছেন। ব্রাজিলের সুপ্রিম কোর্ট এদুয়ার্দোকে চার বছর দুই মাসের কারাদণ্ড দিয়েছে, কারণ তিনি তার বাবার বিরুদ্ধে বিচারিক কার্যক্রম প্রভাবিত করতে মার্কিন প্রশাসনের রাজনৈতিক চাপ প্রয়োগের চেষ্টা করেছিলেন।

নির্বাচনের চূড়ান্ত পর্বের এই লড়াইকে ব্রাজিলের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক ও ভূ-রাজনৈতিক গতিপথ নির্ধারণের এক চরম মেরুকৃত যুদ্ধ হিসেবে দেখা হচ্ছে। বর্তমান প্রেসিডেন্ট লুলা দ্য সিলভা তার মেয়াদে ব্রিকসে ব্রাজিলের অবস্থান শক্তিশালী করা এবং চীনসহ গ্লোবাল সাউথের দেশগুলোর সাথে গভীর সম্পর্ক গড়ে তোলার নীতি অনুসরণ করেছেন। লুলা ২০০৩ থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত দুই মেয়াদে প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালনের পর ২০২৩ সালে পুনরায় ক্ষমতায় আসেন, যখন তার বিরুদ্ধে থাকা পূর্বের দুর্নীতির সাজা বাতিল করা হয়।

অন্যদিকে, ফ্ল্যাভিও বলসোনারো ব্রাসিলিয়াকে ওয়াশিংটনের সাথে সম্পূর্ণভাবে যুক্ত করার নীতিকে সমর্থন করছেন। এসকোবার সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, বলসোনারো জয়ী হলে ব্রাজিলের পররাষ্ট্রনীতিতে এক আমূল পরিবর্তন আসবে এবং দেশটি ট্রাম্প প্রশাসনের সাথে ঘনিষ্ঠভাবে সংযুক্ত হবে। এর ফলে আন্তর্জাতিক মঞ্চে এবং বিশেষ করে ব্রিকস জোটে ব্রাজিলের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হিসেবে যে শক্তিশালী ভূমিকা রয়েছে, তা মারাত্মকভাবে হ্রাস পাবে এবং ব্রাজিল ব্রিকসে কেবল একজন নিষ্ক্রিয় দর্শক বা সাধারণ নীতি-অনুসারীতে পরিণত হবে।

বিষয়: যুক্তরাষ্ট্রব্রাজিলমার্কিনপ্রেসিডেন্টনির্বাচনসিআইএ
Advertisement
সর্বশেষ
  • ১

    তাহসিফ ও দীপকে ‘ধাওয়া’ দিয়েছিল কারা?

  • ২

    সাংবাদিক নিধি রাজদানের সঙ্গে বিয়ে সারলেন কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর

  • ৩

    মিরপুরে ৩ মেট্রোস্টেশন বন্ধ, পুলিশের গাড়িতে আগুন

  • ৪

    ‘মাদরাসার সভাপতি-সেক্রেটারিও জানে না সেখানে কী পড়ানো হয়’

  • ৫

    ‘শিক্ষার্থীদের শিখন ঘাটতি পূরণে কোনো সরকারই দায়িত্ব পালন করেনি’

সম্পর্কিত
  • ইরান যুদ্ধ: বেরিয়ে আসার পথ খুঁজছে উপসাগরীয় দেশগুলো

    ইরান যুদ্ধ: বেরিয়ে আসার পথ খুঁজছে উপসাগরীয় দেশগুলো

    ইরানকে ঘিরে চলমান সংঘাত উপসাগরীয় দেশগুলোর জন্য এক কঠিন বাস্তবতা তৈরি করেছে। সামরিক শক্তি বৃদ্ধি, কূটনৈতিক তৎপরতা কিংবা হরমুজ প্রণালির বিকল্প জ্বালানি পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তোলা—কোনো উদ্যোগই এখন পর্যন্ত তাদের দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারেনি

  • এইচএসসির ফলাফলে বিপর্যয়, দায় কি শুধু শিক্ষার্থীর, নাকি রাষ্ট্রেরও?

    এইচএসসির ফলাফলে বিপর্যয়, দায় কি শুধু শিক্ষার্থীর, নাকি রাষ্ট্রেরও?

    গত ২২ বছরের মধ্যে চলতি বছর এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলে সবচেয়ে বড় বিপর্যয়ের জন্য প্রচলিত মূল্যায়ন ব্যবস্থা, রাজনৈতিক অস্থিরতা ও শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের অভাবকে দায়ী করছেন শিক্ষাবিদরা। তারা বলছেন, শিক্ষাদানের দুর্বলতার পাশাপাশি উত্তরপত্র মূল্যায়নের প্রথাগত পদ্ধতিও এই ফলাফলের জন্য দায়ী।

  • রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংকটে পশ্চিম ইউরোপ

    রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংকটে পশ্চিম ইউরোপ

    পশ্চিম ইউরোপের দেশগুলো দীর্ঘস্থায়ী রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। ফ্রান্স, স্পেন ও পর্তুগালের মতো দেশে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ, তরুণ প্রজন্মের অসন্তোষ, জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি এবং প্রচলিত রাজনৈতিক নেতৃত্বের প্রতি আস্থাহীনতা ইউরোপের বিদ্যমান রাজনৈতিক ব্যবস্থার দুর্বলতা প্রকাশ

  • ইরান ও ইউক্রেন: যুদ্ধই গিলে খাবে ট্রাম্পকে!

    ইরান ও ইউক্রেন: যুদ্ধই গিলে খাবে ট্রাম্পকে!

    ৩ নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচন ট্রাম্পের জন্য শুধু কংগ্রেসের আসনসংখ্যা নির্ধারণের লড়াই নয়; এটি তার পররাষ্ট্রনীতি ও অর্থনৈতিক সিদ্ধান্তের ওপর মার্কিন জনগণের মূল্যায়নেরও পরীক্ষা। ইউক্রেনের প্রতি অবস্থান পরিবর্তন, ইরান যুদ্ধের অর্থনৈতিক চাপ এবং শুল্কনীতির কারণে সৃষ্ট অসন্তোষ রিপাবলিকান ভোটব্যাংকেও প্রভ