Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০১ নভেম্বর, ২০২৬
০১ নভেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০১ নভেম্বর, ২০২৬
০১ নভেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
> বিশ্লেষণ

ভারতের সৌরশক্তির জোয়ার: সুবিধা নাকি বিপদ?

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ২৮ ডিসেম্বর ২০২৫, ১২: ৪৬
ভারতের সৌরশক্তির জোয়ার: সুবিধা নাকি বিপদ?

ভারতের সৌরশক্তির দ্রুত প্রসারকে সাধারণত একটি বড় সাফল্য হিসেবে দেখা হয়। তবে এই সাফল্যের সঙ্গে তৈরি হচ্ছে নতুন চ্যালেঞ্জ সৌর প্যানেল বর্জ্য এবং তার পরিবেশগত ঝুঁকি।

Advertisement

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, গত এক দশকে ভারত বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম সৌরশক্তি উৎপাদনকারী দেশে পরিণত হয়েছে। দেশটির জলবায়ু কৌশলের মূল কেন্দ্রে এখন নবায়নযোগ্য শক্তি। বিশাল সোলার পার্ক থেকে শুরু করে শহর ও গ্রামের ছাদে ছড়িয়ে পড়েছে সৌর প্যানেল। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ভরতুকি প্রকল্পের আওতায় প্রায় ২৪ লাখ পরিবার সৌর বিদ্যুৎ গ্রহণ করেছে।

সৌরশক্তির প্রবৃদ্ধি কয়লার ওপর ভারতের নির্ভরতা কমিয়েছে। মোট এনার্জির মধ্যে সৌরশক্তির অবদান বর্তমানে ২০ শতাংশের বেশি। যদিও তাপবিদ্যুৎ ও অন্যান্য উৎস এখনও মোট ক্ষমতার অর্ধেকের বেশি যোগান দেয়, সৌরশক্তি দেশের পরিচ্ছন্ন শক্তির রূপান্তরকে দৃঢ় করছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সৌর প্যানেলের বেশিরভাগ অংশই পুনর্ব্যবহারযোগ্য। তবে এতে সীসা, ক্যাডমিয়াম ও অন্যান্য বিষাক্ত ধাতু থাকে। এটি ভুলভাবে ফেললে বা অসুরক্ষিতভাবে ভাঙলে মাটি ও পানি দূষিত হতে পারে। সাধারণত একটি প্যানেল ২৫ বছর টিকে, এরপর তা অকেজো হয়ে যায়। কিন্তু ভারতের বর্তমান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও রিসাইক্লিং খাত এখনও প্রাথমিক পর্যায়ে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

ভারত সরকার ২০২২ সালে সৌর প্যানেলকে ‘ই-বর্জ্য’ নিয়মের আওতায় এনেছে। ছবি: রয়টার্স
ভারত সরকার ২০২২ সালে সৌর প্যানেলকে ‘ই-বর্জ্য’ নিয়মের আওতায় এনেছে। ছবি: রয়টার্স

সরকার ২০২২ সালে সৌর প্যানেলকে ‘ই-বর্জ্য’ নিয়মের আওতায় এনেছে। এর ফলে প্যানেলের আয়ু ফুরিয়ে গেলে সংরক্ষণ ও রিসাইক্লিং-এর দায়িত্ব উৎপাদনকারীর ওপর পড়ে। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, এই নিয়ম কার্যকর হওয়া এখনও অসম্পূর্ণ, বিশেষ করে ছোট আকারের বা ছাদে বসানো প্যানেলের ক্ষেত্রে।

একটি সমীক্ষা অনুযায়ী, ২০২৩ সালে ভারতের সৌর বর্জ্যের পরিমাণ ছিল প্রায় ১ লাখ টন। ২০৩০ সালের মধ্যে এটি ৬ লাখ টনে পৌঁছাতে পারে। নয়াদিল্লিভিত্তিক থিঙ্ক ট্যাঙ্ক কাউন্সিল অন এনার্জি, এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড ওয়াটার (সিইইডব্লিউ)-এর গবেষণা বলছে, ২০৪৭ সালের মধ্যে সৌর বর্জ্য ১ কোটি ১০ লাখ টনের বেশি হতে পারে। এর জন্য প্রায় ৩০০টি রিসাইক্লিং সেন্টার এবং ৪৭৮ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের প্রয়োজন।

সৌর প্যানেল সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান আন্তর্জাতিক কোম্পানি এনার্জি কোম্পানি ‘টারগ্রে’-এর কর্মী রোহিত পাহওয়া বলেন, “বড় সোলার পার্কগুলো ২০১০-এর দশকের মাঝামাঝি সময়ে তৈরি হয়েছে। সুতরাং আসল বর্জ্যের ঢেউ আসবে আরও ১০–১৫ বছরের মধ্যে।”

ভারতে কতটুকু নিরাপদ খ্রিস্টানরা?christian vandalise

বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, সঠিক রিসাইক্লিং ব্যবস্থা গড়ে উঠলে এটি কেবল বর্জ্য নয়, বরং নতুন উপকরণের উৎসও হতে পারে। দক্ষ রিসাইক্লিংয়ের মাধ্যমে প্যানেল তৈরির ৩৮ শতাংশ উপকরণ পুনঃউদ্ধার করা সম্ভব, যা খনি থেকে কাঁচামাল উত্তোলনের প্রয়োজন কমাবে এবং প্রায় ৩৭ মিলিয়ন টন কার্বন নিঃসরণ রোধ করবে।

ভারতে কাঁচামাল যেমন কাঁচ ও অ্যালুমিনিয়ামের বাজার আগে থেকেই রয়েছে। সিলিকন, রূপা ও তামা পুনঃব্যবহার করে নতুন প্যানেল বা অন্যান্য শিল্পে ব্যবহার করা সম্ভব। তবে বর্তমানে অধিকাংশ সৌর বর্জ্য প্রক্রিয়াজাত করা হয় সাধারণভাবে, যেখানে মূল্যবান ধাতুগুলো নষ্ট হয়ে যায়।

পরিবেশ বিশেষজ্ঞ সাই ভাস্কর রেড্ডি নাক্কা বলেন, “সৌরশক্তি দুই দশকের জন্য পরিচ্ছন্ন শক্তি উপহার দেয়। কিন্তু রিসাইক্লিংয়ের সঠিক ব্যবস্থা না থাকলে আজকের পরিচ্ছন্ন শক্তি আগামীকালের বড় বর্জ্য সংকটে পরিণত হতে পারে।”

রোহিত পাহওয়া আরও যোগ করেন, “বর্জ্য যত বাড়বে, সেগুলো প্রক্রিয়াজাত করতে জানে এমন কোম্পানির চাহিদাও তত বাড়বে। দ্রুত একটি নিয়ন্ত্রিত ও স্বনির্ভর রিসাইক্লিং ব্যবস্থা গড়ে তোলা জরুরি।”

ভারতে সৌরশক্তির প্রসার ইতিবাচক হলেও, সঠিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ছাড়া এটি দীর্ঘমেয়াদে পরিবেশের জন্য বড় ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।

বিষয়: জ্বালানিবর্জ্যবর্জ্য অপসারণপরিবেশ দূষণসৌর বিদ্যুৎভারত
Advertisement
সর্বশেষ
  • ১

    তাহসিফ ও দীপকে ‘ধাওয়া’ দিয়েছিল কারা?

  • ২

    সাংবাদিক নিধি রাজদানের সঙ্গে বিয়ে সারলেন কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর

  • ৩

    মিরপুরে ৩ মেট্রোস্টেশন বন্ধ, পুলিশের গাড়িতে আগুন

  • ৪

    ‘মাদরাসার সভাপতি-সেক্রেটারিও জানে না সেখানে কী পড়ানো হয়’

  • ৫

    ‘শিক্ষার্থীদের শিখন ঘাটতি পূরণে কোনো সরকারই দায়িত্ব পালন করেনি’

সম্পর্কিত
  • ইরান যুদ্ধ: বেরিয়ে আসার পথ খুঁজছে উপসাগরীয় দেশগুলো

    ইরান যুদ্ধ: বেরিয়ে আসার পথ খুঁজছে উপসাগরীয় দেশগুলো

    ইরানকে ঘিরে চলমান সংঘাত উপসাগরীয় দেশগুলোর জন্য এক কঠিন বাস্তবতা তৈরি করেছে। সামরিক শক্তি বৃদ্ধি, কূটনৈতিক তৎপরতা কিংবা হরমুজ প্রণালির বিকল্প জ্বালানি পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তোলা—কোনো উদ্যোগই এখন পর্যন্ত তাদের দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারেনি

  • এইচএসসির ফলাফলে বিপর্যয়, দায় কি শুধু শিক্ষার্থীর, নাকি রাষ্ট্রেরও?

    এইচএসসির ফলাফলে বিপর্যয়, দায় কি শুধু শিক্ষার্থীর, নাকি রাষ্ট্রেরও?

    গত ২২ বছরের মধ্যে চলতি বছর এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলে সবচেয়ে বড় বিপর্যয়ের জন্য প্রচলিত মূল্যায়ন ব্যবস্থা, রাজনৈতিক অস্থিরতা ও শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের অভাবকে দায়ী করছেন শিক্ষাবিদরা। তারা বলছেন, শিক্ষাদানের দুর্বলতার পাশাপাশি উত্তরপত্র মূল্যায়নের প্রথাগত পদ্ধতিও এই ফলাফলের জন্য দায়ী।

  • রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংকটে পশ্চিম ইউরোপ

    রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংকটে পশ্চিম ইউরোপ

    পশ্চিম ইউরোপের দেশগুলো দীর্ঘস্থায়ী রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। ফ্রান্স, স্পেন ও পর্তুগালের মতো দেশে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ, তরুণ প্রজন্মের অসন্তোষ, জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি এবং প্রচলিত রাজনৈতিক নেতৃত্বের প্রতি আস্থাহীনতা ইউরোপের বিদ্যমান রাজনৈতিক ব্যবস্থার দুর্বলতা প্রকাশ

  • ইরান ও ইউক্রেন: যুদ্ধই গিলে খাবে ট্রাম্পকে!

    ইরান ও ইউক্রেন: যুদ্ধই গিলে খাবে ট্রাম্পকে!

    ৩ নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচন ট্রাম্পের জন্য শুধু কংগ্রেসের আসনসংখ্যা নির্ধারণের লড়াই নয়; এটি তার পররাষ্ট্রনীতি ও অর্থনৈতিক সিদ্ধান্তের ওপর মার্কিন জনগণের মূল্যায়নেরও পরীক্ষা। ইউক্রেনের প্রতি অবস্থান পরিবর্তন, ইরান যুদ্ধের অর্থনৈতিক চাপ এবং শুল্কনীতির কারণে সৃষ্ট অসন্তোষ রিপাবলিকান ভোটব্যাংকেও প্রভ